Advertisement

সেই ল্যাপটপ উদ্ধার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মহাসড়কের খুটাখালীতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া সেই বহুল আলোচিত ল্যাপটপ অবশেষে পরিত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করতে
 পেরে প্রশাসনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ডাকাত আটকের চেয়ে একটি মাত্র ল্যাপটপ উদ্ধারে ২ থানার পুরো পুলিশ প্রশাসন গত
৬দিন যাবৎ ঘটনাস্থলের আশ পাশ এলাকায় একের পর এক চিরুনী অভিযান চালিয়ে সন্দেহ ভাজন কয়েকজনকে আটক করলেও ল্যাপটপটি উদ্ধার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রশাসন ছিল উর্ধ্বতন মহলের চাপে। অবশেষে গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালের দিকে পুলিশ পরিত্যাক্ত অবস্থায় ভিআইপি এ ল্যাপটপটি সদর উপজেলার ইসলামপুর ও চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এক স্থান থেকে উদ্ধার করে। এর পূর্বে সদর থানা ও চকরিয়া থানা পুলিশ বিগত ৬দিন যাবৎ ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী এলাকার বসত বাড়ীতে ব্যাপক তল্লাসী ও অভিযান চালিয়ে ডজনাধিক লোককে আটক করে এবং তদন্ত পূর্বক অধিকাংশকে ছেড়ে দেয়। ল্যাপটপ উদ্ধারে পুলিশের মাথা ব্যাথা দেখে সাধারণ লোকজন ভেতর কি আছে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। উল্লেখ্য গত ৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মহা সড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের ফুলছড়ি গেইটের ব্রীজের উপর কক্সবাজার মুখী প্রাইভেট একটি গাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতদল হানা দিয়ে নগদ টাকা মূল্যবান জিনিসপত্র একটি ল্যাপটপ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন ডাকাতের লুটকরা ওই ল্যাপটরটি ক্ষমতাসীন দলের এক কেন্দ্রীয় নেতার এবং তাতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকাতে সরকারের উর্ধ্বতন মহলের চাপে ২ থানার পুরো পুলিশ প্রশাসন ওই ল্যাপটপটি উদ্ধারে এলাকায় এলাকায় চিরুনী অভিযান শুরু করাতে উক্ত এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। অবশেষে দেরীতে হলেও তা উদ্ধার হওয়ায় লোকজনদের বলতে শুনা যায় সাধারণ লোকদের উপর এত হয়রানী কেন? নেতার ল্যাপটপ হজম করে কেউ রাখতে পারেনা এটাই হচ্ছে তার প্রমাণ। ল্যাপটপটি উদ্ধারের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলে পরিত্যাক্ত অবস্থায় এটি উদ্ধার হয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি চকরিয়া থানায় সেহেতু সেখানে এ সংক্রান্ত মামলা হবে এবং এর পরেই ঘটনার নেপথ্য রহস্য প্রকাশ করা হবে।

Post a Comment

0 Comments