Advertisement

জালিয়াতি করে জমি বিক্রির প্রতারণা ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ


ইনানী মরিচ্যা ও হলদিয়াপালংয়ের ৬ প্রতারকের বিরম্নদ্ধে মামলা 
নিজস্ব প্রতিবেদক 
বিক্রিত জমির নিষ্কণ্ঠক দাবি করে আরেকজনকে বিক্রি করে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং এলাকার ৬ প্রতারকের বিরম্নদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় এর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন একই উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের জমিদার পাড়া এলাকার হাজী আজিজুর রহমানের পুত্র জামাল উদ্দিন খান। এতে আসামি করা হয়েছে মৃত মফজল এর ২য় পুত্র সালেহ আহমেদ, জামাল হোসেন, মতিউর রহমানের পুত্র শফিউলস্নাহ, সালেহ আহমদের স্ত্রী আয়েশা বেগম, ছেলে আহমহদ হোসেন ও বশির আহমদ সিকদারের পুত্র মফিজ উদ্দিন। 
আদালতে দায়েরকৃত মামলায় বাদির অভিযোগ হচ্ছে উলেস্নখিত আসামিরা প্রতারক, বিশ্বাস ভঙ্গকারী জালিয়াতকারি এবং ষড়যন্ত্রকারী। বাদি স্থানীয় বেহীল হোটেল রিসোর্ট পান্থপাথ কাওরানা বাাজর ঢাকা এর উখিয়া উপজেলার জমি দেখা শুনার কার্যকারক। তপশীলোক্ত জমি ক্রয়ের জন্য বেহীল এন্ড হোটেল রিসোর্ট এর কাছে প্রসত্দাব করলে ৩নং আসামি জানান যে, উক্ত জমি নিস্কণ্ঠক এবং দায়মুক্ত ও নির্ভেজাল সেই মতে অধীন বেহীল হোটেল এন্ড রিসোর্ট কতর্ৃপৰকে উক্ত জমি ক্রয়ের জন্য বলিলে তারা উক্ত জমি ক্রয় সম্মত হয়, সেই মতে ঘটনার দিন ১২/১২/২০১১ইং তারিখে উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বেলা ১১টার সময় ১নং আসামি ৩নং আসামির সনাক্ত মতে অপরাপর আসামিদের লিখিত ও মৌখিক স্বাৰী মতে এবং অধীন স্বাৰী হিসাবে বেহীল হোটেল এন্ড রিসোর্ট এর পৰে ১নং স্বাৰী উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নং- ৩২০৭ মুলে ৮০ শতক জমি ৬০ লাখ টাকা মুলে রেজিস্ট্রি গ্রহণ করেন। রেজিস্ট্রি নেওয়ার পর অধীন কার্যকর হিসাবে দলিলের নকল কপি উত্তোলনের পর নাম জারি করতে গেলে দেখতে পায় যে, ১নং আসামি বিভিন্ন দলিল মুলে জমি বিক্রি করে সর্বশেষ জমি ১নং আসামি গত ১৯/১০/২০১০ইং তারিখে ৪নং আসামিকে উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ২৭৫২ নং দলিলমুলে হেবা করে দিয়েছেন। ১নং স্বাৰীকে দেওয়া দলিলে ৩নং আসামি সনাক্তকারী অনুরূপভাবে ১নং আসামি কতর্ৃক ৪নং আসামিকে প্রদত্ত দলিলে ও সে সনাক্তকারী। অন্যদিকে ২ ও ৫নং আসামি, অধীনকে প্রদত্ত জমিনের দলিলের অন্রতম মধ্যস্থতাকারী । ২ ও ৫নং আসামি জানা সত্ত্বেও ১নং আসামিকে দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১নং স্বাৰীকে (বেহীল হোটেল এন্ড রিসোর্ট কতর্ৃপৰকে) জাল জালিয়াতের মাধ্যমে তপশীলোক্ত জমি রেজিস্ট্রি দিয়েছে। আসামিগণ চরম শঠ ও প্রতারক। আসামিগণ তপশীলোক্ত জমি আগে রেজিস্ট্রি দিয়ে নিঃস্বত্ববান হওয়া সত্ত্বেও উক্ত যাবতীয় তথ্য গোপন করে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে তপশীলোক্ত জমি বিক্রি করেছেন। আসামীগণ ইতিমধ্যে অধীনের মাধ্যমে গৃহীত বেহীল হোটেল এন্ড রিসোর্টের ৬০,০০,০০০/- (ষাট লৰ) টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আসামীগণ প্রতারণা, বিশ্বাস-ভঙ্গ, জালিয়াতি এবং জাল জানা সত্ত্বেও তা আসল হিসাবে ব্যবহার করে জঘন্য অপরাধ করে অধীনকে নিঃস্ব করেছে, অধীনের ঘটনার স্বাৰী আছে, তারা বিজ্ঞ আদালতে মামলা প্রমাণ করিবেন। দলিলের নকল কপি উত্তোলন পূর্বক নামজারি খতিয়ান করতে গিয়ে বিসত্দারিত জেনে এবং স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টায় মামলা দায়েরে সামান্য বিলম্ব হইল। 
তপশীল ঃ 
মৌজা- জেএল নং- ০২, ইউপি নং- ০১নং, জালিয়াপালং, উপজেলা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার, অধীনে আরএস ২২৪নং ও ৯০১নং খতিয়ানের, আরএস জরিপের ৫৫৮৫, ৫৫৯৭, ৫৬০২, ৫৬০৩, ৫৬০৬, ৫৬০৭, ৫৬০৮, ৫৬০৯, ৫৬১০, ৫৬১১, ৫৬১২, ৫৬১৩, ৫৬২৫, ৫৬২৬, ৫৬২৭, ৫৬২৮, ৫৬৩৯, ৫৬৪০, ৫৬৪৩, ৫৬৪৫, ৫৬৫১, ৫৬১৬, ৫৬২৪, ৫৬২৯, ৫৬৩০, ৫৬৩১, ৫৬৩২, ৫৬৩৩, ৫৬৩৭, ৫৬৪২, ৫৬৪৫, ৫৬৪৬, ৫৬৪৭, ৫৬৫৬, ৫৬৫৭, ৫৬৫৮, ৫৬৫৯, ৫৬৬০, ৫৬৬১, ৫৬৬৪, ৫৬৪১ দাগাদির আন্দরে তুলনামুলক বিএস ১৬৩৯, ১৬৪১, ১৫৩নং ১০১৫, ১৫২নং খতিয়ানের বিএস জরিপের ৮৭০৬, ৮৭০৭, ৮৭১০, ৮৭৩০, ৮৭৩১, ৮৭৩২, ৮৭৪২, ৮৭৪৮, ৮৭৬৩, ৮৭৬৪, ৮৭৬৫, ৮০৩৪, ৮৭৬৯, ৮৭৮১, ৮৭৮৮, ৮৭৮৯, ৮৭৯৩, ৮০২৩, ৮০২১, ৮৭৮৭, ৭৮১২, ৮০৩৩, ৮৭৪৭, ৮৭৮৯, ৮৭৯০, ৮৭৯২, ৮৭০২, ৮৭০৪ দাগাদির আন্দরে আপোষ মতে বিএস ৮৭০৪, ৮৭১০, ৮৭৩১, ৮৭৪২, ৮৭৮১, ৮৭৪৭, ৮৭৩২, ৮৭৬৩, ৮৭৬৪, ৮৭৬৫ দাগাদির আন্দরে ০.৮০ শতক জমি।

Post a Comment

0 Comments