Advertisement

ঈদগাঁওতে নারী নির্যাতন বৃদ্ধিঃ মুল কারণ মোবাইল ফোন

মোঃ রেজাউল করিম: ককসবাজার সদর উপজেলা ঈদগাঁওতে নারী নির্যাতনের ঘটনা ক্রমশঃ বাড়ছে। সমাজে নারীর উপর পুরুষের একচ্ছত্র
 আধিপত্য বিস্তার,নারী নির্যাতন সংক্রান্ত আইনের পরিনতি সম্পর্কে সু স্পষ্ট ধারণার অভাব,ধর্মান্ধতা,স্বামীর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস এবং সমাজ থেকে যৌতুকের মুলোৎপাটন না হওয়ায় প্রায়ঃশ বৃদ্ধি পাচ্ছে ঈদগাঁও ৬ ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার নারী নির্যাতন সহ অসংখ্য জঘন্যতম ঘটনা। বর্তমান সরকার,গনমাধ্যম এবং এনজিও গুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা, মোবাইলে পরকিয়ার মত অসংখ্য ঘটনায় উক্ত এলাকায় নারী নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এ অভিমত এলাকার সচেতন ও সুধী মহলের। পাশপাশি এই জনপদের বিশাল জনগোষ্টিকে সুশিক্ষিায় শিক্ষিত করে এ অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে ঈদগাঁওর প্রতিটি অঞ্চলের সচেতন সমাজকে। তবেই নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারে এলাকার নারী সমাজ। ঈদগাঁওর কানিয়ারছড়ার ফাতেমা, ইসলামপুরের বামন কাটার রহিমা,পোকখালীর বারডইল্যা পাড়ার নাজমা,চৌফলদন্ডীর মগ পাড়ার অংথুইং, জালালাবাদের ৮সন্তানের জননী খতিজা এবং ইসলামাবাদ হরিপুরের বাসন্তি বালা সহ অসংখ্য নির্যাতিত মহিলার সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ কিংবা সামাজিক ভাবে স্থানীয় পরিষদে বিচার দাবী করলেও স্বামী ও তার নিকট আত্মীয়রা ভবিষ্যতে নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিতে পারে অথবা তালাক সহ চিরদিনের জন্য স্বামীর ঘরছাড়া করতে পারে এ আশংকায় শত নির্যাতন চোখ বুজে নীরবে সহ্য করে বেশির ভাগ নির্যাতিত মহিলা কোথায়ও কোন মামলা করেনি। অন্যদিকে নির্যাতনের বেশিরভাগ ঘটনা ঘটছে, যৌতুক লোভী স্বামী ও মোবাইলের কারণে বলে অসহায় নির্যাতিত মহিলারা দাবী করেন।

Post a Comment

0 Comments