মহেশখালীতে পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় ঘর ছাড়তে হল ৫ সন্তানের জননীকে।
আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী:
এক মৌলভীর পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় ঘরছাড়া করল ৫ সন্তানের জননীকে। এই হতভাগী জননীর নাম হুমাইরা খানম(৩২),পিতা নাছির উদ্দিন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সকালে উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নে।
ঘটনার বিবরন ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, বিগত ১৫ বছর আগে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের র্পূব হন্দার বিল গ্রামের মৃত মাইজ্জা মিয়ার পুত্র হাফেজ আক্তার হোসাইনের সাথে ইসলামি শরিয়ত মতে ২লক্ষ টাকা দেন মোহর ধায্য করে কাবিন নামা মুলে বিবাহ হয়। এদিকে হতভাগ্য হুমাইরা জানান,তার স্বামী হাফেজ আকতার হোসেনের সাথে গোরকঘাটা এলাকার তফরি নামে এক মেয়ের র্দীঘ দিনের প্রেমের সর্ম্পক ছিল যার কারনে বিবাহের ৩ মাস পর থেকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাকে শারিরীক ও মানষিকভাবে নির্যাতন শুরু করে এবং বাপের বাড়ী থেকে যৌতুক এনে দিতে বলে। এমনকি গলায় গামছা পেছিয়ে ফাসঁ দেওয়ার চেষ্টা পর্যন্ত চালায়। স্বামীর শত অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করে অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে র্দীঘ ১৫ টি বছর পার করে দেন। তাদের সংসারে ৫ টি সন্তান রয়েছে। সর্বশেষ গত ঈদের পরের দিন পুনরায় ওই পাষন্ড স্বামী নামধারী আকতার হোসেনের সাথে অন্য একটি মেয়ের মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর সাথে কথা কাটা কাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী,ভাসুর ও বাড়ীর লোকজনেরা মিলে হুমাইরাকে ব্যাপক মারধর করে চুল ধরে টেনে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে ৫ সন্তানের জননী হুমাইরা ন্যায বিচারের আশায় প্রশাসনের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অপরদিকে নারী লোভী সু চতুর মৌলভী আকতার হোসেন তার পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় হুমাইরাকে পর পরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কের অযুহাত দেখিয়ে তালাক দেওয়ার ঘোষনা দেয়। এবং হুমাইরা ও তা পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এ বিষয়টি নিয়ে সমগ্র মাতারবাড়ীতে আলোচনার ঝড় উঠেছে। এ ঘটনার ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি(তদন্ত) তৌহিদ কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হুমাইরা নামে একটি ৫ সন্তানের জননী স্বামীর পরকিয়া প্রেমে বাধা প্রদান ও যৌতুকের দাবী পুরন করতে অপরাগত প্রকাশ করায় তার স্বামী ও ভাসুর কর্তৃক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ৯ জনকে আসামী করে একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টির ব্যাপারে গতকাল এলাকায় গিয়ে প্রাথমিক ভাবে তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় অভিযোগটিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এবং স্বামী আকতার হোসেন মামলা থেকে বাচার জন্য একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান।

0 Comments