জ্ঞাত আয়বহিভর্ূত সম্পদ অর্জন ও নানা দুর্নীতির অভিযোগে বিগত ২০১১ সালে প্রায় ৫০০ জনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাসহ ৫০-এর অধিক ভিআইপি রয়েছেন। দুদক সূত্রে
জানা গেছে, বিগত ২০১১ সালে সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুর্নীতির সংবাদসহ বিভিন্নভাবে প্রাপ্ত ৮ হাজার ৫৬টি অভিযোগের মধ্যে ১ হাজার ১৩৮টি অভিযোগের অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে অনুসন্ধান চলমান অভিযোগগুলোর মধ্যে প্রায় ৫০০ জনের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুদক। এছাড়া আইনগত ত্রম্নটির কারণে দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে যেসব ভিআইপি রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী খালাস পেয়েছেন এবং যাদের বিরম্নদ্ধে মামলার বিচারকাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি, তাদের কাছে পুনরায় সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠানোর চিনত্দাভাবনা করা হচ্ছে। একটি সূত্রে জানা গেছে, যেসব ভিআইপিদের নোটিশ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সাবেক তথ্য এবং বন ও পরিবেশমন্ত্রী তরিকুল ইসলাম, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উলস্নাহ আমান, সাবেক বিদু্যৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাবেক সাংসদ শামীম ওসমান, জয়নাল আবেদীন হাজারী, বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, সাবেক সচিব আ ন হ আখতার হোসেন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, সড়ক ও জনপথের প্রধান প্রকৌশলী শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের (এইচবিএফসি) মহাব্যবস্থাপক কফিল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান ড. গোলাম মোসত্দফা, শিৰা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সহিদুর রহমান, ঢাকা সিটি করপোরেশনের ঊধর্্বতন প্রকৌশলী সানাউল হক, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী নজমুল হক, মঞ্জুর আহমেদ ভূঁইয়া ও শফিউল আজম, কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট শাহাদাত হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এম শামসুল হক ও এক্সপোর্ট প্রমোশন বু্যরোর পরিচালক ওমর ফারম্নক প্রমুখ। এছাড়া ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, ডা. এইচ বি এম ইকবালকেও সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে অপর এক সূত্র জানায়। দুদকের এক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা দিনের শেষেকে জানান, মামলার গুণাগুণ (মেরিট) সঠিক নয় উলেস্নখ করে আদালত যেসব অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছে, তাদের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে আবারো অনুসন্ধান করা প্রয়োজন রয়েছে। পুনরায় অনুসন্ধানকালে অবৈধ সম্পদের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পদ বিবরণী চেয়ে তাদের কাছে আবারো নতুন করে নোটিশ পাঠানো হবে। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যেসব মামলা আদালতে বিচারাধীন, ওইসব অভিযোগ পুনরায় তদনত্দের জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চাওয়ার বিষয়ও ভাবা হচ্ছে। আদালত তদনত্দের অনুমতি দিলে পুনরায় তাদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগের তদনত্দ শুরম্ন হবে।
জানা গেছে, বিগত ২০১১ সালে সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুর্নীতির সংবাদসহ বিভিন্নভাবে প্রাপ্ত ৮ হাজার ৫৬টি অভিযোগের মধ্যে ১ হাজার ১৩৮টি অভিযোগের অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে অনুসন্ধান চলমান অভিযোগগুলোর মধ্যে প্রায় ৫০০ জনের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুদক। এছাড়া আইনগত ত্রম্নটির কারণে দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে যেসব ভিআইপি রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী খালাস পেয়েছেন এবং যাদের বিরম্নদ্ধে মামলার বিচারকাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি, তাদের কাছে পুনরায় সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠানোর চিনত্দাভাবনা করা হচ্ছে। একটি সূত্রে জানা গেছে, যেসব ভিআইপিদের নোটিশ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস, সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সাবেক তথ্য এবং বন ও পরিবেশমন্ত্রী তরিকুল ইসলাম, সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উলস্নাহ আমান, সাবেক বিদু্যৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাবেক সাংসদ শামীম ওসমান, জয়নাল আবেদীন হাজারী, বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, সাবেক সচিব আ ন হ আখতার হোসেন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, সড়ক ও জনপথের প্রধান প্রকৌশলী শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের (এইচবিএফসি) মহাব্যবস্থাপক কফিল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান ড. গোলাম মোসত্দফা, শিৰা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সহিদুর রহমান, ঢাকা সিটি করপোরেশনের ঊধর্্বতন প্রকৌশলী সানাউল হক, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী নজমুল হক, মঞ্জুর আহমেদ ভূঁইয়া ও শফিউল আজম, কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট শাহাদাত হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এম শামসুল হক ও এক্সপোর্ট প্রমোশন বু্যরোর পরিচালক ওমর ফারম্নক প্রমুখ। এছাড়া ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, ডা. এইচ বি এম ইকবালকেও সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে অপর এক সূত্র জানায়। দুদকের এক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা দিনের শেষেকে জানান, মামলার গুণাগুণ (মেরিট) সঠিক নয় উলেস্নখ করে আদালত যেসব অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছে, তাদের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে আবারো অনুসন্ধান করা প্রয়োজন রয়েছে। পুনরায় অনুসন্ধানকালে অবৈধ সম্পদের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পদ বিবরণী চেয়ে তাদের কাছে আবারো নতুন করে নোটিশ পাঠানো হবে। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যেসব মামলা আদালতে বিচারাধীন, ওইসব অভিযোগ পুনরায় তদনত্দের জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চাওয়ার বিষয়ও ভাবা হচ্ছে। আদালত তদনত্দের অনুমতি দিলে পুনরায় তাদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগের তদনত্দ শুরম্ন হবে।

0 Comments