এম,রা্য়হান চৌধূরী
চকরিয়ায় এক প্রভাবশালী কতর্ৃক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে দীর্ঘ ৫ মাস আটকে রেখে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা দায়ের করায় মিথ্যা মামলা, হামলার ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন ধর্ষিতার পরিবার। ওই প্রভাবশালী তার বিরুদ্ধে দায়ের করা নারী নিযর্াতন ও অপহরণ মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদীকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়ায়
ওইপরিবারটি জিম্মী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। গতকাল গভীর রাতে ওই প্রভাবশালীর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী মামলা প্রত্যাহারের জন্য অসহায় পরিবারের ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। এসময় তারা বাড়ির মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। বহুল আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটেছে চকরিয়া পার্শ্ববর্তী ফাইতং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। তার এ লোমহর্ষক কাহিনীর ঘটনার কথা শোনে বিবেকমান মানুষের মন নাড়া দিয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরএলাকার জনতা মার্কেটস্থ মৃত মোজাহের আহমদের পুত্র জনতা শপিং সেন্টারের এমডি নারীলোভী জাফর আলম গত বছরের ২২ এপ্রিল ফাইতং ইউনিয়নের নুরুল আমিনের কিশোরী সুন্দরী কন্যা ও ছিকলঘাটা আমজাদিয়া মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী জয়নাব বেগম আঙ্গুরী (১৪) কে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে বানিয়াছড়া এলাকা থেকে জোর পূর্বক অপহরণ করে গাড়ীতে উঠিয়ে টেকনাফে নিয়ে যায়। সেখানে তার একটি হোটেলে আটক রেখে ৩দিন যাবত জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সেখান থেকে কৌশলে চট্টগ্রামের হাটাহাজারী এলাকায় অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এঅবস্থায় অপহৃতার মাদ্রাসা ছাত্রী আঙ্গুরীর খোজ না পেয়ে তার মা নিশাত নাছরিন ডালিয়া মেয়ে অপহরণের অভিযোগে জাফর আলমসহ ৯জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় নারী শিশু নিযার্তন দমন আইনে (মামলা নং ১৬, তারিখ ১৪-৫-২০১১) দায়ের করেন। ঘটনার ৫ মাস পর খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ র্যাব-৭ ও হাটাজারী পুলিশের সহায়তায় গত ১১-৮-২০১১ তারিখে নজু মিয়া হাটের তালাবদ্ধ একটি বাসা থেকে অপহৃতা আঙ্গুরীকে ছিকল বাধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণের সহায়তাকারী রওশন আরা হ্যাপী নামের অপর এক মহিলাকে আটক করলেও অপহরণকারী জাফর আলম কৌশলে পালিয়ে যায়। এদিকে ঘটনার দীর্ঘ আট মাস পার হয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষক জাফর আলমকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। বরংচ সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা প্রত্যাহারের জন্য আঙ্গুরীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সর্বশেষ ধর্ষক জাফর আলম আঙ্গুরীর পরিবারের বিরুদ্ধে লামা থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দেয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ জানুয়ারী রাত দেড়টায় ফাইতং বাড়িতে তদন্তের নামে পুলিশের উপস্থিতিতে জাফরের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা, লুটপাট চালিয়ে বাড়ি ভাঙচুর ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। আঙ্গুরীর মা ডালিয়া জানান, তার মেয়ে সন্ত্রাসীদের হুমকির কারণে ৪মাস ধরে মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। বর্তমানে তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে অসহায় আঙ্গুরীর পরিবার ধর্ষক জাফর আলমের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবী করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
চকরিয়ায় এক প্রভাবশালী কতর্ৃক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে দীর্ঘ ৫ মাস আটকে রেখে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা দায়ের করায় মিথ্যা মামলা, হামলার ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন ধর্ষিতার পরিবার। ওই প্রভাবশালী তার বিরুদ্ধে দায়ের করা নারী নিযর্াতন ও অপহরণ মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদীকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়ায়
ওইপরিবারটি জিম্মী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। গতকাল গভীর রাতে ওই প্রভাবশালীর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী মামলা প্রত্যাহারের জন্য অসহায় পরিবারের ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। এসময় তারা বাড়ির মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। বহুল আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটেছে চকরিয়া পার্শ্ববর্তী ফাইতং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। তার এ লোমহর্ষক কাহিনীর ঘটনার কথা শোনে বিবেকমান মানুষের মন নাড়া দিয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরএলাকার জনতা মার্কেটস্থ মৃত মোজাহের আহমদের পুত্র জনতা শপিং সেন্টারের এমডি নারীলোভী জাফর আলম গত বছরের ২২ এপ্রিল ফাইতং ইউনিয়নের নুরুল আমিনের কিশোরী সুন্দরী কন্যা ও ছিকলঘাটা আমজাদিয়া মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী জয়নাব বেগম আঙ্গুরী (১৪) কে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে বানিয়াছড়া এলাকা থেকে জোর পূর্বক অপহরণ করে গাড়ীতে উঠিয়ে টেকনাফে নিয়ে যায়। সেখানে তার একটি হোটেলে আটক রেখে ৩দিন যাবত জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সেখান থেকে কৌশলে চট্টগ্রামের হাটাহাজারী এলাকায় অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এঅবস্থায় অপহৃতার মাদ্রাসা ছাত্রী আঙ্গুরীর খোজ না পেয়ে তার মা নিশাত নাছরিন ডালিয়া মেয়ে অপহরণের অভিযোগে জাফর আলমসহ ৯জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় নারী শিশু নিযার্তন দমন আইনে (মামলা নং ১৬, তারিখ ১৪-৫-২০১১) দায়ের করেন। ঘটনার ৫ মাস পর খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ র্যাব-৭ ও হাটাজারী পুলিশের সহায়তায় গত ১১-৮-২০১১ তারিখে নজু মিয়া হাটের তালাবদ্ধ একটি বাসা থেকে অপহৃতা আঙ্গুরীকে ছিকল বাধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণের সহায়তাকারী রওশন আরা হ্যাপী নামের অপর এক মহিলাকে আটক করলেও অপহরণকারী জাফর আলম কৌশলে পালিয়ে যায়। এদিকে ঘটনার দীর্ঘ আট মাস পার হয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষক জাফর আলমকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। বরংচ সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা প্রত্যাহারের জন্য আঙ্গুরীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সর্বশেষ ধর্ষক জাফর আলম আঙ্গুরীর পরিবারের বিরুদ্ধে লামা থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দেয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ জানুয়ারী রাত দেড়টায় ফাইতং বাড়িতে তদন্তের নামে পুলিশের উপস্থিতিতে জাফরের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা, লুটপাট চালিয়ে বাড়ি ভাঙচুর ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। আঙ্গুরীর মা ডালিয়া জানান, তার মেয়ে সন্ত্রাসীদের হুমকির কারণে ৪মাস ধরে মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। বর্তমানে তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে অসহায় আঙ্গুরীর পরিবার ধর্ষক জাফর আলমের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবী করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


0 Comments