কক্সবাজার: সেন্টমার্টিন দ্বীপের সব অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদ করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। একইসঙ্গে সেন্টমার্টিন্সে ভ্রমণকারী পর্যটকদের কাছ থেকে ইকো-ট্যাক্স চালুর প্রক্রিয়া শুরুরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।রোববার কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন্স পরিদর্শন শেষে তিনি এ নির্দেশ দেন।
সেন্টমার্টিন্সে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো পরিবেশের জন্য হুমকি উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে কোনো মূল্যে সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হবে। এর আশপাশে যতো অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করতে হবে।পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য সেন্টমার্টিন্সে পর্যটকের উপস্থিতি কমাতে হবে। এজন্য ভ্রমণকারী পর্যটকের কাছ থেকে ইকো-ট্যাক্স আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. জাফর আলম, কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (উত্তর) আবদুল খালেক, কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) বিপুল কৃষ্ণ দাশ, কক্সবাজারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল আশ্রাফ প্রমুখ।
সেন্টমার্টিন্সে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো পরিবেশের জন্য হুমকি উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে কোনো মূল্যে সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হবে। এর আশপাশে যতো অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করতে হবে।পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য সেন্টমার্টিন্সে পর্যটকের উপস্থিতি কমাতে হবে। এজন্য ভ্রমণকারী পর্যটকের কাছ থেকে ইকো-ট্যাক্স আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. জাফর আলম, কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (উত্তর) আবদুল খালেক, কক্সবাজার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) বিপুল কৃষ্ণ দাশ, কক্সবাজারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল আশ্রাফ প্রমুখ।


0 Comments