এম রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কোরবানিয়া ঘোনায় গুড়িয়ে দেয়া অর্ধশতাধিক পরিবারের শতশত নারী পুরুষ চকরিয়া ও লামা উপজেলার সীমানা নির্ধারন এবং আজিজ নগর উইনিযনের চেয়ারম্যান পাড়ার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে জানমাল ও বাড়িঘর রক্ষার জন্য
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বারক লিপি দিয়েছে ক্ষতি গ্রস্থ পরিবারের লোকজন। যে কোন মুহুর্তে আজিজ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চেীধুরীর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে আতংকিত দরিদ্র পরিবার গুলো খোলা আকাশের নীচে মাঘের তীব্র শীতে মানবেতর জীবন-যাপন অতিবাহিত করছে।
অভিযোগে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জের অধীন হারবাং ইউনিয়নের হারবাং বন বিটের অধীন বন ভুমিতে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বসবাসরত করে আসছে ভূমিহীন প্রায় অর্ধশতাধিক দরিদ্র পরিবার। কিন্তু পাশ্ববর্তী বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চৌধুরী ওই জমি চাম্বি মৌজার অংশ হিসেবে দাবী করে রাবার প্লটের জন্য লীজ নিয়েছে। আজিজ নগর ইউপি'র চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা নাজেমুল ইসলাম আদালতের নির্দেশক্রমে প্রশাসনের সহায়তায় কয়েক'শ শ্রমিক নিয়োগ করে গত ২২জানুয়ারী প্রায় অর্ধ শতাধিক বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেয় এবং ৫টিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর থেকে পুরো গ্রামটি বিরান ভুমিতে পরিনত হয়েছে। এদিকে ২৩ জানুয়ারী থানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর মধ্য থেকে শাহেনা বেগম বাদী হয়ে দখলবাজ চেয়ারম্যান নাজেমুল ইসলাম চৌধুরীসহ ১১জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছে। ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও থানা কোন মামলা হয়নি। এছাড়া উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোকে কোন সহায়তা দেয়া হয়নি। হারবাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মোঃ বাবর জানিয়েছেন, এ ইউনিয়নের উত্তর হারবাংস্থ ৯নং ওয়ার্ডের ওই এলাকাটি চট্্রগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের হারবাং বন বিটের সংরক্ষিত বন ভুমি। বন বিভাগ এই ভুমিতে এক সময় সেগুন বাগান করেছিল। দীর্ঘ কয়েক যুগ আগে বিভিন্ন এলাকার ভুমিহীন লোকজন এখানে বসতবাড়ি নির্মান করে বসকাস করে আসছে। অপর একটি সূত্র দাবী করেছে, এলাকাটি লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চাম্বি মৌজার সাথে লাগুয়া হওয়ায় জমির মালিকানা নিয়ে চকরিয়া ও লামা উপজেলার মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আজিজ নগর ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তিনি রাবার প্ল্লট করার জন্য ২৫ একর জমি তার নামে লীজ রয়েছে। এসব জমিতে অবৈধভাবে জবর দখলে চলে যাওয়ায় সে বান্দরবান যুগ্ন জেলা আদালতে মামলা করলে তার পক্ষে রায় হয়। রায় মোতাবেক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আদালতের সেরেস্তাদারসহ পুলিশের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
অপর দিকে আজিজ নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ উল্ল্লাহ আযম খান দাবী করেছেন উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো এলাকাটি চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের। মুলতঃ বর্তমান চেয়ারম্যান নাজেমুল ইসলামের রাবার প্ল্লটের জমি ঘটনাস্থল থেকে অনেক পূর্বে এবং লামা উপজেলার সীমানার ভিতরে রয়েছে। এদিকে তান্ডবের শিকার অর্ধশতাধিক পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধমহিলা ৩'শতাধিক নারী-পুরুষের করুণ আর্তনাধে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারের চকরিয়া ও বান্দরবানের লামা উপজেলার সীমানা চিহ্নিত না হলে ভুমি দখলে এ প্রতিযোগীতা কোন দিন বন্ধ হবেনা। এ সব ভুমি গ্রাসীদের কু-দৃষ্টির বলির পাঠায় পরিনত হয়েছে ভুমিহীন পরিবারগুলো
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কোরবানিয়া ঘোনায় গুড়িয়ে দেয়া অর্ধশতাধিক পরিবারের শতশত নারী পুরুষ চকরিয়া ও লামা উপজেলার সীমানা নির্ধারন এবং আজিজ নগর উইনিযনের চেয়ারম্যান পাড়ার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে জানমাল ও বাড়িঘর রক্ষার জন্য
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বারক লিপি দিয়েছে ক্ষতি গ্রস্থ পরিবারের লোকজন। যে কোন মুহুর্তে আজিজ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চেীধুরীর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে আতংকিত দরিদ্র পরিবার গুলো খোলা আকাশের নীচে মাঘের তীব্র শীতে মানবেতর জীবন-যাপন অতিবাহিত করছে।
অভিযোগে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জের অধীন হারবাং ইউনিয়নের হারবাং বন বিটের অধীন বন ভুমিতে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বসবাসরত করে আসছে ভূমিহীন প্রায় অর্ধশতাধিক দরিদ্র পরিবার। কিন্তু পাশ্ববর্তী বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চৌধুরী ওই জমি চাম্বি মৌজার অংশ হিসেবে দাবী করে রাবার প্লটের জন্য লীজ নিয়েছে। আজিজ নগর ইউপি'র চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা নাজেমুল ইসলাম আদালতের নির্দেশক্রমে প্রশাসনের সহায়তায় কয়েক'শ শ্রমিক নিয়োগ করে গত ২২জানুয়ারী প্রায় অর্ধ শতাধিক বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেয় এবং ৫টিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর থেকে পুরো গ্রামটি বিরান ভুমিতে পরিনত হয়েছে। এদিকে ২৩ জানুয়ারী থানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর মধ্য থেকে শাহেনা বেগম বাদী হয়ে দখলবাজ চেয়ারম্যান নাজেমুল ইসলাম চৌধুরীসহ ১১জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছে। ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও থানা কোন মামলা হয়নি। এছাড়া উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোকে কোন সহায়তা দেয়া হয়নি। হারবাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মোঃ বাবর জানিয়েছেন, এ ইউনিয়নের উত্তর হারবাংস্থ ৯নং ওয়ার্ডের ওই এলাকাটি চট্্রগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের হারবাং বন বিটের সংরক্ষিত বন ভুমি। বন বিভাগ এই ভুমিতে এক সময় সেগুন বাগান করেছিল। দীর্ঘ কয়েক যুগ আগে বিভিন্ন এলাকার ভুমিহীন লোকজন এখানে বসতবাড়ি নির্মান করে বসকাস করে আসছে। অপর একটি সূত্র দাবী করেছে, এলাকাটি লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চাম্বি মৌজার সাথে লাগুয়া হওয়ায় জমির মালিকানা নিয়ে চকরিয়া ও লামা উপজেলার মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আজিজ নগর ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তিনি রাবার প্ল্লট করার জন্য ২৫ একর জমি তার নামে লীজ রয়েছে। এসব জমিতে অবৈধভাবে জবর দখলে চলে যাওয়ায় সে বান্দরবান যুগ্ন জেলা আদালতে মামলা করলে তার পক্ষে রায় হয়। রায় মোতাবেক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আদালতের সেরেস্তাদারসহ পুলিশের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
অপর দিকে আজিজ নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ উল্ল্লাহ আযম খান দাবী করেছেন উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো এলাকাটি চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের। মুলতঃ বর্তমান চেয়ারম্যান নাজেমুল ইসলামের রাবার প্ল্লটের জমি ঘটনাস্থল থেকে অনেক পূর্বে এবং লামা উপজেলার সীমানার ভিতরে রয়েছে। এদিকে তান্ডবের শিকার অর্ধশতাধিক পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধমহিলা ৩'শতাধিক নারী-পুরুষের করুণ আর্তনাধে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারের চকরিয়া ও বান্দরবানের লামা উপজেলার সীমানা চিহ্নিত না হলে ভুমি দখলে এ প্রতিযোগীতা কোন দিন বন্ধ হবেনা। এ সব ভুমি গ্রাসীদের কু-দৃষ্টির বলির পাঠায় পরিনত হয়েছে ভুমিহীন পরিবারগুলো

0 Comments