Advertisement

চকরিয়া-পেকুয়ার ৩ সড়কে আজ সকাল সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘট


আবদুল মজিদ,চকরিয়া:
চকরিয়া-পেকুয়ার ৩টি সড়কে আজ সকাল সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস-জীপ ও সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন। চিরিংগা বেতুয়াবাজার সড়কের জনতা মার্কেট এলাকায় অবৈধভাবে মাহিন্দ্র গাড়ী চলাচল বন্ধ,  সড়কের এক শ্রমিক নেতার উপর হামলা ও ৫টি গাড়ী ভাংচুরের প্রতিবাদে মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ ধর্মঘটের ডাক দেন। ফলে এনিয়ে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। 
জানাগেছে, চিরিংগাস্থ জনতা মার্কেট এলাকায় কাউন্টার স্থাপন করে চিরিংগা-বেতুয়া বাজার সড়কে কয়েকদিন ধরে মাহিন্দ্র গাড়ী চালানোর জন্য চেষ্টা চালায় গুটি কয়েক গাড়ীর মালিক। এতে ওই সড়কের বাস-জাপী ও সিএনজি মালিক এবং শ্রমিক সংগঠন অবৈধভাবে গাড়ী চলাচলে বাধা দেয়। এঘটনায় গত ৪দিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এনিয়ে আরকান মহাসড়ক সড়ক অবরোধ করে জীপ ও বাস মালিক- শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিবাদ জানায়। পরে চকরিয়া থানা পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌছে অবরোধ প্রত্যাহার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসময় পুলিশ প্রশাসন উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা মূলক কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় চকরিয়া-পেকুয়া, মগনামা-টৈটং, বাঘগুজারা-উজানটিয়া ও ফাইতংয়ের ৩টি সড়কে জীপ-বাস ও সিএনজি মালিক- শ্রমিক ইউনিয়ন আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পযর্ন্ত ধর্মঘটের ডাক দেয়। চিরিংগা-বানিয়ারছড়া-পেকুয়া-মগনামা শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি নুরুল আবছার জানান, মাহিন্দ্র গাড়ীর কতিপয় মালিক সর্বস্থ ১৬৯৭ রেজি: নং এনে চিরিংগা জনতা মার্কেট এলাকায় অবৈধভাবে কাউন্টার বসিয়ে চিরিংগা-বেতুয়া-পেকুয়া সড়কে ড্রাইভারদের জিম্মি করে গাড়ী চালানোর চেষ্টা করছে। গত ১০ডিসেম্বর বিকালে মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা এর প্রতিবাদ করলে ওই এলাকায় অবস্থিত মেসার্স ফারুক টেড্রার্স ও আজমীর ইলেকট্রিক হার্ডওয়ার থেকে লোহার রড ও হাতুরী নিয়ে বের হয়ে জীপ ও বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক মোক্তার আহমদের উপর হামলা ও মারধর করা হয়েছে। এসময় তার এক হাত ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। ৪টি জীপ ও ১টি বাস ভাংচু করা হয়েছে। ধর্মঘট উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা গতকাল ১৩ডিসেম্বর সন্ধায় বাস টার্মিনালস্থ লামা আলিদকম শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়েছে। সভায় আরকান শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ, চকরিয়া-লামা-আলিকদম, কেবি জালাল সড়ক ও চকরিয়া পেকুয়া-মগনামা মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা জানান, চিরিংগা বেতুয়াবাজার ও পেকুয়া সড়কের জনতা মার্কেট এলাকার অবৈধ ওই মাহিন্দ্র কাউন্টার বন্ধ ও হামলাকারীদের শাস্তি দেয়া না হলে আজকের সকাল সন্ধ্যা হরতালের পর আরো কঠোর কমূসূচী ঘোষণা করা হবে। তাই পরিস্থিতি শান্ত থাকতে সুষ্ঠ সমাধানে প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

Post a Comment

0 Comments