আবিদ রহমান : মুদ্রাস্ফীতি বিশেষজ্ঞ বন্ধুবর ফারুক মঈনউদ্দিনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাপূর্বক এই লেখা। এই লেখা ফারুককেই মানাতো। হাতুড়ি-বাটালের জ্ঞান নিয়ে এই বিষয়ে লেখা কিছুটা ধৃষ্টতার সামিল। মাঝে মধ্যে অর্বাচীন ধৃষ্টতা ভালো ভেবেই লেখা!
বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির অঙ্কটা দীর্ঘদিন ধরে দুইয়ের অংক ছুঁই-ছুঁই। মুদ্রাস্ফীতির দানবকে নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে জাতীয় প্রবৃদ্ধির অংকটা দুইয়ের ঘরে পেঁৗছত। আমাদের অর্থপ্রবাহে সাদা টাকার বদলে কালো টাকার কণিকা বেশি। আয়-কর ও ভ্যাট ফাঁকির এত 'সরকারি বন্দোবসত্দ ও পৃষ্ঠপোষকতা' অন্য কোথাও বিরল। দুর্নীতি এত বেশি ব্যাপক ও অনায়াসে যে জমির মূল্য একলাফে কুড়ি বছরে ৬শ গুণ বাড়ে। বাড়ি ভাড়া ঊধর্্বগতিতে দেঁৗড়ায়। কুড়ি-পঁচিশ লাখ টাকার ফ্ল্যাট পাঁচ বছরে কোটিতে বিক্রি হয়। একবেলা মধ্যবিত্ত হোটেলের খরচা শ'-দেড়কে ঠেকে। হাজার টাকার নোটকে কাঁচাবাজারে মালুম হয় নেহাতই কাগুজে। একশ্রেণীর মানুষের কাছে লাখ টাকা তেজপাতার মতো অজস্র ও মূল্যহীন। দুর্নীতির আয় বাজারে টাকার প্রতিযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক উৎসাহে পরিণত করে। সঙ্গতকারণেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে। এখানে ডিমান্ড অ্যান্ড সাপস্নাইয়ের কোনো বালাই নেই। সাপস্নাই প্রচুর। কিন্তু উৎসাহী ক্রেতার সংখ্যা পালস্না দিতে ততোধিক। টাকা রোজগার একশ্রেণীর মানুষের কাছে এত অনায়াস যে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক-কুয়ালালামপুরের বিমানভাড়াকে ঢাকা-কুমিলস্নার বাসভাড়ার সমতুল্য মালুম হয়। কিছু টাকা দেশের জমিতে-ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ হয়। বুটিক রেসত্দোরাঁয় নিত্য ডিনারেও শেষ হয় না। বাধ্য হয়ে সেগুলোকে 'ধর্মানত্দরিত' করতে হয় মার্কিন 'খ্রিস্টান' ডলারে। শত হোক দুনিয়ার একমাত্র হালাল মুদ্রা! (মার্কিন ডলারেই একমাত্র সৃষ্টিকর্তার নাম থাকে : ইন গড উই ট্রাস্ট)।
বিনিয়োগের সরকারি নিশ্চয়তায় বাংলাদেশের নিম্ন-মধ্য ও উচ্চবিত্তরা নিজেদের সর্বস্ব লাভজনক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শেষে এখন আত্মহত্যা করার মতো দুর্দশায় আছেন। রাতারাতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পরিকল্পিতভাবে সর্বশানত্দ করার দুবর্ৃত্তায়নে বিচারের মুখোমুখি হয়নি। উৎপাদনে না-থাকা শিল্প-কারখানার একশ টাকার শেয়ার কীভাবে কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় এক হাজার টাকায় বেচা-কেনা হয় বোধগম্য হয় না। কোনো মনিটরিং কি কোথায়ও নেই? কোথাও ছিল? জানি শেয়ারবাজার কিছুটা ফটকার বাজার। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সম্পর্কে বিসত্দারিত ও ব্যাপক জ্ঞান থাকা উচিত কিন্তু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে শেয়ার মালিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কিত আয়-ব্যয়-লাভ-লোকসানের কারিগরি তথ্যাদি যাচাইয়ের বিশেষজ্ঞ যোগ্যতা স্বাভাবিক নিয়মেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনুপস্থিত। সরকারি ব্যবস্থা ও আইন-কানুনে নিবিড় আস্থা রেখেই সর্বস্ব খুইয়েছেন মানুষ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৮৩ হাজার 'নিরীহ' কোটি টাকা উধাও হয়েছে পরিকল্পিত বাতাসে। টাকার অংকে এটা আমাদের জাতীয় বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশ।
প্রশ্ন্ন হচ্ছে 'হাওয়া' হওয়া ৮৩ হাজার কোটি টাকা এখন কোন গোয়ালে? সাধারণের বিনিয়োগ উধাওয়ের ম্যাজিশিয়ানরা সব সময় নিরাপদ দূরত্বেই গা-ঢাকা থাকেন। ম্যাজিশিয়ানদের আনি-সিকি-আধুলি সহকারীরা হয়তো সামান্য কিছু হাতিয়েছেন। বাদবাকি টাকাগুলো তৃতীয় বিশ্বের দেশ বাংলাদেশের জন্ম-ধর্ম মায়া কাটিয়ে উন্নত বিশ্বের ডলারে রিটায়ারমেন্ট কাটাচ্ছে। যদি ৫০ হাজার কোটি টাকা একসঙ্গে ডলারে 'ধর্মানত্দরিত' হতে চায় তাহলে দেশে ডলার সংকট হওয়া কি খুব অস্বাভাবিক?
সব অঘটন-অনাচার-দুর্নীতি এক সুতোয় গাঁথা। এগুলোর কারণেই আমাদের প্রবৃদ্ধিটা দুইয়ের অংক ছুঁতে ব্যর্থ হচ্ছে আর প্রবৃদ্ধির বদলিতে জাঁকিয়ে বসছে মুদ্রাস্ফীতি। আকাশচুম্বি ডলারের দামের পরও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হচ্ছে না। অবশ্য প্রাজ্ঞ অর্থমন্ত্রী এই রোগের প্রেসক্রিপশনে 'বুদ্ধিজীবী ও সংবাদপত্রের' বীজানুকে দায়ী করেছেন।
অর্থমন্ত্রী কি জানেন অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না। আহা, তিনি 'কী সুন্দর অন্ধ'!
গাজর আপনাকে করবে আকর্ষণীয়
যারা এক বেলা মোগলাই খানার বদলে সালাদের নাম শুনলেই মুখ ফ্যাকাশে করে ফেলেন তাদের জন্য একটি দুঃসংবাদ। কারণ, মোগলাই খাবার তৃপ্তি তো দেবে, কিন্তু আপনি যদি সৌন্দযর্্য সচেতন হন তাহলে সালাদ বেছে নেয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সালাদ যাতে গাজরের পরিমাণ থাকবে বেশি। এই গাজরই আপনাকে করে তুলবে আকর্ষণীয়, ত্বক রাখবে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল।
সম্প্রতি ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই তথ্য জানালেন। গবেষকরা জানান, গাজরে আছে এক ধরনের হলুদ বর্ণের রঞ্জক পদার্থ, এর নাম ক্যারোটিনোয়েডস। এই উপদানটি আমাদের ত্বক কোষে পৌঁছে, একে পরিষ্কার করে এবং সেই রঞ্জক পদার্থের আভাই আমাদের ত্বকে পরিলৰিত হয় এবং কম সময়েই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠা যায়। এই গবেষণার প্রধান ইয়ান স্টেফেন জানান, নিয়মিত গাজর খেলে দুই মাসের মধ্যেই ত্বকে এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।
তিনি বলেন, 'আজকাল কোনো তরুণ-তরুণীকে যদি গিয়ে বলি সবজি খাও, তা না হলে ৪০ বছর বয়সে গিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তখন, তারা এক গাল হেসে উত্তর দেবে বয়স ৪০'র কাছাকাছি আগে যাক এরপর তা দেখা যাবে। কিন্তু আমি বলি, সুদর্শন কিংবা আকর্ষণীয় হতে হলে এই খাবারটি অত্যাবশ্যক তা হলে দেখবেন কেউ আর দেরি করবে না।'
ইয়ান আরো বলেন, 'এই ফাস্ট প্রজন্মের খাবারের ধরন দিন দিন বিগড়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে তাদের ত্বকে। তাই, তাদের আরো বেশি ফল ও সবজির দিকে ঝুঁকতে হবে।'
বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির অঙ্কটা দীর্ঘদিন ধরে দুইয়ের অংক ছুঁই-ছুঁই। মুদ্রাস্ফীতির দানবকে নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে জাতীয় প্রবৃদ্ধির অংকটা দুইয়ের ঘরে পেঁৗছত। আমাদের অর্থপ্রবাহে সাদা টাকার বদলে কালো টাকার কণিকা বেশি। আয়-কর ও ভ্যাট ফাঁকির এত 'সরকারি বন্দোবসত্দ ও পৃষ্ঠপোষকতা' অন্য কোথাও বিরল। দুর্নীতি এত বেশি ব্যাপক ও অনায়াসে যে জমির মূল্য একলাফে কুড়ি বছরে ৬শ গুণ বাড়ে। বাড়ি ভাড়া ঊধর্্বগতিতে দেঁৗড়ায়। কুড়ি-পঁচিশ লাখ টাকার ফ্ল্যাট পাঁচ বছরে কোটিতে বিক্রি হয়। একবেলা মধ্যবিত্ত হোটেলের খরচা শ'-দেড়কে ঠেকে। হাজার টাকার নোটকে কাঁচাবাজারে মালুম হয় নেহাতই কাগুজে। একশ্রেণীর মানুষের কাছে লাখ টাকা তেজপাতার মতো অজস্র ও মূল্যহীন। দুর্নীতির আয় বাজারে টাকার প্রতিযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক উৎসাহে পরিণত করে। সঙ্গতকারণেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে। এখানে ডিমান্ড অ্যান্ড সাপস্নাইয়ের কোনো বালাই নেই। সাপস্নাই প্রচুর। কিন্তু উৎসাহী ক্রেতার সংখ্যা পালস্না দিতে ততোধিক। টাকা রোজগার একশ্রেণীর মানুষের কাছে এত অনায়াস যে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক-কুয়ালালামপুরের বিমানভাড়াকে ঢাকা-কুমিলস্নার বাসভাড়ার সমতুল্য মালুম হয়। কিছু টাকা দেশের জমিতে-ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ হয়। বুটিক রেসত্দোরাঁয় নিত্য ডিনারেও শেষ হয় না। বাধ্য হয়ে সেগুলোকে 'ধর্মানত্দরিত' করতে হয় মার্কিন 'খ্রিস্টান' ডলারে। শত হোক দুনিয়ার একমাত্র হালাল মুদ্রা! (মার্কিন ডলারেই একমাত্র সৃষ্টিকর্তার নাম থাকে : ইন গড উই ট্রাস্ট)।
বিনিয়োগের সরকারি নিশ্চয়তায় বাংলাদেশের নিম্ন-মধ্য ও উচ্চবিত্তরা নিজেদের সর্বস্ব লাভজনক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শেষে এখন আত্মহত্যা করার মতো দুর্দশায় আছেন। রাতারাতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পরিকল্পিতভাবে সর্বশানত্দ করার দুবর্ৃত্তায়নে বিচারের মুখোমুখি হয়নি। উৎপাদনে না-থাকা শিল্প-কারখানার একশ টাকার শেয়ার কীভাবে কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় এক হাজার টাকায় বেচা-কেনা হয় বোধগম্য হয় না। কোনো মনিটরিং কি কোথায়ও নেই? কোথাও ছিল? জানি শেয়ারবাজার কিছুটা ফটকার বাজার। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সম্পর্কে বিসত্দারিত ও ব্যাপক জ্ঞান থাকা উচিত কিন্তু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে শেয়ার মালিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কিত আয়-ব্যয়-লাভ-লোকসানের কারিগরি তথ্যাদি যাচাইয়ের বিশেষজ্ঞ যোগ্যতা স্বাভাবিক নিয়মেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনুপস্থিত। সরকারি ব্যবস্থা ও আইন-কানুনে নিবিড় আস্থা রেখেই সর্বস্ব খুইয়েছেন মানুষ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৮৩ হাজার 'নিরীহ' কোটি টাকা উধাও হয়েছে পরিকল্পিত বাতাসে। টাকার অংকে এটা আমাদের জাতীয় বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশ।
প্রশ্ন্ন হচ্ছে 'হাওয়া' হওয়া ৮৩ হাজার কোটি টাকা এখন কোন গোয়ালে? সাধারণের বিনিয়োগ উধাওয়ের ম্যাজিশিয়ানরা সব সময় নিরাপদ দূরত্বেই গা-ঢাকা থাকেন। ম্যাজিশিয়ানদের আনি-সিকি-আধুলি সহকারীরা হয়তো সামান্য কিছু হাতিয়েছেন। বাদবাকি টাকাগুলো তৃতীয় বিশ্বের দেশ বাংলাদেশের জন্ম-ধর্ম মায়া কাটিয়ে উন্নত বিশ্বের ডলারে রিটায়ারমেন্ট কাটাচ্ছে। যদি ৫০ হাজার কোটি টাকা একসঙ্গে ডলারে 'ধর্মানত্দরিত' হতে চায় তাহলে দেশে ডলার সংকট হওয়া কি খুব অস্বাভাবিক?
সব অঘটন-অনাচার-দুর্নীতি এক সুতোয় গাঁথা। এগুলোর কারণেই আমাদের প্রবৃদ্ধিটা দুইয়ের অংক ছুঁতে ব্যর্থ হচ্ছে আর প্রবৃদ্ধির বদলিতে জাঁকিয়ে বসছে মুদ্রাস্ফীতি। আকাশচুম্বি ডলারের দামের পরও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হচ্ছে না। অবশ্য প্রাজ্ঞ অর্থমন্ত্রী এই রোগের প্রেসক্রিপশনে 'বুদ্ধিজীবী ও সংবাদপত্রের' বীজানুকে দায়ী করেছেন।
অর্থমন্ত্রী কি জানেন অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না। আহা, তিনি 'কী সুন্দর অন্ধ'!
গাজর আপনাকে করবে আকর্ষণীয়
যারা এক বেলা মোগলাই খানার বদলে সালাদের নাম শুনলেই মুখ ফ্যাকাশে করে ফেলেন তাদের জন্য একটি দুঃসংবাদ। কারণ, মোগলাই খাবার তৃপ্তি তো দেবে, কিন্তু আপনি যদি সৌন্দযর্্য সচেতন হন তাহলে সালাদ বেছে নেয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সালাদ যাতে গাজরের পরিমাণ থাকবে বেশি। এই গাজরই আপনাকে করে তুলবে আকর্ষণীয়, ত্বক রাখবে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল।
সম্প্রতি ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই তথ্য জানালেন। গবেষকরা জানান, গাজরে আছে এক ধরনের হলুদ বর্ণের রঞ্জক পদার্থ, এর নাম ক্যারোটিনোয়েডস। এই উপদানটি আমাদের ত্বক কোষে পৌঁছে, একে পরিষ্কার করে এবং সেই রঞ্জক পদার্থের আভাই আমাদের ত্বকে পরিলৰিত হয় এবং কম সময়েই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠা যায়। এই গবেষণার প্রধান ইয়ান স্টেফেন জানান, নিয়মিত গাজর খেলে দুই মাসের মধ্যেই ত্বকে এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।
তিনি বলেন, 'আজকাল কোনো তরুণ-তরুণীকে যদি গিয়ে বলি সবজি খাও, তা না হলে ৪০ বছর বয়সে গিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তখন, তারা এক গাল হেসে উত্তর দেবে বয়স ৪০'র কাছাকাছি আগে যাক এরপর তা দেখা যাবে। কিন্তু আমি বলি, সুদর্শন কিংবা আকর্ষণীয় হতে হলে এই খাবারটি অত্যাবশ্যক তা হলে দেখবেন কেউ আর দেরি করবে না।'
ইয়ান আরো বলেন, 'এই ফাস্ট প্রজন্মের খাবারের ধরন দিন দিন বিগড়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে তাদের ত্বকে। তাই, তাদের আরো বেশি ফল ও সবজির দিকে ঝুঁকতে হবে।'

0 Comments