মুহাম্মদ তাহের নঈম:
টেকনাফে বিএপি নেতার শিশু পুত্র আলী উল্লাহ কে পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার আড়ালে রয়েছে প্রভাবশালী রাঘব বোয়াল।নানান ভাবে নির্মম এ হত্যাকান্ডের রহস্য বেরিয়ে আসতে শুরো করেছে। প্রশাসন ইতিমধ্যে নানান তথ্য পেয়েছে। তবে আড়ালে থাকা ম’ আদ্যাক্ষরের নায়ক ব্যাক্তি কে গ্রেপ্তার করা হলে হত্যাকান্ডের পুরো রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে স্থানীয় সচেতন মহল ও শোকাহত পরিবারের সদস্যরা মনে করেন।
এদিকে বিএনপি নেতা মো আব্দুল¬াহর পুত্র আলী উল্লাহ কে মির্মম ভাবে
জবাই করার কথা স্বীকার করেছে ৩ কিলার। ঘটনার বর্নণা চরম বেদনাদায়ক। মানুষ নামের জানোয়ার ৩ কিলার ইয়াছির ,ইয়াকুব ও সুমন নিষ্পাপ শিশু আলী উল্লাহ কে পশুর মত জবাই করে ।৭ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ’র শিশু পুত্র আলী কে হত্যা করার পরিকল্পনা নিয়ে ধৃত ৩কিলার গোপনে কাছারী ঘরে অবস্থান করে । তার মধ্যে উক্ত বাড়ীর চাকর সুমন বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় নানান ছলে-কৌশলে শিশু আলী উল্লাহ কে কাছারী ঘরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে হাত পা বেধে মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর তাকে জবাই করার জন্য শুয়ানো হয় । ৩ কিলারের মধ্যে সুমন মাথা ও ইয়াকুব হাত পা ধরে থাকে এবং ইয়াছিন গলায় ছুরি ছালায়। এ সময় শিশু আলী বাচাঁর জন্য অনেক আকুতি মিনতি করে। এক পর্যায়ে তার মুখের টেপ খুলে গেলে সুমন তার মুখ টিপে ধরে।এসময় প্রান যায় যায় মুর্হুতে ও “আমাকে বাচাও বলে” বাচার জন্য শেষ চেষ্টা করে শিশু আলী। কামড় দিয়ে আত্বরক্ষা করতে চায়। কিন্তু মানুষ্য রূপী ভয়ানক জানোয়াররা নির্মম ভাবে জবাই করে হত্যা করে একটি সুন্দর ফুটফুটে শিশু কে।খুনিরা তার মৃত্যু নিশ্চিত করে উক্ত কাছারী ঘরের সিলিং এ তুলে রাখে। এটি টেকনাফের ইতিহাসে একটি নির্মম হত্যাকান্ড।
জবাই করার কথা স্বীকার করেছে ৩ কিলার। ঘটনার বর্নণা চরম বেদনাদায়ক। মানুষ নামের জানোয়ার ৩ কিলার ইয়াছির ,ইয়াকুব ও সুমন নিষ্পাপ শিশু আলী উল্লাহ কে পশুর মত জবাই করে ।৭ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ’র শিশু পুত্র আলী কে হত্যা করার পরিকল্পনা নিয়ে ধৃত ৩কিলার গোপনে কাছারী ঘরে অবস্থান করে । তার মধ্যে উক্ত বাড়ীর চাকর সুমন বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় নানান ছলে-কৌশলে শিশু আলী উল্লাহ কে কাছারী ঘরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে হাত পা বেধে মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর তাকে জবাই করার জন্য শুয়ানো হয় । ৩ কিলারের মধ্যে সুমন মাথা ও ইয়াকুব হাত পা ধরে থাকে এবং ইয়াছিন গলায় ছুরি ছালায়। এ সময় শিশু আলী বাচাঁর জন্য অনেক আকুতি মিনতি করে। এক পর্যায়ে তার মুখের টেপ খুলে গেলে সুমন তার মুখ টিপে ধরে।এসময় প্রান যায় যায় মুর্হুতে ও “আমাকে বাচাও বলে” বাচার জন্য শেষ চেষ্টা করে শিশু আলী। কামড় দিয়ে আত্বরক্ষা করতে চায়। কিন্তু মানুষ্য রূপী ভয়ানক জানোয়াররা নির্মম ভাবে জবাই করে হত্যা করে একটি সুন্দর ফুটফুটে শিশু কে।খুনিরা তার মৃত্যু নিশ্চিত করে উক্ত কাছারী ঘরের সিলিং এ তুলে রাখে। এটি টেকনাফের ইতিহাসে একটি নির্মম হত্যাকান্ড।
শোকাহত পরিবারের লোকজন জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে প্রভাবশালী চক্র এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে ধারনা করছেন। কে এই হত্যাকান্ডের নায়ক ? সে কত শক্তিশালী ? এ প্রশ্ন এখন সর্বস্থরের শোকাহত মানুষের। শোকাহত পরিবারের লোকজনের মাঝে গভীর ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে , এক সময়ের আদম বেপারী ও পাচারকারী দালাল , টেকনাফের নব্য কোটিপতি মাফিয়া ডন পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।সে র্দীঘদিন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীদের চত্রছায়ায় বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার দিন তার ব্যবহৃত লাল রংয়ের বক্সী পাজেরো টি উক্ত এলাকায় রহস্য জনক ঘুরাফিরা করতে দেখেছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। এছাড়া আরো ব্যাপক তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। পুলিশ ধৃত ৫ জনের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এস আই মাহবুব জানান, আটক কৃতরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নানা তথ্য দিয়েছে। যা ঘটনার মূল নায়ক কে গ্রেপ্তারে সহায়ক হবে।


0 Comments