স্টাফ রিপোটর্ার
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সদরের ডাকবাংলো সড়কের পাশেই এবার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মুরগীর খামার (পোল্ট্রি খামার) গড়ে তুলে এলাকার পরিবেশ মারাত্নকভাবে বিষিয়ে তুলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে পেকুয়া সদরের অবস্থিত ওই ডাকবাংলো সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী স্কুল/কলেজ
ও সাধারন মানুষদের পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধে পরিবেশ মারাত্নক হুমকির মূখে পড়েছে। এ ব্যাপারে ওই পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকতর্ার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাজি মার্কেট এলাকার জনৈক সামশুল আলমের পুত্র মনিরুল ইসলাম (৪০) বিগত চার বছর পূর্বে পেকুয়া ডাকবাংলো সড়কের পাশে কিছু জমি ক্রয় করেন। আর তার ক্রয় করা জমিতে ৫/৬ মাস পূর্বে বিশাল আয়তনে কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্ম তৈরী করেন। প্রথমে স্থানীয়রা এতে বাধা দিলে ওই প্রভাবশালী পরিবেশ বিনষ্টকারী মনিরুল ইসলাম তাদের নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দায়েরের হুমকি দেয়। গতকাল ১৩ জানুয়ারী শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে পরিদর্শন ওই এলাকায় দেখা গেছে,উপজেলা সদরের ডাকবাংলো ও পেকুয়া থানার মাঝখান দিয়ে যাওয়া সড়কের মধ্যবতর্ীস্থানে ওই প্রভাবশালী মনিরুল ইসলামের তৈরী করা কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী স্কুল ছাত্রী শারমিনা জান্নাত ও মোশারফা বেগম অভিযোগ করেছেন,প্রতিদিন আমরা এ সড়ক দিয়ে সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় ওই ফার্ম থেকে মারাত্নক অসহ্য দূর্গন্ধ ছড়ায়। তখন নাক ও মুখ ছেপে ধরে স্কুলে আসা যাওয়া করতে আমাদের দারুণ কষ্ট হয়। তাই অমরা মাণনীয় ইউএনও মহোদয়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই প্রভাবশালীর পরিবেশ বিনষ্টকারী পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধ করা দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ওই পোল্ট্রি ফার্মের মালিক মো: মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধ ছড়ালে আপনাদের সমস্যা কি বলে উল্টো প্রশ্ন করেন। আর তিনি এ ফার্মের ব্যাপারে সাংবাদিকদের যা ইচ্ছা তা পত্রিকায় লিখে দেওয়ার জন্য ধমকের সাথে পরামর্শ দেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ অবৈধ পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে গতকাল শুক্রবার পেকুয়া ইউএনও নুর-ই-খাজা আলামীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সরেজমিনে গিয়ে ওই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পোল্ট্রি খামার বন্ধ করে দেওয়া হবে।ভালবাসায় পূর্ণ করে দিতে পারি তাতেই আমার পূর্ণতা। -সম্পাদক।
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সদরের ডাকবাংলো সড়কের পাশেই এবার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মুরগীর খামার (পোল্ট্রি খামার) গড়ে তুলে এলাকার পরিবেশ মারাত্নকভাবে বিষিয়ে তুলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে পেকুয়া সদরের অবস্থিত ওই ডাকবাংলো সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী স্কুল/কলেজ
ও সাধারন মানুষদের পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধে পরিবেশ মারাত্নক হুমকির মূখে পড়েছে। এ ব্যাপারে ওই পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকতর্ার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাজি মার্কেট এলাকার জনৈক সামশুল আলমের পুত্র মনিরুল ইসলাম (৪০) বিগত চার বছর পূর্বে পেকুয়া ডাকবাংলো সড়কের পাশে কিছু জমি ক্রয় করেন। আর তার ক্রয় করা জমিতে ৫/৬ মাস পূর্বে বিশাল আয়তনে কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্ম তৈরী করেন। প্রথমে স্থানীয়রা এতে বাধা দিলে ওই প্রভাবশালী পরিবেশ বিনষ্টকারী মনিরুল ইসলাম তাদের নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দায়েরের হুমকি দেয়। গতকাল ১৩ জানুয়ারী শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে পরিদর্শন ওই এলাকায় দেখা গেছে,উপজেলা সদরের ডাকবাংলো ও পেকুয়া থানার মাঝখান দিয়ে যাওয়া সড়কের মধ্যবতর্ীস্থানে ওই প্রভাবশালী মনিরুল ইসলামের তৈরী করা কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী স্কুল ছাত্রী শারমিনা জান্নাত ও মোশারফা বেগম অভিযোগ করেছেন,প্রতিদিন আমরা এ সড়ক দিয়ে সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় ওই ফার্ম থেকে মারাত্নক অসহ্য দূর্গন্ধ ছড়ায়। তখন নাক ও মুখ ছেপে ধরে স্কুলে আসা যাওয়া করতে আমাদের দারুণ কষ্ট হয়। তাই অমরা মাণনীয় ইউএনও মহোদয়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই প্রভাবশালীর পরিবেশ বিনষ্টকারী পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধ করা দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ওই পোল্ট্রি ফার্মের মালিক মো: মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,পোল্ট্রি ফার্মের দূর্গন্ধ ছড়ালে আপনাদের সমস্যা কি বলে উল্টো প্রশ্ন করেন। আর তিনি এ ফার্মের ব্যাপারে সাংবাদিকদের যা ইচ্ছা তা পত্রিকায় লিখে দেওয়ার জন্য ধমকের সাথে পরামর্শ দেন। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ অবৈধ পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে গতকাল শুক্রবার পেকুয়া ইউএনও নুর-ই-খাজা আলামীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সরেজমিনে গিয়ে ওই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পোল্ট্রি খামার বন্ধ করে দেওয়া হবে।ভালবাসায় পূর্ণ করে দিতে পারি তাতেই আমার পূর্ণতা। -সম্পাদক।


0 Comments