টেকনাফে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এর ৭ বছরের শিশু পুত্রকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। টেকনাফ
বর্ডারগার্ড স্কুলের স্ট্যান্ডার্ড ওয়ানের ছাত্র অলি উল্লাহ আলোকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৫ টা থেকে ৬ টার সময় বাড়ির কাছারী ঘরে আটকিয়ে গলা কেটে খুন করে কাজের ছেলে সুমন (১৮)।
জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এর কাজের ছেলে মহসিন সুমন প্রতিদিনের ন্যায় বিকাল বেলায় শিশু পুত্র অলি উল্লাহ আলোর সাথে খেলা করছিল। আছর নামাজের পর সাড়ে ৫ টার সময় শিশু আলোর মা ছেলেকে উঠানে দেখতে না পেয়ে খুঁজাখুজির এক পর্যায়ে অপর এক কাজের মেয়ে জানায় আলোকে সহ কাজের ছেলে সুমন কাছারী ঘরে ঢুকাতে দেখেছে। শেষে কাছারী ঘরের দরজায় গিয়ে দেখা যায় ভেতরে দরজা আটকিয়ে কাজের ছেলে সুমন শুয়ে আছে। দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করলে সে দরজা না খূলে ভিতরে থাকা বিভিন্ন জিনিস পত্র ছুঁড়ে মারে। এক পর্যায়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। কাছারী ঘরের এক কর্ণারে দেখা যায় জমাট বাঁধা তাজা রক্ত ও কাঠের সিলিং দিয়ে উপর থেকে নিচে রক্ত ঝরছিল। পরে সিলিং এর উপর দেখতে পায় শিশু পুত্র আলোর গলাকাটা মৃতদেহ। লাশের মুখে টেপ দেয়া ও হাত, পা বাঁধা। স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আতাউর রহমান মৃত ঘোষনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ধারনা করা হচ্ছে কোন অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে সম্ভবত শিশুপুত্রটি দেখে ফেলে। এর জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। একই সাথে পরিকল্পিতভাবে কাজের ছেলেকে দিয়ে প্রতিপক্ষরা নৃশংস এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বর্ডারগার্ড স্কুলের স্ট্যান্ডার্ড ওয়ানের ছাত্র অলি উল্লাহ আলোকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৫ টা থেকে ৬ টার সময় বাড়ির কাছারী ঘরে আটকিয়ে গলা কেটে খুন করে কাজের ছেলে সুমন (১৮)।
জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এর কাজের ছেলে মহসিন সুমন প্রতিদিনের ন্যায় বিকাল বেলায় শিশু পুত্র অলি উল্লাহ আলোর সাথে খেলা করছিল। আছর নামাজের পর সাড়ে ৫ টার সময় শিশু আলোর মা ছেলেকে উঠানে দেখতে না পেয়ে খুঁজাখুজির এক পর্যায়ে অপর এক কাজের মেয়ে জানায় আলোকে সহ কাজের ছেলে সুমন কাছারী ঘরে ঢুকাতে দেখেছে। শেষে কাছারী ঘরের দরজায় গিয়ে দেখা যায় ভেতরে দরজা আটকিয়ে কাজের ছেলে সুমন শুয়ে আছে। দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করলে সে দরজা না খূলে ভিতরে থাকা বিভিন্ন জিনিস পত্র ছুঁড়ে মারে। এক পর্যায়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। কাছারী ঘরের এক কর্ণারে দেখা যায় জমাট বাঁধা তাজা রক্ত ও কাঠের সিলিং দিয়ে উপর থেকে নিচে রক্ত ঝরছিল। পরে সিলিং এর উপর দেখতে পায় শিশু পুত্র আলোর গলাকাটা মৃতদেহ। লাশের মুখে টেপ দেয়া ও হাত, পা বাঁধা। স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আতাউর রহমান মৃত ঘোষনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ধারনা করা হচ্ছে কোন অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে সম্ভবত শিশুপুত্রটি দেখে ফেলে। এর জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। একই সাথে পরিকল্পিতভাবে কাজের ছেলেকে দিয়ে প্রতিপক্ষরা নৃশংস এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

0 Comments