টেকনাফে প্রেমিক জুটির পালিয়ে বিয়ে অতঃপর তালাকের চেষ্টার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে। এ নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য ঘটনাটি কে আরো জটিল করে তুলেছে। জানা গেছে, সাবরাং ইউনিয়নের চান্ডলী পাড়া গ্রামের নুর আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (২৪) ও পার্শ্ববর্তী আবুল কালামের মেয়ে ছেনুয়ারা বেগম (২৩) ১৪ জুলাই রাত্রে ঘর হতে বের হয়ে কক্সবাজার পাড়ি জমায়। এ ঘটনায় কনে পড়্গ ১৮ জুলাই কক্সবাজার মডেল থানায় এ সংক্রানত্ম একটি অভিযোগ দায়ের করে। এ প্রেড়্গিতে পুলিশের এ এস ্আই আমির হেল্প ডেস্ক নং ৩৪০৮ মুলে ১৮ জুলাই বে-এম্পেয়ার হোটেলের ৩১৩ নং কড়্গে এদের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযানে গেলে রম্নমে অবস্থানরত আবদুর রহিম ও ছেনুয়ারা বেগম পুলিশকে তারা উভয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক ও বিবাহর উদ্দেশ্যে পালিয়ে এসেছে বলে ¯^xKvi করে। পরদিন ১৯ জুলাই কক্সবাজার জেলা সদর কাজী অফিসে ৪ লড়্গ টাকা মোহরানা ধার্য্য করে ¯^vÿx‡`i উপস্থিতিতে নিকাহনামা সম্পাদন করে এরা। এরপর হতে উভয়ে ¯^vgx স্ত্রী হিসেবে হোটেল আল-আমিনে ২১ জুলাই পর্যনত্ম অবস্থান করে। এছাড়া বিয়ের বিষয়টি স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রচারও করে। এরপর আবদুর রহিম স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে হোটেল থেকে নামিয়ে সটকে পড়ে। এরপর থেকে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার বাড়ির সমস্যার কথা বলে এড়িয়ে যাওয়া চেষ্টা করে। এ নিয়ে ছেনুয়ারা বেগম বেকায়দায় পড়ে। পরবর্তীতে ¯^vgx‡K ফিরে পেতে সংশিস্নষ্ট প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। ছেনুয়ারা বেগম জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন প্রেমের সম্পর্কের পর কক্সবাজার গিয়ে পালিয়ে বিয়ে করি। কিন্তু অভিভাবকদের চাপে ¯^vgx এখন আমার আর খবর নিচ্ছেনা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবদুর রহিম কক্সবাজার সরকারী কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র। আর্থিক ভাবে এলাকায় সচ্ছল এদের পরিবার। অপরদিকে ছেনুয়ারা বেগমের পিতা স্থানীয় গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)। আর্থিক ভাবে তত ¯^”Qj নয়। তাদের পালিয়ে বিয়ে করার এ ঘটনায় বর পড়্গের লোকজন মেনে নিতে পারেনি এমন অভিযোগ কনে পড়্গের। এদিকে আবদুর রহিম পালিয়ে বিয়ে করার কথা ¯^xKvi করে। তবে সম্প্রতি স্ত্রীকে তালাকনামা প্রেরণ করেছে বলে জানান। পালিয়ে বিয়ে অতঃপর তালাক প্রদানের ঘটনাটি এলাকায় বেশ জোরেসোরে আলোচিত হচ্ছে।
0 Comments