টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং- শামলাপুর ও টেকনাফ স্টেশন হয়ে-বাহার ছরা শামলাপুর সড়কের কয়েকটি ব্রিজ ও সড়কের দু’পাশ ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলার প্রধান সড়ক
গুলো দিয়ে যানচলাচল সম্পূর্নভাবে বন্ধ হওয়ার পথে। টেকনাফ- হোয়াইক্যং সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে সড়ক গুলোর উভয় দিকে অধিবাসিদের মধ্যে অন্য এলাকার সাথে সমপূর্ণভাবে যোগাযোগ বন্ধ হতে সময় দেরি নেই। এখনও চরম ঝুকিতে যাতায়াত করছে প্রতিনিয়ত । শামলাপুর ওজুবন্যা পাহাড় এলাকায় রাস্তা না থাকাই ওই এলাকার সাথে গত পাচঁ বৎসর ধরে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে । টেকনাফ লেংগুর বিল সড়ক দিয়ে বাহার ছরার সাথে কোন রকম যোগাযোগ হচ্ছে তাও যে কোন মূহুর্তে বন্ধ হতে সময় নেবে না ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ইউনিয়টির দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার পুরুটাই সৈতক এলাকা ওইখানে প্রায় বিশ হাজার লোকজনের বসবাস, তাদের সকলের প্রানেরদাবি সড়ক উন্নয়ন করা।হোয়াইক্যং শামলাপুর সড়কের মাঝখানে সোনালী ব্যাংক নামক জায়গায় একটি ব্রিজ দীর্ঘদিন থেকে বিধ্বস্ত । কোন প্রকারমেরামতকাজ না করায় যানযোগে যাতায়াত সমপূর্ণভাবে বন্ধ । সড়কের ওই নাজুকাবস্থা স¤র্পকে জানেনা এমন অসংখ্য পর্যটক গাড়ি নিয়ে গিয়ে বিপদে পড়ে সেখানে। বাহার ছরা অঞ্চলের মানুষ দৈনন্দিনের প্রয়োজনীয় কাজ সমাধানে হোয়াইক্যং বাজারের উপর নির্ভরশীল । দীর্ঘদিন থেকে সড়ক অকেজো হওয়ার পরথেকে দারুনভাবে কষ্টে রয়েছেন ওই এলাকার মানুষ। হোয়াইক্যং অঞ্চলের অধিবাসিরা বাহার ছরা ও শামলাপুর না গেলেও তেমন কোন অসুবিধায় পড়তে হয়না ।তাই হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের সেদিকে কোন নজর নেই ।বাহরছরা শামলাপুরের মানুষ ওইসড়ক মেরামতের দাবি জানিয়ে আসছে দীর্ঘ থেকে কাজের কাজ কিছুই হয়নি ।সড়কটি যাতায়াত উপযোগী হবে ওই আশা ছেড়েদিয়েছেন বাহারছরাবাসি ।
বাহারছরার ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা মোহাম্মদ হাবিবুলাহ জানান, তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার ইউনিয়নে কোন প্রকার সড়ক উন্নয়ন কাজ করা হয়নি তবে তিনটি কালর্ভাট স্থাপনকরা হয়েছে ।তিনি আরো জানান বাহার ছরা ইউনিয়নটির পুরো পশ্চিম পাশ হলো সমুদ্র সৈতক পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান, দেশিবিদেশী পর্ষটকদের ওখানে ধরে রাখতে চাইলে সৈকতের সাথে সংযুক্ত চারটি রাস্তার উন্নয়ন কাজ করতে হবে ।
তাছাড়াও টেকনাফ শীলখালীর এলাকায় সড়কের এক পাশ বৃষ্টির পানিতে বিধ্বস্ত হয়েছে । ছোট্র যান ছাড়া ভারি যান গুলো চলাচল বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে । বাহারছরার রাজনৈতিক ব্যক্তি শহীদুলাহ জানান, এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় ওই অবহেলিত জনপদ বাহার ছরার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করার কথাদিয়ে বারংবার ভোটনিয়ে জনগনকে দেওয়াওয়াদা রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন । টেকনাফ বাহার ছরা সৈকত এলাকাটি দেশিবিদেশী পর্যটকদের জন্য এক্্রক্লোসিভ জোন ঘোষণাকরেছেন সরকার। এলাকাটি পর্যটকদের দৃষ্টি আর্কষণ করতে বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সড়ক উন্নয়ন কাজ। আসছে পর্যটন মৌসুম শীতকাল। পর্যটক ছাড়াও যোগাযোগের সুব্যস্থা না থাকাই উপক’লীয় অঞ্চলের জেলেদের আহরিত মাছ যথসময়ে বাজারজাতকরণ করতে পারে না । ফলে জেলেরা মাছের নিয়ায্য মূল্য পাচ্ছে না। পাশাপাশি অনউন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে বনকর্মীরা সময় মতো আসতে পারেনা তাই নির্ভয়ে বনের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। ওই সুযোগ নিতে ভুলকরছেনা ডাকাত দল। আইনরক্ষাকরি বাহিনী ডাকাতদের হাত থেকে জনগণের জান মাল রক্ষাকরতে হিমশিম খাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বিলাল হোসেন জানান যোগাযোগ ব্যবস্থা একটু উন্নত হলে ওই এলাকায় আইন শৃঙ্খা উন্নত রাখা সহজ হত । অপরদিকে টেকনাফ লেংগুরবিল হতে বাহার ছারা পর্যন্ত সড়কটির নির্মান শেষ করার সময়কাল বচর পার হয়নি ইতি ম্যধ্যেই সড়কটি খানাখন্দকে যানচলাচলে বিঘœ ঘটছে এবং সড়ক ও যোগাযোগ বিভাগ ও বনবিভাগের রশিটানাটানিতে সড়কের মাঝখানে বড়বড় কয়েকটি গাছ রয়েছে যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলা সম্ভব নয় ।
গুলো দিয়ে যানচলাচল সম্পূর্নভাবে বন্ধ হওয়ার পথে। টেকনাফ- হোয়াইক্যং সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে সড়ক গুলোর উভয় দিকে অধিবাসিদের মধ্যে অন্য এলাকার সাথে সমপূর্ণভাবে যোগাযোগ বন্ধ হতে সময় দেরি নেই। এখনও চরম ঝুকিতে যাতায়াত করছে প্রতিনিয়ত । শামলাপুর ওজুবন্যা পাহাড় এলাকায় রাস্তা না থাকাই ওই এলাকার সাথে গত পাচঁ বৎসর ধরে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে । টেকনাফ লেংগুর বিল সড়ক দিয়ে বাহার ছরার সাথে কোন রকম যোগাযোগ হচ্ছে তাও যে কোন মূহুর্তে বন্ধ হতে সময় নেবে না ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ইউনিয়টির দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার পুরুটাই সৈতক এলাকা ওইখানে প্রায় বিশ হাজার লোকজনের বসবাস, তাদের সকলের প্রানেরদাবি সড়ক উন্নয়ন করা।হোয়াইক্যং শামলাপুর সড়কের মাঝখানে সোনালী ব্যাংক নামক জায়গায় একটি ব্রিজ দীর্ঘদিন থেকে বিধ্বস্ত । কোন প্রকারমেরামতকাজ না করায় যানযোগে যাতায়াত সমপূর্ণভাবে বন্ধ । সড়কের ওই নাজুকাবস্থা স¤র্পকে জানেনা এমন অসংখ্য পর্যটক গাড়ি নিয়ে গিয়ে বিপদে পড়ে সেখানে। বাহার ছরা অঞ্চলের মানুষ দৈনন্দিনের প্রয়োজনীয় কাজ সমাধানে হোয়াইক্যং বাজারের উপর নির্ভরশীল । দীর্ঘদিন থেকে সড়ক অকেজো হওয়ার পরথেকে দারুনভাবে কষ্টে রয়েছেন ওই এলাকার মানুষ। হোয়াইক্যং অঞ্চলের অধিবাসিরা বাহার ছরা ও শামলাপুর না গেলেও তেমন কোন অসুবিধায় পড়তে হয়না ।তাই হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের সেদিকে কোন নজর নেই ।বাহরছরা শামলাপুরের মানুষ ওইসড়ক মেরামতের দাবি জানিয়ে আসছে দীর্ঘ থেকে কাজের কাজ কিছুই হয়নি ।সড়কটি যাতায়াত উপযোগী হবে ওই আশা ছেড়েদিয়েছেন বাহারছরাবাসি ।
বাহারছরার ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা মোহাম্মদ হাবিবুলাহ জানান, তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার ইউনিয়নে কোন প্রকার সড়ক উন্নয়ন কাজ করা হয়নি তবে তিনটি কালর্ভাট স্থাপনকরা হয়েছে ।তিনি আরো জানান বাহার ছরা ইউনিয়নটির পুরো পশ্চিম পাশ হলো সমুদ্র সৈতক পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান, দেশিবিদেশী পর্ষটকদের ওখানে ধরে রাখতে চাইলে সৈকতের সাথে সংযুক্ত চারটি রাস্তার উন্নয়ন কাজ করতে হবে ।
তাছাড়াও টেকনাফ শীলখালীর এলাকায় সড়কের এক পাশ বৃষ্টির পানিতে বিধ্বস্ত হয়েছে । ছোট্র যান ছাড়া ভারি যান গুলো চলাচল বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে । বাহারছরার রাজনৈতিক ব্যক্তি শহীদুলাহ জানান, এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় ওই অবহেলিত জনপদ বাহার ছরার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করার কথাদিয়ে বারংবার ভোটনিয়ে জনগনকে দেওয়াওয়াদা রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন । টেকনাফ বাহার ছরা সৈকত এলাকাটি দেশিবিদেশী পর্যটকদের জন্য এক্্রক্লোসিভ জোন ঘোষণাকরেছেন সরকার। এলাকাটি পর্যটকদের দৃষ্টি আর্কষণ করতে বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সড়ক উন্নয়ন কাজ। আসছে পর্যটন মৌসুম শীতকাল। পর্যটক ছাড়াও যোগাযোগের সুব্যস্থা না থাকাই উপক’লীয় অঞ্চলের জেলেদের আহরিত মাছ যথসময়ে বাজারজাতকরণ করতে পারে না । ফলে জেলেরা মাছের নিয়ায্য মূল্য পাচ্ছে না। পাশাপাশি অনউন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে বনকর্মীরা সময় মতো আসতে পারেনা তাই নির্ভয়ে বনের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। ওই সুযোগ নিতে ভুলকরছেনা ডাকাত দল। আইনরক্ষাকরি বাহিনী ডাকাতদের হাত থেকে জনগণের জান মাল রক্ষাকরতে হিমশিম খাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বিলাল হোসেন জানান যোগাযোগ ব্যবস্থা একটু উন্নত হলে ওই এলাকায় আইন শৃঙ্খা উন্নত রাখা সহজ হত । অপরদিকে টেকনাফ লেংগুরবিল হতে বাহার ছারা পর্যন্ত সড়কটির নির্মান শেষ করার সময়কাল বচর পার হয়নি ইতি ম্যধ্যেই সড়কটি খানাখন্দকে যানচলাচলে বিঘœ ঘটছে এবং সড়ক ও যোগাযোগ বিভাগ ও বনবিভাগের রশিটানাটানিতে সড়কের মাঝখানে বড়বড় কয়েকটি গাছ রয়েছে যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলা সম্ভব নয় ।

0 Comments