Advertisement

ইনানী পত্রিকার অপসাংবাদিকতা ও জালিয়াত রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারবাণী সম্পাদকের বিরম্নদ্ধে সংৰুব্ধ এক ব্যক্তির দায়েরকৃত মানহানি মামলাকে জালিয়তি মামলা বলে সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক ইনানী নিজেদের পেশাগত অদৰতা ফুটিয়ে তুলেছে। শুধু তাই নয়, সংক্ষুব্দ শাকিল নামের উক্ত ব্যক্তি আদালতে দায়েরকৃত এজাহারে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় না

দিলেও অতি উৎসাহি দৈনিক ইনানী উক্ত শাকিলকে সাংবাদিক বানিয়ে সংবাদ ছাপানোর পাশাপাশি অপ্রাসংগিকভাবে কক্সবাজারবাণী সম্পাদকের ছবি সংযুক্ত করে পুরাতন কিছু কিচ্ছা কাহিনী ছাপিয়েছে। অথচ উক্ত সংবাদের ছবি ছাপানোর প্রয়োজন থাকলে ছাপাতে হতো ৮ জনের। এছাড়া তদনত্দাধিন একটি মামলার সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে ইনানী কতর্ৃপৰ উদ্দেশ্যমূলক অপ্রসাংগিক কিছু তথ্য উপস্থাপন করে কক্সবাজারের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা জগতে গতকাল যে কলংকজনক দৃষ্টতা দেখিয়েছে তাতেই হতবাক হয়েছেন জেলায় কর্মরত অগনিত প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদপত্র পাঠক।
গতকাল সংশিস্নষ্ট বিষয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে এ প্রতিবেদককে বিভিন্ন সংবাদপত্র পাঠকরা জানিয়েছেন, উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করে কতিপয় সাংবাদিকেরা শুধু কক্সবাজার নয় পুরো বাংলাদেশের সাংবাদিকতা পেশাকে কলংকিত করে তুলেছে। তাই সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা এসব সংবাদপত্র ও সংশিস্নষ্ট সাংবাদিক পরিচয়ীদের চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে বর্জন না করলে কক্সবাজারে কোন অবস্থাতেই সৃষ্টি হবেন না প্রকৃত সাংবাদিক। শুধু সাংবাদিক পরিচয়ী কুসাংবাদিক যন্ত্রণায় অতিষ্ট থাকবে জেলাবাসী।
যে কারণে সংবাদটি ছাপানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে: সামপ্রতিক সময়ে পাঠক প্রিয় দৈনিক কক্সবাজারবাণীর খেলোয়াড়দের কাছে মিডিয়া কাপ ফুটবলে দৈনিক ইনানী পরাজিত হয়। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের একজন পুরো কক্সবাজারের সাংবাদিকদের ১৪ গোষ্টিকে গাল মন্দ করে ৰানত্দ হননি রাসত্দায় কক্সবাজারবাণী সম্পাদকের উপর ছিনতাইয়ের মত ঘটনা ঘটান। ফলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কক্সবাজারবাণী সম্পাদক থানায় মামলা দায়ের করলে ইনানী পত্রিকার নির্বাহি সম্পাদক পরিচয়ী সাইদ মোহাম্মদ আনোয়ার কক্সবাজারবাণী সম্পাদকের বিরম্নদ্ধে থানায় জনৈক কর্মচারীকে দিয়ে কাউন্টার হিসেবে একটি মিথ্যা মামলার ব্যবস্থা করে। এঘটনার রেশ ধরে কক্সবাজারবাণীতে ইনানীর নির্বাহি সম্পাদক সাইদ মোহাম্মদ আনোয়ারের সার্টিফিকেট জালিয়াতিসহ ঘটনার বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ পায়। এরকম পরিস্থিতিতে জেলায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিকরা সংবাদপত্র সাংবাদিকতার মান রৰার্থে উভয়পৰের মধ্যে সম্মানজনক সমাধান রচনা করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সমাধানের কয়েকদিন যেতে না যেতেই ইনানীর নির্বাহি সম্পাদকের সার্টিফিকেট ক্যালেঙ্কারি সম্পর্কে কক্সবাজারবাণীতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিশোধ নেয়ার জন্যই ওই পত্রিকার পৰ থেকে একটি মানহানি মামলার ঘটনাকে (অর্থাৎ তিলকে তাল বানানোর মত করে) জালিয়াতি মামলা বলে প্রকাশ করে কক্সবাজারবাণী সম্পাদককে মানহানি করে। তাই কক্সবাজারবাণীর অগণিত পাঠকদের কাছে এই নোংরামির বিচার ও বিভ্রানত্দি এড়াতে এই ঘটনায় জড়িত ইনানী পত্রিকার জনৈক আনোয়ারের সার্টিফিকে ক্যালেঙ্কারির সেই ডকুমেন্টটি প্রকাশ করা হল। কারণ কক্সবাজারবাণী কখনো উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেনা। বলে সবার কথা। উলেস্নখ্য, এই সংবাদটি স্থানীয় আপর একটি দৈনিকে বিজ্ঞাপনের মত প্রকাশিত করলেও এক প্রশ্নের জবাবে ওই পত্রিকার মালিকপৰ দু:খ প্রকাশ করে তা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রম্নতি দেওয়ায় আপাতত তাদের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা সম্পর্কে কিছু বলা হলনা।সংবাদ প্রেরক: ফরিদুল মোসত্দফা খান, সম্পাদক, দৈনিক কক্সবাজারবাণী। এ বিষয়ে এই ওয়েবসাইট কোন মতে সংশিস্নষ্ট নয়।-সম্পাদক।

Post a Comment

0 Comments