বার্তা পরিবেশক:
টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প দুর্বৃত্তদের স্বর্গরাজ্যে হিসেবে পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, লুটপাট সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত হচ্ছে। এসব অপরাধ মূলক কর্মকান্ড পরিচালিত করছে কয়েকজন প্রভাবশালী রোহিঙ্গা। এ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হওয়া নিরীহ রোহিঙ্গারা মুখ খুলতে শুরু করেছে।
জানা যায়, টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পি ব্লকের ১১১৮ নং শেডের ১ নং রুমের আজিরানের পুত্র সন্ত্রাসী শমশু তার রোহিঙ্গা ক্যাডারদের নিয়ে ক্যাম্পের নিরহ রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিন ধরে নানানভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। শুধু তাই নয় ক্যাম্পে নিরহ রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি লুটপাট ও ভাংচুর, রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ডাকাতি সহ নানান অপরাধ সংঘঠিত করছে। টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পি
ব্লকের ১১১৭ নং শেডের ১ নং রুমের মৃত আবদুল জব্বারের স্ত্রী ছলেমা খাতুন জানায়, সন্ত্রাসী শমশুর নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসীরা গত ৩০ আগস্ট তাদেরকে জোর পূর্বক ঘর থেকে উচ্ছেদ করে অন্যত্রে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে তারা অসম্মতি জানালে শমশু ও তার বাহিনী তাদেরকে ব্যাপক মারধর, ৭০/৮০ হাজার মালামাল লুটপাট ও পৈশাচিক নির্যাতন চালায়। তাদের নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয় ছলেমা খাতুন ও তার মেয়ে রেহেনা বেগম, সাজেদা বেগম ও পারভিন আক্তার। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ক্যাম্প হাসপাতালে ভর্তি করায়। এভাবে শমশু বাহিনী প্রতিদিন কোন না কোন অপরাধ সংঘঠিত করে ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করে যাচ্ছে। এর প্রতিকারে নয়াপাড়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ব্লকের ১১১৭ নং শেডের ১ নং রুমের মৃত আবদুল জব্বারের স্ত্রী ছলেমা খাতুন জানায়, সন্ত্রাসী শমশুর নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসীরা গত ৩০ আগস্ট তাদেরকে জোর পূর্বক ঘর থেকে উচ্ছেদ করে অন্যত্রে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে তারা অসম্মতি জানালে শমশু ও তার বাহিনী তাদেরকে ব্যাপক মারধর, ৭০/৮০ হাজার মালামাল লুটপাট ও পৈশাচিক নির্যাতন চালায়। তাদের নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয় ছলেমা খাতুন ও তার মেয়ে রেহেনা বেগম, সাজেদা বেগম ও পারভিন আক্তার। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ক্যাম্প হাসপাতালে ভর্তি করায়। এভাবে শমশু বাহিনী প্রতিদিন কোন না কোন অপরাধ সংঘঠিত করে ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করে যাচ্ছে। এর প্রতিকারে নয়াপাড়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


0 Comments