মিয়ানমারে বাংলাদেশি টাকার মান কমে যাওয়ায় অনেকে পশু আমদানিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে ব্যবসায়ীরা।আমদানি কমে যাওয়ায় কক্সবাজার,টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কোরবানির পশুর সংকট দেখা দিয়েছে।
তাছাড়া মিয়ানমারের নাসাকা সদস্যরা বৈধ পথেও বাংলাদেশে পশু আনতে দিচ্ছে না। ট্রলার বা জাহাজযোগে সমুদ্রপথে আকিয়াব থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডরে পশু আনার সময় বঙ্গোপসাগরের জলসীমানায় নাসাকার সদস্যরা বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করছে।অনেক সময় ধাওয়া করে গরু বোঝাই ট্রলারসহ লোকজনকে মিয়ানমারে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।ফলে শাহপরীর দ্বীপ করিডরে পশু আমদানি কমে গেছে।
এদিকে,বাজারে পর্যাপ্ত গরু না থাকায় বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে।ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর এই সময়ে অর্থাৎ কোরবানির সাত-আট দিন আগে কক্সবাজারের ১৪টির বেশি বড় পশুর হাট জমজমাট হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এবার হাটে গরু-মহিষ কম। যেগুলো আছে, দাম বেশি হওয়ায় এসব গরু কেউ কিনতে রাজি হচ্ছেন না। অপেক্ষায় রয়েছেন, মিয়ানমারের গরু-মহিষের জন্য।
জানা গেছে,বৃহত্তর চট্টগ্রামের একমাত্র করিডর টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে তিন দিন ধরে গড়ে দেড় শ করে গরু-মহিষ আসছে।এসব গরু দ্রুত কিনে নিয়ে ব্যবসায়ীরা কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ দিচ্ছে।
দেখা গেছে, এই হাটে ১৫-২০ হাজার টাকার দেশি গরু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। দুই থেকে চার মণ ওজনের গরু-মহিষের দাম হাঁকা হচ্ছে ৪০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা।
টেকনাফের পশু ব্যবসায়ী আবদুল মোনাফ জানান, নাসাকার বেপরোয়া গুলিবর্ষণের কারণে গরু আনা যাচ্ছে না। তার পরও কয়েক দিন ধরে দৈনিক দেড় শতাধিক করে পশু আসছে শাহপরীর দ্বীপ করিডরে। করিডরে প্রতিটি গরু-মহিষের বিপরীতে সরকারকে ৬০০ টাকা করে রাজস্ব দিতে হয়।
কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া,বাংলাবাজার,বাস টার্মিনাল পশুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। মিয়ানমারের পশু না থাকায় স্থানীয় গরু, মহিষ, ছাগল চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়াও উখিয়া, বালুখালী, কোর্টবাজার, রামু, পানিরছড়া, চকরিয়া, পেকুয়াসহ অন্তত ১৪টি হাট এখনো জমে ওঠেনি।
টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের কাস্টমস সুপার আনোয়ার মাসুম বলেন, জেলার একমাত্র শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে এখন বেশ কিছু কোরবানির পশু আসছে। এর আগে পশু আসা প্রায় বন্ধ ছিল। নাসাকার বেপরোয়া তৎপরতা এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশি টাকার মান কমে যাওয়ায় অনেকে পশু আমদানিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
পশু আমদানি কমে যাওয়ায় এই করিডর দিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়ও কমে গেছে। এখন কোরবানিকে সামনে রেখে চাহিদা মতো পশু আমদানির জন্য আমরা ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করছি।
সূত্র জানায়, দেশে মাংসের চাহিদা পূরণ করতে সরকার ২০০৩ সালে ২৫ মে এই করিডরটি চালু করা হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কয়েক বছরে এই করিডর থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করে প্রায় ১০ কোটি টাকা।
তাছাড়া মিয়ানমারের নাসাকা সদস্যরা বৈধ পথেও বাংলাদেশে পশু আনতে দিচ্ছে না। ট্রলার বা জাহাজযোগে সমুদ্রপথে আকিয়াব থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডরে পশু আনার সময় বঙ্গোপসাগরের জলসীমানায় নাসাকার সদস্যরা বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করছে।অনেক সময় ধাওয়া করে গরু বোঝাই ট্রলারসহ লোকজনকে মিয়ানমারে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।ফলে শাহপরীর দ্বীপ করিডরে পশু আমদানি কমে গেছে।
এদিকে,বাজারে পর্যাপ্ত গরু না থাকায় বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে।ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর এই সময়ে অর্থাৎ কোরবানির সাত-আট দিন আগে কক্সবাজারের ১৪টির বেশি বড় পশুর হাট জমজমাট হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এবার হাটে গরু-মহিষ কম। যেগুলো আছে, দাম বেশি হওয়ায় এসব গরু কেউ কিনতে রাজি হচ্ছেন না। অপেক্ষায় রয়েছেন, মিয়ানমারের গরু-মহিষের জন্য।
জানা গেছে,বৃহত্তর চট্টগ্রামের একমাত্র করিডর টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে তিন দিন ধরে গড়ে দেড় শ করে গরু-মহিষ আসছে।এসব গরু দ্রুত কিনে নিয়ে ব্যবসায়ীরা কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ দিচ্ছে।
দেখা গেছে, এই হাটে ১৫-২০ হাজার টাকার দেশি গরু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। দুই থেকে চার মণ ওজনের গরু-মহিষের দাম হাঁকা হচ্ছে ৪০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা।
টেকনাফের পশু ব্যবসায়ী আবদুল মোনাফ জানান, নাসাকার বেপরোয়া গুলিবর্ষণের কারণে গরু আনা যাচ্ছে না। তার পরও কয়েক দিন ধরে দৈনিক দেড় শতাধিক করে পশু আসছে শাহপরীর দ্বীপ করিডরে। করিডরে প্রতিটি গরু-মহিষের বিপরীতে সরকারকে ৬০০ টাকা করে রাজস্ব দিতে হয়।
কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া,বাংলাবাজার,বাস টার্মিনাল পশুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। মিয়ানমারের পশু না থাকায় স্থানীয় গরু, মহিষ, ছাগল চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়াও উখিয়া, বালুখালী, কোর্টবাজার, রামু, পানিরছড়া, চকরিয়া, পেকুয়াসহ অন্তত ১৪টি হাট এখনো জমে ওঠেনি।
টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের কাস্টমস সুপার আনোয়ার মাসুম বলেন, জেলার একমাত্র শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে এখন বেশ কিছু কোরবানির পশু আসছে। এর আগে পশু আসা প্রায় বন্ধ ছিল। নাসাকার বেপরোয়া তৎপরতা এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশি টাকার মান কমে যাওয়ায় অনেকে পশু আমদানিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
পশু আমদানি কমে যাওয়ায় এই করিডর দিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়ও কমে গেছে। এখন কোরবানিকে সামনে রেখে চাহিদা মতো পশু আমদানির জন্য আমরা ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করছি।
সূত্র জানায়, দেশে মাংসের চাহিদা পূরণ করতে সরকার ২০০৩ সালে ২৫ মে এই করিডরটি চালু করা হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কয়েক বছরে এই করিডর থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করে প্রায় ১০ কোটি টাকা।

0 Comments