বাংলাদেশের জন্য সমস্যা হয়ে ওঠা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিবেশী দেশটির সরকার। পাশাপাশি গ্যাস রপ্তানির বিষয়টিও বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ থেইন
সেইনের বৈঠকে এ আশ্বাস মিলেছে বলে সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসস জানিয়েছে।
নেই পেই তাও- এ দুজনের বৈঠকের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানকারী মিয়ানমারের শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
উদ্বাস্তুদের ফেরায় রাজি করাতে মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে ২৫ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অন্তত দুই লাখ রোাহিঙ্গা অবস্থান করছে বলে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন।
সামরিক সরকারের দমন-পীড়নের মুখে দেড় যুগ আগে মিয়ানমারের এ সব মুসলিম নাগরিক বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। এদের অনেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া নামে পাসপোর্ট নিয়ে অনেকে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। হজের সময়ও এ জন্য নজরদারি চালাচ্ছে সরকার।
বৈঠকে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি সহযোগিতা, সড়ক ও আকাশ পথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, বাণিজ্য স¤প্রসারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা ছাড়াও শিক্ষা ও পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব জানান।
আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং এশিয়ান হাইওয়ে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী মিয়ানমারের বাওয়ালীবাজার থেকে কেয়াকতাও পর্যন্ত ১০৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ দ্রুত শেষ করতে মিয়ানমারকে অনুরোধ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে মিয়ানমারকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরাসরি ক্রেতা হিসেবে কিংবা সমতার ভিত্তিতে মিয়ানমারের যে কোনো জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে প্রস্তুত।
গ্যাসের বিষয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট জানান, তার দেশে ইতোমধ্যে চীনে গ্যাস রপ্তানির করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার ও পর্যাপ্ত মজুদ সাপেক্ষে বাংলাদেশকে তারা অগ্রাধিকার দেবেন।
মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য শুধু সরকারি পর্যায়েই নয় সাধারণ জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব শেখ এম ওয়াহিদুজ্জামান, পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস, সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান ও বীর বাহাদুর বৈঠকে ছিলেন।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে শেখ হাসিনা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন। ছেলে সজীব আহমেদের ওয়াজেদ জয়ও ওই সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ থেইন
সেইনের বৈঠকে এ আশ্বাস মিলেছে বলে সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসস জানিয়েছে।
নেই পেই তাও- এ দুজনের বৈঠকের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানকারী মিয়ানমারের শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
উদ্বাস্তুদের ফেরায় রাজি করাতে মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে ২৫ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অন্তত দুই লাখ রোাহিঙ্গা অবস্থান করছে বলে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন।
সামরিক সরকারের দমন-পীড়নের মুখে দেড় যুগ আগে মিয়ানমারের এ সব মুসলিম নাগরিক বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। এদের অনেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া নামে পাসপোর্ট নিয়ে অনেকে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। হজের সময়ও এ জন্য নজরদারি চালাচ্ছে সরকার।
বৈঠকে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি সহযোগিতা, সড়ক ও আকাশ পথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, বাণিজ্য স¤প্রসারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা ছাড়াও শিক্ষা ও পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব জানান।
আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং এশিয়ান হাইওয়ে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী মিয়ানমারের বাওয়ালীবাজার থেকে কেয়াকতাও পর্যন্ত ১০৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ দ্রুত শেষ করতে মিয়ানমারকে অনুরোধ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে মিয়ানমারকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরাসরি ক্রেতা হিসেবে কিংবা সমতার ভিত্তিতে মিয়ানমারের যে কোনো জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে প্রস্তুত।
গ্যাসের বিষয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট জানান, তার দেশে ইতোমধ্যে চীনে গ্যাস রপ্তানির করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার ও পর্যাপ্ত মজুদ সাপেক্ষে বাংলাদেশকে তারা অগ্রাধিকার দেবেন।
মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য শুধু সরকারি পর্যায়েই নয় সাধারণ জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব শেখ এম ওয়াহিদুজ্জামান, পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস, সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান ও বীর বাহাদুর বৈঠকে ছিলেন।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে শেখ হাসিনা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন। ছেলে সজীব আহমেদের ওয়াজেদ জয়ও ওই সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/


0 Comments