Advertisement

সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর ও কুতুবদিয়া গ্যাস ক্ষেত্র: উপকূলের জায়গার প্রতি ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি !

কালাম আজাদ,কক্সবাজার॥
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার জেলার দু’টি পৃথক স্বর্ণ-রতেœর দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া। মহেশখালীর সোনাদিয়ায় বাস্তবায়নাধীন দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর ও কুতুবদিয়ায় সম্ভাবনাময় দেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র। এছাড়া অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর উপজেলা দু’টির গুর”ত্ব বৈজ্ঞানিক,ভৌগলিগ ও ঐতিহাসিক ভাবে স্বীকৃত। দেশের এ সমস্ত সম্ভাবনাময় সম্পদকে ঘিরে শুধু মহেশখালী কুতুবদিয়া নয় গোটা দক্ষিণ পূর্বাঞ্চালীয় উপকূলীয় এলাকার  আবাদি ও অনাবাদী জায়গা জমির গুর”ত্ব দিন দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে দেশী বিদেশী বড় বড় কোম্পনী গুলো ইতোমধ্যেই এতদঞ্চলে জায়গা কিনতে শুর” করছে। এ সুবাদে জায়গা জমির মালিক,ভূমি প্রশাসন ও মধ্যসত্বভোগিরা  তৎপর হয়ে উঠেছে।  
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা,তাজিয়াকাটা,কুতুবজোম,দলিয়াপাড়া,ফকিরা কাটা,নয়াপাড়া,পুটিবিলা,বগারচর,দলঘাটা ও মাতারবাড়ী।পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া, মগনামা ও রাজাখালী।কুতুবদিয়ার  আলীআকবর ডেইল,খুদিয়ারটেক,তাবালেরচর, বড়ঘোপের অমজাখালী কৈয়ারবিলের মলমচর ও ঘিলাছড়ি।লেমশীখালী ও উত্তর ধূর”ং এলাকার জনসাধারণ তাদের জায়গা জমির কাগজপত্র সংগ্রহে স্থানীয় ভূমি অফিস ও জেলা ভূমি অফিসে নিয়মিত ধর্নণা দিচ্ছে। সমুদ্রের ভাঙ্গনের স্বীকার হয়ে ৬০ এর দশক  থেকে কুতুবদিয়া  ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়া লোকজন তাদের পৈত্রিক জায়গা জমির খোঁজ খবর নিতে শুর” করেছে।অথচ তাদের জায়গা জমি সমুদ্র গর্ভে বিলীণ হয়ে গেছে অনেক আগেই। এলাকার কতিপয় রাঘব বোয়াল শক্ত সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে জায়গা জমি সাগরে যাক বা স্থলে থাক জমির কাগজ থাকলেই জায়গা কেনার নানা প্রলোভন দেখাচ্ছে। সিন্ডিকেট চক্র সাগরে বিলীণ হয়ে যাওয়ার জায়গার কাগজ প্রতি ৪০ শতাংশ ১০/১৫ হাজার, উপকূলের কাচাকাছি অরক্ষিত জায়গা ৩০/৪০ হাজার ও নাল জায়গা দু’লক্ষাধিক টাকায় কিনতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে। এ সুবাধে ভূমি প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত পকেট ভারীর  প্রতিযোগিতা চলছে। এ দিকে কক্সবাজার জেলায় গভীর সমুদ্র বন্দর ও গ্যাস অনুসন্ধানী কর্তৃপক্ষের কোন অফিস না থাকায় বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত সংগ্রহ করা যাচ্ছে না বলে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন।

Post a Comment

0 Comments