Advertisement

থার্টিফার্স্ট নাইটকে ঘিরে র্যাব পুলিশ গোয়েন্দা ও সাইক্লোন ঃ থাকবে ভ্রাম্যমান আদালত

* মাতলামি কিংবা অপকর্ম করলেই শায়েসত্দা


জুয়েল চৌধুরী
নীলাভ জলরাশি, সুনীল আকাশ আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন আমাদের এই স্বপ্ন শহর কক্সবাজার। আর এই স্বপ্ন শহর কক্সবাজার বিশেষ বিশেষ উপলৰে থাকে পর্যটকের কলরবে মুখর। সে বিশেষ উপলৰের দিন যদি হয় থার্টি ফার্স্ট নাইট তা হলেতো কথাই নেই। তাই এই বিশেষ দিনে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা থাকাই স্বাভাবিক। তবে সবসময়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হার মানিয়ে
এবার থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা বলয়। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশের বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স, টু্যরিস্ট পুলিশের দল, ডিবি, এসবি, ডিজিএফআই, এনএসআই ছাড়াও (পৃষ্ঠা-২,কলাম-৩) 
থার্টিফার্স্ট নাইটকে ঘিরে র্যাব 
(১ম পৃষ্ঠার পর) 
থাকছে পুলিশের বিশেষায়িত দল সাইক্লোন। তড়িৎ গতিতে নিরাপত্তা বিধানে থাকছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের মনিটরিং দল। পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট কে ঘিরে এই স্বপ্ন শহর কক্সবাজার থাকবে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকে ভরপুর। আর এই বাড়তি পর্যটকের জন্য থাকছে বাড়তি সতর্কতা। থাকছে জেলা পুলিশসহ সংশিস্নষ্ট সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের মত বিশেষায়িত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি যেকোন ধরনের হামলা ও অগি্নকান্ডের মত ভয়াবহ ব্যবস্থা নিরসনে থাকছে অগি্ননির্বাপনী ব্যবস্থা। পুলিশ সুপার আরো জানান, যেখানেই সামান্য সমস্যার উদ্রেগ হবে সেখানেই তাৎৰণিক যেকোন ধরনের অবস্থায় পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীকে সবসময় প্রস্তুত রাখা হবে। 
র্যাবের মনিটরিং এবং যেকোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় থাকছে জাদরেল গোয়েন্দাদের বিশেষ টিম। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের তত্ত্বাবধানে রয়েছে মোবাইল টিম, স্পর্শকাতর পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে র্যাবের বিশেষায়িত টিম ছাড়াও বোমা ডিস্পোজাল দল টু্যরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। থার্টি ফার্স্ট নাইটকে নির্বিঘ্ন ও সকল ধরনের ঝামেলা থেকে দূরে রাখতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি, টু্যরিস্ট পুলিশ, পুলিশের বিশেষ দল সাইক্লোনসহ নিরাপত্তা সংশিস্নষ্ট সকল বাহিনীর সমন্বয়ে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়। থাকছে ৩ সত্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্ট্রাইকিং ফোর্সের মোবাইল টিম এবং পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের মনিটরিং সেল। জেলা প্রশাসক জয়নুল বারী ও পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রয়েছেন সার্বিক মটিরিংএ।
এবারের থার্টি ফার্স্ট নাইটে বিশ্ববিখ্যাত সাগরতট কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ওপেন কনসার্টের অনুষ্ঠান স্থল ছাড়াও সৈকতের সকল প্রবেশ পথ, সৈকত সংলগ্ন বিশ্বরোড, সড়ক উপ-সড়ক এবং প্রধান সড়কে থাকছে বিশেষায়িত বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশেষ বিশেষ টিম। তাছাড়াও তারকামান বিশিষ্ট হোটেল-মোটেলের আগত পর্যটক এবং ঐ সমসত্দ হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস গুলোতে অনুষ্ঠিত সকল সত্দরে এবং স্থানে থাকছে গোয়েন্দা নজরদারি। 
পরিস্থিতি যাই হোক না কেন এবারের থার্টি ফার্স্ট নাইট কে নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসন রয়েছে সদা তৎপর। প্রতিনিয়ত কৌশল পরিবর্তনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আনা হচ্ছে প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত আপডেট নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

Post a Comment

0 Comments