শফিউল ইসলাম আজাদ,উখিয়াউখিয়ার টিভি র্যালি কেন্দ্রের পশ্চিমে একখন্ড বনভূমির জায়গার উপর কুড়েঘর তুলে স্ত্রী,পুত্র,কন্যা নিয়ে সুখে রাত যাপন করার স্বপ্ন দেখেছিল ৩৫ বছর বয়সী পঙ্গু বাদশা মিয়া। সুখের স্বপ্ন ভেঙ্গে তচনচ করে দিল বন্যহাতি। শুধু তার কুড়ে ঘর খানা ভাংচুর করে থামেনি হাতির দল। এসময় তার শিশু পুত্র বাপ্পী (৭) কে বন্যহাতি পায়ে পিষ্ঠ করে মেরে ফেলে। এ ঘটনায় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে পঙ্গু বাদশা ও তার স্ত্রী
পারভিন (৩০) গত ২৮ আগষ্ট শবে কদরের রাত ১০টায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, ঐরাতে প্রতিটি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ফাতেহাকে উপলক্ষ করে বিভিন্ন উন্নমানের খাবার রান্না করা হয়েছিল।
নিয়তির নির্ম্ম পরিহাস তখন বাদশা মিয়ার রান্না ঘরে চুলোই আগুনতো জ্বলেনি উপরন্ত কূপিবাতি জ্বালানো মতো কেরোসিন ছিলনা। শিশুপুত্র বাপ্পীকে ঘুমে রেখে দু’ফোটা কেরোসিনের জন্য বাদশা মিয়ার স্ত্রী পারভিন গিয়েছিল অন্যের বাড়ীতে। অন্ধাকারে আচ্ছন্ন বাদশা মিয়ার বাড়ীতে বন্যহাতির দল হানা দিয়ে বসতবাড়ীর দেয়াল ভেঙ্গে দিলে মাটির নিচে চাপা পড়ে শিশুপুত্র বাপ্পী চিরতরে হারিয়ে যায়।
গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় পঙ্গু বাদশা মিয়া পরিবারের চলমান জীবন-যাপন প্রত্যক্ষ করার জন্য তার বাড়ীতে গেলে এক হৃদয় বিধারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সাংবাদিক দেখে বাদশা মিয়া কেঁেদ উঠলেন, পাশাপাশি পিতার চোঁখে জ্বল দেখে দু’শিশু পুত্র কেঁেদ উঠলেন। এসময় পুত্র সুখে কাতর বাদশা মিয়ার স্ত্রী পারভিনের আহাজারীতে মনে হচ্ছিল যেন গাছ পালা কাদঁছে। একখানা পলিথিনের ছাউনির নীচে ভেজা কুড়ে ঘরে জড়ো সড়ো হয়ে বসে আসে স্ত্রী,পুত্র,কন্যা সহ বাদশা মিয়া। জানতে চাওয়া হলে পঙ্গু বাদশা মিয়া বলেন, পুত্রের মৃত্যুর পর থেকে স্থানীয় মেম্বার ১০ কেজি চাল দিয়েছিল। তাছাড়া এ পর্যন্ত কেউ সাহার্য্যরে হাত বাড়ায়নি। সে কাকুতি মিনতী জানিয়ে বলেন, আপনারা আমার জন্য কিছু লিখুন, আমার এ পঙ্গুত্ব জীবন নিয়ে ঘেরা অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের কথা। টাকার অভাবে আমার ছেলে মেয়ে দুটো স্কুলে যেতে পারছেনা। ছেলে/মেয়েদের দু’বেলা, দু’মুঠো খাবার দিতে পারছিনা। এ পঙ্গুত্ব জীবন নিয়ে আমার বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। এ কথা বলতে বলতে সে আবারো কেঁদে উঠলেন।
পারভিন (৩০) গত ২৮ আগষ্ট শবে কদরের রাত ১০টায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, ঐরাতে প্রতিটি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ফাতেহাকে উপলক্ষ করে বিভিন্ন উন্নমানের খাবার রান্না করা হয়েছিল।
নিয়তির নির্ম্ম পরিহাস তখন বাদশা মিয়ার রান্না ঘরে চুলোই আগুনতো জ্বলেনি উপরন্ত কূপিবাতি জ্বালানো মতো কেরোসিন ছিলনা। শিশুপুত্র বাপ্পীকে ঘুমে রেখে দু’ফোটা কেরোসিনের জন্য বাদশা মিয়ার স্ত্রী পারভিন গিয়েছিল অন্যের বাড়ীতে। অন্ধাকারে আচ্ছন্ন বাদশা মিয়ার বাড়ীতে বন্যহাতির দল হানা দিয়ে বসতবাড়ীর দেয়াল ভেঙ্গে দিলে মাটির নিচে চাপা পড়ে শিশুপুত্র বাপ্পী চিরতরে হারিয়ে যায়।
গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় পঙ্গু বাদশা মিয়া পরিবারের চলমান জীবন-যাপন প্রত্যক্ষ করার জন্য তার বাড়ীতে গেলে এক হৃদয় বিধারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সাংবাদিক দেখে বাদশা মিয়া কেঁেদ উঠলেন, পাশাপাশি পিতার চোঁখে জ্বল দেখে দু’শিশু পুত্র কেঁেদ উঠলেন। এসময় পুত্র সুখে কাতর বাদশা মিয়ার স্ত্রী পারভিনের আহাজারীতে মনে হচ্ছিল যেন গাছ পালা কাদঁছে। একখানা পলিথিনের ছাউনির নীচে ভেজা কুড়ে ঘরে জড়ো সড়ো হয়ে বসে আসে স্ত্রী,পুত্র,কন্যা সহ বাদশা মিয়া। জানতে চাওয়া হলে পঙ্গু বাদশা মিয়া বলেন, পুত্রের মৃত্যুর পর থেকে স্থানীয় মেম্বার ১০ কেজি চাল দিয়েছিল। তাছাড়া এ পর্যন্ত কেউ সাহার্য্যরে হাত বাড়ায়নি। সে কাকুতি মিনতী জানিয়ে বলেন, আপনারা আমার জন্য কিছু লিখুন, আমার এ পঙ্গুত্ব জীবন নিয়ে ঘেরা অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের কথা। টাকার অভাবে আমার ছেলে মেয়ে দুটো স্কুলে যেতে পারছেনা। ছেলে/মেয়েদের দু’বেলা, দু’মুঠো খাবার দিতে পারছিনা। এ পঙ্গুত্ব জীবন নিয়ে আমার বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। এ কথা বলতে বলতে সে আবারো কেঁদে উঠলেন।


0 Comments