আমিনুল ইসলাম
টেকনাফ স্থল বন্দর ও এরপাশ ঘেঁষে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকামুল্যের ইয়াবার চালান খালাস হয়েছে। এ চালান খালাসকালে বস্তাবর্তি প্যাকেট ফুটো হয়ে রাস্তায় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকে। সকালে লোকজন কাজে যাওয়ার সময় পরিত্যক্ত ট্যাবলেট দেখে গাড়ী থামিয়ে কুড়ে নিয়ে ব্যবসায়ীদের
নিকট বিক্রির ঘটনায় সর্বত্রে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনা অব্যাহত থাকলে স্থলবন্দরটি অচিরে ধ্বংস হয়ে যাবে।
জানা যায়- গত ২৭ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হ্নীলা, রঙ্গিখালী, লেদা, মোছনী পাড়া, জাদীমুরা ও দমদমিয়া এলাকার লোকজন কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মিন্টু,সেলিম,রবি,কালাম, বন্দরের প্রধান ফটকের ভেতরে ও বরইতলী এলাকার রাস্তায় পরিত্যক্ত ইয়াবার সন্ধান পেয়ে কুঁড়াতে থাকে। কুঁড়ানো ইয়াবার খবর পেয়ে দমদমিয়া বিওপির একদল জওয়ান তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পায় ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ স্থল বন্দরের ইনচার্জ মোহাইমেন বন্দর এলাকা দিয়ে ইয়াবার চালান খালাসের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- সড়কে ইয়াবা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ার কথা শুনেছি এবং বিজিবির অনুসন্ধান টিম দেখেছি। কিন্তু বন্দরের অভ্যন্তরে কোন প্রকার ইয়াবা কুড়িয়ে পাওয়ার ঘটনা আমার জানা নেই। তিনি বন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে কোনভাবেই ইয়াবার চালান পাচার সম্ভব নয় বলে জানান।
উপরোক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ৪২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মঞ্জুর এ খোদা জানিয়েছেন- ইয়াবার চালান পাচারের কথা শুনে সরেজমিনে গিয়ে বিজিবির ব্যাটলিয়ন ও দমদমিয়া ক্যাম্পস্থ কয়েকটি টিম অভিযান চালায় এবং শতাধিক পণ্য ভর্তি ট্রাক ও বিভিন্ন যানবাহনে ডগ স্কোয়াড দ্বারা ব্যাপক তল্লাশী চালানো হয়। আলাপকালে তিনি টেকনাফ স্থল বন্দর থেকে গভীর রাতে ইয়াবার বড় আকারের চালান পাচার হয়েছে বলে ধারণা করেন।
এব্যাপারে স্থানীয় কোষ্ট গর্াড কর্মকর্তা লেঃ বদরুদ্দোজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান। ইয়াবারা চালান পাচারকালে প্যাকেট ফেটে এ অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইয়াবার চালান খালাসের নিরাপদ রম্নট হিসেবে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এ বন্দরকে ব্যবহার করে আসছে। সাধারণ লোকজন মনে করছেন ৰমতাসীন দলের কেউ জড়িত অনেকে জানার পরও মুখ খুলছেনা । এভাবে চলতে থাকলে সরকারী রাজস্ব আদায়কারী বন্দরটি অচিরে ধবংস হয়ে যাবে।
টেকনাফ স্থল বন্দর ও এরপাশ ঘেঁষে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকামুল্যের ইয়াবার চালান খালাস হয়েছে। এ চালান খালাসকালে বস্তাবর্তি প্যাকেট ফুটো হয়ে রাস্তায় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকে। সকালে লোকজন কাজে যাওয়ার সময় পরিত্যক্ত ট্যাবলেট দেখে গাড়ী থামিয়ে কুড়ে নিয়ে ব্যবসায়ীদের
নিকট বিক্রির ঘটনায় সর্বত্রে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনা অব্যাহত থাকলে স্থলবন্দরটি অচিরে ধ্বংস হয়ে যাবে।
জানা যায়- গত ২৭ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হ্নীলা, রঙ্গিখালী, লেদা, মোছনী পাড়া, জাদীমুরা ও দমদমিয়া এলাকার লোকজন কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মিন্টু,সেলিম,রবি,কালাম, বন্দরের প্রধান ফটকের ভেতরে ও বরইতলী এলাকার রাস্তায় পরিত্যক্ত ইয়াবার সন্ধান পেয়ে কুঁড়াতে থাকে। কুঁড়ানো ইয়াবার খবর পেয়ে দমদমিয়া বিওপির একদল জওয়ান তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পায় ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ স্থল বন্দরের ইনচার্জ মোহাইমেন বন্দর এলাকা দিয়ে ইয়াবার চালান খালাসের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- সড়কে ইয়াবা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ার কথা শুনেছি এবং বিজিবির অনুসন্ধান টিম দেখেছি। কিন্তু বন্দরের অভ্যন্তরে কোন প্রকার ইয়াবা কুড়িয়ে পাওয়ার ঘটনা আমার জানা নেই। তিনি বন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে কোনভাবেই ইয়াবার চালান পাচার সম্ভব নয় বলে জানান।
উপরোক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ৪২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মঞ্জুর এ খোদা জানিয়েছেন- ইয়াবার চালান পাচারের কথা শুনে সরেজমিনে গিয়ে বিজিবির ব্যাটলিয়ন ও দমদমিয়া ক্যাম্পস্থ কয়েকটি টিম অভিযান চালায় এবং শতাধিক পণ্য ভর্তি ট্রাক ও বিভিন্ন যানবাহনে ডগ স্কোয়াড দ্বারা ব্যাপক তল্লাশী চালানো হয়। আলাপকালে তিনি টেকনাফ স্থল বন্দর থেকে গভীর রাতে ইয়াবার বড় আকারের চালান পাচার হয়েছে বলে ধারণা করেন।
এব্যাপারে স্থানীয় কোষ্ট গর্াড কর্মকর্তা লেঃ বদরুদ্দোজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান। ইয়াবারা চালান পাচারকালে প্যাকেট ফেটে এ অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইয়াবার চালান খালাসের নিরাপদ রম্নট হিসেবে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এ বন্দরকে ব্যবহার করে আসছে। সাধারণ লোকজন মনে করছেন ৰমতাসীন দলের কেউ জড়িত অনেকে জানার পরও মুখ খুলছেনা । এভাবে চলতে থাকলে সরকারী রাজস্ব আদায়কারী বন্দরটি অচিরে ধবংস হয়ে যাবে।

0 Comments