ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর: নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (মার্কিন সময়) নিউইয়র্কে এক সমাবেশে বলেছেন, সরকারের সাথে
গ্রামীণ ব্যাংকের একটি সমস্যা চলছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ৯৭ শতাংশ শেয়ারের মালিক হচ্ছেন গ্রাহকরা। মাত্র তিন শতাংশ শেয়ারের মালিক হচ্ছে সরকার। এই তিন শতাংশের জোর দেখিয়ে সরকার তার পুরো কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংকে।
জাতিসংঘ সদর দফতর সংলগ্ন হলি ফ্যামিলি চার্চ অডিটরিয়ামে মুহম্মদ ইউনূসের দর্শন নামক একটি ফিল্ম প্রদর্শনীর পর উপস্থিত সুধীজনের প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষেরা তিল তিল করে গ্রামীণ ব্যাংক এবং পরবর্তীতে গ্রামীণ শক্তি, গ্রামীণ ফোন, ভিক্ষুক প্রকল্প ইত্যাদি কর্মকাণ্ড চালু করেছি প্রয়োজনের তাগিদে। গরিব মানুষদের সার্বিক কল্যাণে গ্রামীণের ধারণা আজ সর্বজনীনতা পেয়েছে। বহুদেশের ক্ষুদ্রঋণের প্রকল্প সম্প্রসারিত হয়েছে।
তিনি বলেন, এমনি অবস্থায় কেউ যদি বলে বসেন যে আপনার গ্রামীণ ছেড়ে চলে যান, তাহলে সেটি কী ঠিক হবে? আমরা কোথায় যাবো। আমরা তো এই দেশেরই মানুষ। আমরা তো ভিন্ন কোনো গ্রহ থেকে আসিনি যে সেখানে ফিরে যাবো।
এ সময় গ্রামীণ থেকে চলে আসার পর গ্রামীণ ব্যাংকের কাজকর্ম সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখেন কিনাজানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে হলি মশের নির্মিত বনসাই পিপুল : দ্য ভিশন অব মুহম্মদ ইউনূস চলচ্চিত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্তকালে অনেকে মুহম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিসিয়েটিভর বিশেষ বক্তা হিসেবে ড. মুহম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে যান। ড. ইউনূস যেখানে বক্তৃতা করেন তা থেকে ৪০০ গজ দূরে পল্লী অঞ্চলের মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরপত্তা শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এ আলোচনার সঞ্চালক ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ক্রিস্টিন আমানপোর।

0 Comments