বন্ধ হয়নি টৈটং চেয়ারম্যানের অবৈধ স'মিল স্টাফ রিপোটর্ার
পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া বাজারের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) জায়গা দখল করে গড়ে তোলা একটি অবৈধ স'মিলে দিনরাত চিরাই হচ্ছে পাশ্ববতর্ী সরকারী বনাঞ্চলের নানা প্রজাতির গাছ। এর ফলে দিন দিন বারবাকিয়ার পাহাড়গুলো বৃক্ষ শুন্য হয়ে পড়েছে। পরিবেশ মারাত্নক হুমকির সম্মূখীন হয়ে পড়েছে।
গতকাল ৩১ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৫টায় সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বারবাকিয়া সওদাগর হাটের পশ্চিম পাশ্বর্ে গত কয়েক বছর পূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) বিপুল পরিমাণ জায়গা দখল করে স্থানীয় পাহাড়ীয়া খালী গ্রামের মৌলভী ইসমাইলের পুত্র মো: ইকবাল বারবাকিয়া বাজার পরিচালনা কমিটির নেতা পরিচয়ে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে একটি স'মিল বসান। আর এ স'মিল সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ থেকে অনুমোদন ও নেননি। স্থানীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকতর্াকে মোটা অংক দিয়ে ম্যানেজ করেই ওই ইকবাল সরকারী কোন নিয়মানীতি অনুসরণ না করেই সংরক্ষিত বনের এক কিলোমিটারের ভিতরেই স'মিল বসিয়ে তাতে বনাঞ্চলের গাছ সংঘব্ধ গাছ চোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাচার করে এনে প্রকাশ্যে লাগামাহীন চিরাই করে চলেছেন।
এদিকে অবৈধ অনুমোদনহীন ওই স'মিলে পাশ্ববতর্ী সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন থেকে কেটে গত কয়েক দিন পূর্বে প্রায় কয়েক লাখ টাকার সমমূল্যের বিপুল পরিমান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এনে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে অবৈধ স'মিলে চিরাইয়ের জন্য এভাবে বনাঞ্চলের গাছ কেটে সংঘবদ্ধ গাছচোর সিন্ডিকেট নিয়ে আসলেও বন বিভাগের কতর্া ব্যক্তিরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয় পরিবেশ প্রেমী সচেতন মানুষদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়,উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবর পাড়া গ্রামের মৃত ফকির মোহাম্মদের পুত্র হাজী জামাল ৭/৮ জন শ্রমিক নিয়োগ করে গত ১৫ ডিসেম্বর তাদের বসত বাড়ীর গাছ দাবী করে বন বিভাগ কতর্ৃক সৃজিত সংরক্ষিত বনের শত বছরের পুরানো ৩টি মাদার ট্রি গর্জন গাছ রাঁতের আধারে কেটে ফেলে। এবং সংরক্ষিত বনের ওই গর্জন গাছগওলো ওই ইকবাল তার মালীকানাধীন অবৈধ স'মিলে ১লাখ ৮০হাজার টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে নেয়। পরে তা সাগর পথে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়।
বারবাকিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম,আবদুল কাদের,নাছির উদ্দিন,ইমাম হোসেন,সগীর আলমসহ আরো কয়েকজন জানান,এ ভাবে অবৈধ সমিলে লাখ লাখ টাকার বনাঞ্চলের গাছ কেটে এনে মজুদ করলেও স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকতর্ারা ওই স'মিলের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা। তারা এ অবৈধ স'মিল বন্ধ করে দিয়ে পাশ্ববতর্ী বন রক্ষায় বন বিভাগের উর্দ্ধতন কতর্ৃপক্ষের নিকট জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ওই অবৈধ স'মিলের মালিক ইকবালের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,স'মিলটি আমার মালিকানাধীন নয়। আমি পেকুয়া উপজেলা আ'লীগের সভাপতি ছাদেকুর রহমান ওয়াচেীর কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছি। এক পযর্ায়ে তিনি বলেন স'মিলের লাইসেন্স আছে কি নেই সেটা আমার জানার বিষয় নই,ওয়াচেীই ভাল করে জানবে?
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের বনবিট কর্মকতর্া এস এম কাউসার হোসেন জানান,শিগগিরই বন বিভাগে ওই অবৈধ স'মিল বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার বাণী পত্রিকায় গত ৩০ ডিসেম্বর শেষ পৃষ্টায় গুরুত্ব সহকারে 'পেকুয়ার টইটংয়ে অবৈধ একটি স'মিলে মজুদ করা হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার চেরাই কাঠ'শীর্ষক একটি তথ্য নির্ভর বস্তুনিষ্ট সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে সর্বত্রে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এবং পেকুয়ার সচেতন পরিবেশ প্রেমীরা এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অবিলম্বে উক্ত স'মিল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে হরুরী হস্তক্ষেপ কামানা করছেন। জানা যায়,পেকুয়া উপজেলার টইটংয়ের এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন একটি অবৈধ স'মিলে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সরকারী বনাঞ্চলের গাছ। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়,টইটং ইউনিয়নের টইটং বাজারে অবস্থিত স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো: শহীদুল্লাহর মালিকানধীন একটি অবৈধ অনুমোদনহীন স'মিলে পাশ্ববতর্ী সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন থেকে কেটে প্রায় তিন লাখ টাকার সমমূল্যের বিপুল পরিমান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এনে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে ওই সাবেক চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন স'মিলে চিরাইয়ের জন্য এভাবে বনাঞ্চলের গাছ কেটে সংঘবদ্ধ গাছচোর সিন্ডিকেট নিয়ে আসলেও বন বিভাগের কতর্া ব্যক্তিরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া বাজারের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) জায়গা দখল করে গড়ে তোলা একটি অবৈধ স'মিলে দিনরাত চিরাই হচ্ছে পাশ্ববতর্ী সরকারী বনাঞ্চলের নানা প্রজাতির গাছ। এর ফলে দিন দিন বারবাকিয়ার পাহাড়গুলো বৃক্ষ শুন্য হয়ে পড়েছে। পরিবেশ মারাত্নক হুমকির সম্মূখীন হয়ে পড়েছে।
গতকাল ৩১ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৫টায় সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বারবাকিয়া সওদাগর হাটের পশ্চিম পাশ্বর্ে গত কয়েক বছর পূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) বিপুল পরিমাণ জায়গা দখল করে স্থানীয় পাহাড়ীয়া খালী গ্রামের মৌলভী ইসমাইলের পুত্র মো: ইকবাল বারবাকিয়া বাজার পরিচালনা কমিটির নেতা পরিচয়ে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে একটি স'মিল বসান। আর এ স'মিল সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ থেকে অনুমোদন ও নেননি। স্থানীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকতর্াকে মোটা অংক দিয়ে ম্যানেজ করেই ওই ইকবাল সরকারী কোন নিয়মানীতি অনুসরণ না করেই সংরক্ষিত বনের এক কিলোমিটারের ভিতরেই স'মিল বসিয়ে তাতে বনাঞ্চলের গাছ সংঘব্ধ গাছ চোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাচার করে এনে প্রকাশ্যে লাগামাহীন চিরাই করে চলেছেন।
এদিকে অবৈধ অনুমোদনহীন ওই স'মিলে পাশ্ববতর্ী সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন থেকে কেটে গত কয়েক দিন পূর্বে প্রায় কয়েক লাখ টাকার সমমূল্যের বিপুল পরিমান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এনে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে অবৈধ স'মিলে চিরাইয়ের জন্য এভাবে বনাঞ্চলের গাছ কেটে সংঘবদ্ধ গাছচোর সিন্ডিকেট নিয়ে আসলেও বন বিভাগের কতর্া ব্যক্তিরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয় পরিবেশ প্রেমী সচেতন মানুষদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়,উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবর পাড়া গ্রামের মৃত ফকির মোহাম্মদের পুত্র হাজী জামাল ৭/৮ জন শ্রমিক নিয়োগ করে গত ১৫ ডিসেম্বর তাদের বসত বাড়ীর গাছ দাবী করে বন বিভাগ কতর্ৃক সৃজিত সংরক্ষিত বনের শত বছরের পুরানো ৩টি মাদার ট্রি গর্জন গাছ রাঁতের আধারে কেটে ফেলে। এবং সংরক্ষিত বনের ওই গর্জন গাছগওলো ওই ইকবাল তার মালীকানাধীন অবৈধ স'মিলে ১লাখ ৮০হাজার টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে নেয়। পরে তা সাগর পথে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়।
বারবাকিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম,আবদুল কাদের,নাছির উদ্দিন,ইমাম হোসেন,সগীর আলমসহ আরো কয়েকজন জানান,এ ভাবে অবৈধ সমিলে লাখ লাখ টাকার বনাঞ্চলের গাছ কেটে এনে মজুদ করলেও স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকতর্ারা ওই স'মিলের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা। তারা এ অবৈধ স'মিল বন্ধ করে দিয়ে পাশ্ববতর্ী বন রক্ষায় বন বিভাগের উর্দ্ধতন কতর্ৃপক্ষের নিকট জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ওই অবৈধ স'মিলের মালিক ইকবালের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,স'মিলটি আমার মালিকানাধীন নয়। আমি পেকুয়া উপজেলা আ'লীগের সভাপতি ছাদেকুর রহমান ওয়াচেীর কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছি। এক পযর্ায়ে তিনি বলেন স'মিলের লাইসেন্স আছে কি নেই সেটা আমার জানার বিষয় নই,ওয়াচেীই ভাল করে জানবে?
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের বনবিট কর্মকতর্া এস এম কাউসার হোসেন জানান,শিগগিরই বন বিভাগে ওই অবৈধ স'মিল বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার বাণী পত্রিকায় গত ৩০ ডিসেম্বর শেষ পৃষ্টায় গুরুত্ব সহকারে 'পেকুয়ার টইটংয়ে অবৈধ একটি স'মিলে মজুদ করা হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার চেরাই কাঠ'শীর্ষক একটি তথ্য নির্ভর বস্তুনিষ্ট সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে সর্বত্রে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এবং পেকুয়ার সচেতন পরিবেশ প্রেমীরা এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অবিলম্বে উক্ত স'মিল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে হরুরী হস্তক্ষেপ কামানা করছেন। জানা যায়,পেকুয়া উপজেলার টইটংয়ের এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন একটি অবৈধ স'মিলে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সরকারী বনাঞ্চলের গাছ। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়,টইটং ইউনিয়নের টইটং বাজারে অবস্থিত স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো: শহীদুল্লাহর মালিকানধীন একটি অবৈধ অনুমোদনহীন স'মিলে পাশ্ববতর্ী সরকারী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়ন থেকে কেটে প্রায় তিন লাখ টাকার সমমূল্যের বিপুল পরিমান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এনে চিরাইয়ের জন্য মজুদ করা হয়েছে। প্রকাশ্যে ওই সাবেক চেয়ারম্যানের মালিকানাধীন স'মিলে চিরাইয়ের জন্য এভাবে বনাঞ্চলের গাছ কেটে সংঘবদ্ধ গাছচোর সিন্ডিকেট নিয়ে আসলেও বন বিভাগের কতর্া ব্যক্তিরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

0 Comments