কক্সবাজার সৈকতে মশারী জাল দিয়ে নির্বিচারে চিংড়ি মাছের পোনা আহরণের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড। বুধবার সকালে সরকারের এই দুটি
বিভাগের যৌথ অভিযানে প্রায় ১ লাখ টাকার মশারী জাল আটক করে পরে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়।
জানা যায়, কক্সবাজার সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে শত শত নেট জাল দিয়ে প্রতিদিন পোনা আহরন চলে। এসময় বাগড়া চিংড়ির পোনা আহরণের জন্য অন্যান্য হাজার লাখ লাখ পোনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আর এর বিরূপ প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সকাল থেকে কক্সবাজার সৈকতের ডায়বেটিক পয়েন্ট থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত সৈকতে কক্সবাজার সদরের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আহমদ ও কোস্টগার্ড কক্সবাজার কন্টিজেন্টের চীফ পেটি অফিসার হেমায়েত উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সমুদ্র থেকে চিংড়ি পোনা আহরনে ব্যবহ্্রত প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের মশারি জাল আটক করে পরে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম সহ মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগের যৌথ অভিযানে প্রায় ১ লাখ টাকার মশারী জাল আটক করে পরে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়।
জানা যায়, কক্সবাজার সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে শত শত নেট জাল দিয়ে প্রতিদিন পোনা আহরন চলে। এসময় বাগড়া চিংড়ির পোনা আহরণের জন্য অন্যান্য হাজার লাখ লাখ পোনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আর এর বিরূপ প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সকাল থেকে কক্সবাজার সৈকতের ডায়বেটিক পয়েন্ট থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত সৈকতে কক্সবাজার সদরের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আহমদ ও কোস্টগার্ড কক্সবাজার কন্টিজেন্টের চীফ পেটি অফিসার হেমায়েত উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সমুদ্র থেকে চিংড়ি পোনা আহরনে ব্যবহ্্রত প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের মশারি জাল আটক করে পরে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম সহ মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 Comments