Advertisement

পরকিয়া প্রেমের টানে....

মহসীন শেখ, কক্সবাজার: দীর্ঘ ১২ বছরের সংসারের মায়ার বন্ধন এবং ৪ শিশু সন্তানদের প্রতি মমত্ববোধকেও হার মানিয়েছে পরকিয়া প্রেম। পবিত্র শব ই বরাতের রাতে ১ লম্পটের হাত ধরে পালিয়ে যাবার পর ৪ শিশু সন্তানকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে সর্বশান্ত অসহায় পিতা। অবুঝ শিশুদের আহাজারি থামাতে বার বার ধর্না দিয়েও ওই পরকিয়ায় আসক্ত মমত্বহীন নারীকে বাড়িতে ফিরেয়ে আনা
সম্ভব হয়নি। শহরতলীর দক্ষিণ মুহুরী পাড়ার মৃত নজির আহমদের পূত্র মোঃ শাহজাহানের সাথে ১২ বছর পূর্বে চট্রগ্রাম জেলার চন্দনাইশের পশ্চিম কেসুয়া গ্রামের আব্দুল্লাহারের কন্যা ইয়াসমিনের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের সুন্দর সংসারে ২ পূত্র ও ২টি কন্যাসহ ৪টি ফুটফুটে সন্তান জন্ম নেয়। এদিকে হঠাৎ করে তাদের সংসারে নেমে আসে অন্ধকার। সংসারে থাকা সংসারের কথা চিন্তা না করে সকলের চোঁখকে ফাঁকি দিয়ে ৪ সন্তানের জননী ইয়াসমিন তার স্বামীর দূঃসম্পর্কের আতœীয় খরুলিয়ার বিয়ারী পাড়ার মৃত আবুল হোসেনের পূত্র বিবাহিত লম্পট আব্দুস সালামের সাথে গড়ে তুলে অবৈধ পরকিয়া প্রেম। পরকিয়া প্রেমের মূহে অন্ধ হয়ে শব ই বরাতের রাতে স্বামী ও ৪ শিশু সন্তানের সম্পর্ককে ছিন্ন করে লম্পট প্রেমিকের সাথে পালিয়ে তার খরলিয়ার বাড়িতে ধর্মের বিধি-বিধানকে তোয়াক্ষা না করে বরাবরের মতোই সংসার করছে। ওই লম্পট এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 
পরকিয়ার টানে পালিয়ে যাওয়া দূঃচরিত্র ইয়াসমিনের অসহায় স্বামী শাহজাহান জানান, তাদের সংসার জীবনে তার সাথে স্ত্রী ইয়াসমিনের কোনদিনও ভূল বুঝাবুঝিতো দূরের কথা একটু কথা কাটাকাটিও হয়নি। আর ১০জন সূখি স্ত্রীর মতোই তাকে পরিচালনা করা হয়েছে। এত কিছুর পরও ৪ শিশু সন্তানকে ফেলে তার সংসার ত্যাগ করে খরুলিয়ার চিহ্নিত লম্পট আব্দুস সালামের হাত ধরে পালিয়ে গেছে। সে পালিয়ে যাবার পর থেকেই তার ৪ সন্তানের বুকফাটা আহাজারী কোন ভাবেই থামাতে পারছেনা বলে জানায় শাহজাহান। শিশু পূত্র-কন্যাদের কথা চিন্তা করে একাধিকবার স্ত্রীর কাছে গিয়ে অনেক বুঝানো হলেও কোন লাভ হয়নি। কোন ভাবেই সে তার লম্পট প্রেমিকের কাছ থেকে ইয়াসমিন নিজ সংসারে ফিরে আসবেনা বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে দিয়েছে। এব্যাপারে ওই লম্পট আব্দুস সালাম ও তার দূঃচরিত্রা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে বলেও জানিয়েছেন শাহজাহান।

Post a Comment

0 Comments