প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র-কাউন্সিলরদের শপথ বিলম্ব করে জনগণের মতামতকে অপমান করা হয়েছে। একইভাবে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার অপচেষ্টা হচ্ছে। একটি নির্বাচীত প্রতিনিধিদের প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হওয়া মানে এর সাথে সম্পৃক্ত অনেক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হওয়া। তাই সুশাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে দ্রুত কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র
-কাউন্সিলরদের দায়িত্বভার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। গতকাল সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন জেলা কমিটির এবং পৌর কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। বিকাল ৫টায় কক্সবাজার স্টেডিয়াম হলরুমে সুজন জেলা সভাপতি প্রফেসর এম.এ বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা আরো বলেন, যে আইনানুগ কারণে ৪টি পৌরসভার শপথ বন্ধ ছিল, আবার সেই আইন দিয়ে ৩টি পৌরসভার শপথ হতে পারলে ১টি পৌরসভা কেন বঞ্চিত হলো। এতে বুঝা যায়, এটা কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। জনগণের মতামতকে উপেক্ষিত করা যায় না। এর ফলও ভাল হয় না। তাই গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধরে রাখতে দ্রুত শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান বক্তারা।
-কাউন্সিলরদের দায়িত্বভার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। গতকাল সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন জেলা কমিটির এবং পৌর কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। বিকাল ৫টায় কক্সবাজার স্টেডিয়াম হলরুমে সুজন জেলা সভাপতি প্রফেসর এম.এ বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা আরো বলেন, যে আইনানুগ কারণে ৪টি পৌরসভার শপথ বন্ধ ছিল, আবার সেই আইন দিয়ে ৩টি পৌরসভার শপথ হতে পারলে ১টি পৌরসভা কেন বঞ্চিত হলো। এতে বুঝা যায়, এটা কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। জনগণের মতামতকে উপেক্ষিত করা যায় না। এর ফলও ভাল হয় না। তাই গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধরে রাখতে দ্রুত শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান বক্তারা।
এতে সুজনের পক্ষে প্রফেসর ফজলুল করিম, মাহাবুবুর রহমান, অধ্যাপক অজিত দাশ, হোসাইনুল ইসলাম মাতবর, নাজিম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, জাবের আহামদ, ডাঃ চন্দন কান্তি দাশ, সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী, অধ্যাপক রাবেয়া ফেরদৌসী, অধ্যাপক নিলুৎপল বড়য়া, উম্মে খালেদা খানম, ইসমত আরা, নুরুল হক, প্রদীপ চন্দ্র শীল, মোহাম্মদ ইসমাইল, কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা জামসেদ, আকতার কামাল আজাদ, হেলাল উদ্দিন কবির, জিসান উদ্দিন, মিজানুর রহমান, ওমর ছিদ্দিক লালু, হুমায়রা বেগম, মনজুমন্নাহার বক্তব্য রাখেন।


0 Comments