ঢাকা অফিস
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের দাবিতে ফেব্রম্নয়ারিতে ঢাকা ঘেরাও এবং পরবর্তীতে সার দেশে হরতালের মতো কর্মসূচি ঘোষণা দিতে পারেন বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চট্টগ্রাম থেকে তিনি সরকার পতনের আন্দোলনেরও ঘোষণা দিতে পারেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী
একাধিক সূত্র জানিয়েছে_ চট্টগ্রাম শহরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠেয় আজকের জনসভায় এমন ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রমতে_ আগামী ১২ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে বিএনপি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগের পর বিএনপি কঠোর কর্মসূচি নেবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনকে চূড়ানত্দ রূপ দিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চ গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়। ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই রোডমার্চে চার হাজার গাড়ি অংশ নিয়েছে বলে দলটি দাবি করেছে। এছাড়া পথে আরো ২ হাজার গাড়ি যুক্ত হয়। গাড়িবহরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও চারদলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারাও অংশ নেন। যাত্রাপথে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিলস্না ও ফেনী হয়ে চট্টগ্রাম পর্যনত্দ বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুই পাশে ও সড়কদ্বীপে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি বসানোর পাশাপাশি অসংখ্য তোরণ নির্মাণ করা হয়।
রোডমার্চের গাড়িবহর গতরাতে চট্টগ্রাম পৌঁছে। আজ সোমবার বিকালে শহরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভার মধ্য দিয়ে শেষ হবে কর্মসূচি। এদিকে গতকাল রোববার ফেনীর জনসভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, চট্টগ্রামের জনসভা থেকে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের পর সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি এখন চট্টগ্রামের দিকে। চট্টগ্রাম হচ্ছে আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার। অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ৰমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো চট্টগ্রাম থেকেই তাদের চূড়ানত্দ আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করে। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা আবদুলস্নাহ আল নোমান বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম থেকে সবৰেত্রে ব্যর্থ ৰমতাসীন মহাজোট পতনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। খালেদা জিয়া ঢাকা ঘেরাওসহ সারা দেশে হরতালেরও ডাক দিতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
চলতি মাসে এ ধরনের কোনো কর্মসূচি থাকার সম্ভাবনা নেই বলে বিএনপির নির্ভরশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বিএনপি সরকারকে আরো কিছুটা সময় দিতে চায়। রাষ্ট্রপতি যদি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহালের উদ্যোগ নেন তাহলে হরতাল, ঘেরাও কোনো কর্মসূচি থাকবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, আমাদের যদি বাধ্য করা না হয় আমরা হরতাল কিংবা কঠোর কোনো কর্মসূচিতে আপাতত যাবো না। তবে চট্টগ্রামের জনসভা থেকে বিকালে খালেদা জিয়া এ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন।
এদিকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চের পথসভায় গতকাল খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জানে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের ভরাডুবি হবে। সেজন্য দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায়; কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। চারদলীয় জোটের রোডমার্চ কর্মসূচিতে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফেনীতে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ৩টায় কুমিলস্নার চান্দিনার পথসভায় খালেদা জিয়া বলেন, নিজেদের সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচন করলে মসত্দ বড় ভুল করবে। এ নির্বাচনে কোনো দল অংশ নেবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে সরকার ভাঁওতাবাজি করছে। কমিশন গঠন আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের প্রধান দাবি হলো_ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করা।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের দাবিতে ফেব্রম্নয়ারিতে ঢাকা ঘেরাও এবং পরবর্তীতে সার দেশে হরতালের মতো কর্মসূচি ঘোষণা দিতে পারেন বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চট্টগ্রাম থেকে তিনি সরকার পতনের আন্দোলনেরও ঘোষণা দিতে পারেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী
একাধিক সূত্র জানিয়েছে_ চট্টগ্রাম শহরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠেয় আজকের জনসভায় এমন ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রমতে_ আগামী ১২ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে বিএনপি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগের পর বিএনপি কঠোর কর্মসূচি নেবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনকে চূড়ানত্দ রূপ দিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চ গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়। ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই রোডমার্চে চার হাজার গাড়ি অংশ নিয়েছে বলে দলটি দাবি করেছে। এছাড়া পথে আরো ২ হাজার গাড়ি যুক্ত হয়। গাড়িবহরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও চারদলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারাও অংশ নেন। যাত্রাপথে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিলস্না ও ফেনী হয়ে চট্টগ্রাম পর্যনত্দ বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুই পাশে ও সড়কদ্বীপে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি বসানোর পাশাপাশি অসংখ্য তোরণ নির্মাণ করা হয়।
রোডমার্চের গাড়িবহর গতরাতে চট্টগ্রাম পৌঁছে। আজ সোমবার বিকালে শহরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভার মধ্য দিয়ে শেষ হবে কর্মসূচি। এদিকে গতকাল রোববার ফেনীর জনসভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, চট্টগ্রামের জনসভা থেকে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের পর সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি এখন চট্টগ্রামের দিকে। চট্টগ্রাম হচ্ছে আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার। অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ৰমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো চট্টগ্রাম থেকেই তাদের চূড়ানত্দ আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করে। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা আবদুলস্নাহ আল নোমান বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম থেকে সবৰেত্রে ব্যর্থ ৰমতাসীন মহাজোট পতনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। খালেদা জিয়া ঢাকা ঘেরাওসহ সারা দেশে হরতালেরও ডাক দিতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
চলতি মাসে এ ধরনের কোনো কর্মসূচি থাকার সম্ভাবনা নেই বলে বিএনপির নির্ভরশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বিএনপি সরকারকে আরো কিছুটা সময় দিতে চায়। রাষ্ট্রপতি যদি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহালের উদ্যোগ নেন তাহলে হরতাল, ঘেরাও কোনো কর্মসূচি থাকবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, আমাদের যদি বাধ্য করা না হয় আমরা হরতাল কিংবা কঠোর কোনো কর্মসূচিতে আপাতত যাবো না। তবে চট্টগ্রামের জনসভা থেকে বিকালে খালেদা জিয়া এ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন।
এদিকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোডমার্চের পথসভায় গতকাল খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জানে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের ভরাডুবি হবে। সেজন্য দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায়; কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। চারদলীয় জোটের রোডমার্চ কর্মসূচিতে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফেনীতে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ৩টায় কুমিলস্নার চান্দিনার পথসভায় খালেদা জিয়া বলেন, নিজেদের সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচন করলে মসত্দ বড় ভুল করবে। এ নির্বাচনে কোনো দল অংশ নেবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে সরকার ভাঁওতাবাজি করছে। কমিশন গঠন আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের প্রধান দাবি হলো_ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করা।

0 Comments