মোবারক উদ্দিন নয়ন
কয়েকদিনের টানা শৈত্য প্রবাহের প্রভাবে শিশুদের নিউমোনিয়া শ্বাসকষ্ঠ ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এসময় নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রানত্দদের মধ্যে নবজাতক থেকে শুরম্ন করে পাঁচ বছরের নিচের বয়সের শিশু প্রায় ৭০ শতাংশ। তাই নবজাতক ও শিশুদের
দিকেই বেশী নজর রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। এব্যাপারে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাইফুল ইসলাম জানান, নবজাতকদের এসব রোগ থেকে রৰার জন্য সবচেয়ে জরম্নরী হচ্ছে একমাত্র মায়ের বুকের দুধ কাওয়ানো। তিনি আরো বলেন, শিশুদের যাতে বেশী ঠান্ডা না লাগে সেদিকে ও খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন গোসল করার ও দরকার নেই। নিয়মিত শরীরে মুছে দিলে বা মাথায় পানি দিলেও চলে। অন্য শিশু ও বৃদ্ধাদেরও ঠান্ডা থেকে নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে অসুস্থ হয়ে পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। নিজে নিজে অনুমান নির্ভর কোনো ঔষধ খাওয়ার বুঁকি নেয়া যাবে না। ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ নুরম্নল করিম খাঁন জানান, এসময় নবজাতকসহ শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। তাই তাদের ঠান্ডা থেকে যতবেশী রৰা করা যায় ততই ভালো। তবে সব সময় ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখা ঠিক নয়। বরং শিশুর ঘরে স্বাভাবিক আলো-বাসাত ও রোদ ঢুকতে দিতে হবে, এতে জীবানু বেড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
দিকেই বেশী নজর রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। এব্যাপারে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাইফুল ইসলাম জানান, নবজাতকদের এসব রোগ থেকে রৰার জন্য সবচেয়ে জরম্নরী হচ্ছে একমাত্র মায়ের বুকের দুধ কাওয়ানো। তিনি আরো বলেন, শিশুদের যাতে বেশী ঠান্ডা না লাগে সেদিকে ও খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন গোসল করার ও দরকার নেই। নিয়মিত শরীরে মুছে দিলে বা মাথায় পানি দিলেও চলে। অন্য শিশু ও বৃদ্ধাদেরও ঠান্ডা থেকে নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে অসুস্থ হয়ে পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। নিজে নিজে অনুমান নির্ভর কোনো ঔষধ খাওয়ার বুঁকি নেয়া যাবে না। ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ নুরম্নল করিম খাঁন জানান, এসময় নবজাতকসহ শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। তাই তাদের ঠান্ডা থেকে যতবেশী রৰা করা যায় ততই ভালো। তবে সব সময় ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখা ঠিক নয়। বরং শিশুর ঘরে স্বাভাবিক আলো-বাসাত ও রোদ ঢুকতে দিতে হবে, এতে জীবানু বেড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
হাসপাতালের সিনিয়র এক ডাক্তার জানান, নিউমোনিয়া সংক্রমন থেকে শিশুদের বাচাঁর জন্য ভেকসিন পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে এসব ভেকসিন প্রয়োগ করা হলে নিরাপদ থাকা অনেকটা সম্ভব। নবজাতকদের জন্য ২০০৯ থেকে ইপি আই কর্মসূচীতে সরকারীভাবে নিউমোনিয়ার একটি ভেকসিন যুক্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জন্য তথ্য অনুসারে বিশ্বে নিউমোনিয়ার ঝুঁকিতে থাকা দেশের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। এখানে গড়ে বছরে প্রায় ৬০ লাখ লোক নিউমোনিয়ায় আক্রানত্দ হয়। তাদের মধ্যে ৫০ হাজারের মতো শিশুর মৃতু্য ঘটে, যাদের বয়স পাঁচ বছরের নিচে। নিউমোনিয়ার প্রভাবে সর্দি-স্বর, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ঠ, কফসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়, বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়, শীতের সময় পর্যাপ্ত গরম পোশাক না থাকা অপুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই মূলত এসব রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। কনকনে শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশা এবং হালকা বৃষ্টি ও হিমেল বাতাসে কাহিল হয়ে পড়া মানুষের রোগ প্রতিরোধ ৰমতা হ্রাস পাওয়াতে ও এসব রোগ ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।


0 Comments