Advertisement

হাটহাজারীতে মোবাইল প্রেমের কারণে প্রেমিক যুগল থানায়


মোহাম্মদ হোসেন হাটহাজারী:
“প্রেম মানে না জাত-কূল” যুগে যুগে প্রমানিত এ সত্য আবার নতুন করে প্রমান করে দিল হাটহাজারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন সুলতানা (১৬)।
প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, সম্প্রতি হাটহাজারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন সুলতানা অপরিণত বয়সে প্রেমের এ মহান মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ধন্যঢ্য বাবার ঘর ছেড়ে একাকী পাড়ি জমান প্রেমিক ফারুক হোসেনের (২৪) বাড়ীতে।
শারমিন সুলতানা হাটহাজারী সদরের ফটিকা গ্রামের (কামাল পাড়া) নিবাসী ধনাঢ্য আব্দুস সালামের কণ্যা। হাটহাজারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন সুলতানা এ্যানি (১৬) প্রেমের টানে তার আভিজাত্য ভুলে নিম্নবিত্ত প্রেমিকের নিকট চাঁদপুরে পাড়ি জমায়। কিন্তু প্রেমের পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হবেন কী না? তাই এখন দেখার বিষয়। 
উল্লেখ্য যে ধনীর দুলালী এ্যানির সঙ্গেঁ মোবাইলে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার পশ্চিমে আলুমিয়া গ্রামের মনির হোসেনের পুত্র ফারুক হোসেনের (২৪)  সঙ্গেঁ দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ সম্পর্কের টানে গত দেড় মাস পুর্বে প্রেমিকা শারমিন সুলতানা একাকী পাড়ি জমান প্রেমিক ফারুক হোসেনের বাড়ীতে। গত ১৬ ডিসেম্বর  এ্যানির বাবা হাটহাজারী মডেল থানায় অপহরণ মামলা (মামলা নং-১৩) দায়ের করলে থানার এস. আই শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল ফোর্স মোবাইল ফোনের  সূত্র ধরে ফারুকের নিজ বাড়ী থেকে ১৯ ডিসেম্বর এ্যানিকে উদ্ধার করে এবং ফারুক কে গ্রেফতার করে হাটহাজারী মডেল থানায় নিয়ে আসেন। 
পুলিশের জিঞ্জাসাবাদে ফারুক এ্যানিকে বিয়ে করার কথা স্বীকার করলেও কোন প্রকার কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। অন্য দিকে এ্যানি প্রেমিক-স্বামী ফারুককে নাকি বাবা-মাকে বেছে নেবেন সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ্যানি ও ফারুক কে আদালতে সোর্পদ করার প্রস্তুতি চলছিল।

Post a Comment

0 Comments