রামু প্রতিনিধি
রামু চাঞ্চল্যকর ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান নায়ক শাহাজাহান গ্রেফতার \\ অন্যান্য আসামীরা বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকিতে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। রামু জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের নুনাছড়ি গ্রামের মৃত শাহ আলমের মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে একই এলাকার সন্ত্রাসী
বখাটেরা অপহরন করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরেই রামু থানার পুলিশ কতর্ৃক অপহৃতাকে উদ্ধার ও মামলা দায়ের করা হয়। গত ২৩ জানুয়ারী এঘটনার প্রধান নায়ক শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এর পর থেকে অপহরনকারীরা বাদীর আত্মীয় স্বজনকে অপহরন গুম ও হত্যা করার জন্য বারবার হুমকি ধমকি দিয়ে গুটা পরিবারকে জিম্মি করে রেখেছে। এই নিয়ে বাদীর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। অন্যদিকে অপহরণকারীরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ঐ এলাকার প্রভাবশালী ও সৌদি প্রবাসীর আত্মীয় স্বজন হওয়ায় মোটা অংকের দিয়ে প্রশাসনকে বস করে অপহরণ মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য এক বিতর্কিত মহিলা মেম্বার ও কিছু চিহ্নিত অপরাধী টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। একারণে পুলিশ মামলার আসামি আবুল কালাম, পিতা- হাজী কবির আহমেদ, শফি আলম, পিতা- আব্দুর রহমান প্রকাশ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ আলম, পিতা- ছৈয়দ হোসন, শামশুল আলম, পিতা- কবির আহাম্মদ, আবু সৈয়দ পিতা- নাজির হোসন, শফিক পিতা- ফকির মোহাম্মদসহ আরো অজ্ঞাত ১০/১৫ জন এখনও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকায় ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে রামু থানার সেকেন্ড অফিসার কবির আহাম্মদ বলেছেন অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করা হবে।
রামু চাঞ্চল্যকর ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান নায়ক শাহাজাহান গ্রেফতার \\ অন্যান্য আসামীরা বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকিতে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। রামু জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের নুনাছড়ি গ্রামের মৃত শাহ আলমের মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে একই এলাকার সন্ত্রাসী
বখাটেরা অপহরন করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরেই রামু থানার পুলিশ কতর্ৃক অপহৃতাকে উদ্ধার ও মামলা দায়ের করা হয়। গত ২৩ জানুয়ারী এঘটনার প্রধান নায়ক শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এর পর থেকে অপহরনকারীরা বাদীর আত্মীয় স্বজনকে অপহরন গুম ও হত্যা করার জন্য বারবার হুমকি ধমকি দিয়ে গুটা পরিবারকে জিম্মি করে রেখেছে। এই নিয়ে বাদীর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। অন্যদিকে অপহরণকারীরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ঐ এলাকার প্রভাবশালী ও সৌদি প্রবাসীর আত্মীয় স্বজন হওয়ায় মোটা অংকের দিয়ে প্রশাসনকে বস করে অপহরণ মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য এক বিতর্কিত মহিলা মেম্বার ও কিছু চিহ্নিত অপরাধী টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। একারণে পুলিশ মামলার আসামি আবুল কালাম, পিতা- হাজী কবির আহমেদ, শফি আলম, পিতা- আব্দুর রহমান প্রকাশ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ আলম, পিতা- ছৈয়দ হোসন, শামশুল আলম, পিতা- কবির আহাম্মদ, আবু সৈয়দ পিতা- নাজির হোসন, শফিক পিতা- ফকির মোহাম্মদসহ আরো অজ্ঞাত ১০/১৫ জন এখনও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকায় ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে রামু থানার সেকেন্ড অফিসার কবির আহাম্মদ বলেছেন অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করা হবে।

0 Comments