জহিরুল আলম সাগর, চকরিয়া:
কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন চুরি হচ্ছে গরু-ছাগল। চুরি ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে গরুর-ছাগলের মালিকরা গোয়াল ঘর। এছাড়া বেশী দামের লোভে গরু-ছাগলের মালিকরা গরু ও ছাগলকে এক প্রকার মোটা তাজাকরণ বড়ি খাবানো শুর করেছে। আবার অনেকে মোটা তাজাকরণ বড়ির পাশা পাশি ঘাসের সাথে ইউরিয়া সারও খাওয়ানো হচ্ছে। এবাবে চলতে থাকলে সামনে পবিত্র কোরবানী ঈদে এ মোটা তাজাকরণ বড়ি ও ইউরিয়া সার খাওয়ানো গরু ছাগল কিনে কোরবানী দিতে হবে মানুষকে। আর এ কোরবানী গরু-ছাগলের মাংস খেয়ে মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা করছেন কোরবানীরা।
অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেনীর গরুর মালিকরা প্রতিবছর কোরবানীর বাজার আসার শুরুতে গরু ও ছাগলকে মোটা তাজা করার জন্য পশু চিকিৎসকদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে (পাম্প বড়ি)সহ বিভিন্ন ওষুধ সেবন করানো হচ্ছে। এসব পরামর্শ দাতা পশু চিকিৎসকরা গরুর মালিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। চকরিয়া মানিকপুরের এক গরুর মালিক জানায়, সামনের কোরবানী ঈদে তার ২টি গরু বিক্রয় করা হবে। এ গরু দুটি মোটা তাজা করে বেশী দামে বিক্রয় করার জন্য চকরিয়া উপজেলা পশু হাসপাতালের পশু চিকিৎসক থেকে পরামর্শ নিয়েছে। ওই পরামর্শক গরুর মালিককে এসময় বাজারে গরু বিক্রয় কালে তাদের নিয়োজিত ডাক্তারদেরকে উপটোকেনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। কারণ হিসেবে জানায়, বাজারে সরকার যে কোন মুহুর্তে অভিযান চালাতে পারে। গরু-ছাগলকে পরীক্ষা নিরীক্ষাও হতে পারে তার জন্য তাদের এক ধরণের ক্যাশিয়ার দালালদের কাছ থেকে আগাম টোকেন সংগ্রহ করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ঈদ বাজারে এসব গরু-ছাগল ক্রয় করে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রন্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়া মোটা গরু-ছাগল দেখে বেশ কিছু গরু-ছাগল চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি থাকার কারণে রাত জেগে মালিকরা পাহারা দিতে দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে গরু ছাগলের খামার গুলোতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার জন্য কোরবানীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 Comments