Advertisement

এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সবুজ বেষ্টনীর গাছ নিধনের অভিযোগ

এম. রায়হান চৌধুরী, পেকুয়া: পেকুয়া উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে জমি জবরদখল ও  উপকূলীয় বনবিভাগের সৃজিত সবুজ বেষ্টনীর গাছ কেটে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জাহেরুল ইসলাম জাহেদ সম্প্রতি সিকদার ঘোনা বেড়িবাঁধের উপর উপকূলীয় বনবিভাগের ১৯৯৬ সালে সৃজিত সবুজ বেষ্টনীর
 বিভিন্ন রকমের বিপুল সংখ্যক গাছ রাতের আঁধারে ৪/৫ জন লোক নিয়োগ করে কেটে নিয়ে গেছে। ওই মেম্বারের নেতৃত্বে গত কয়েকদিন ধরে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে গাছকাটা অব্যাহত থাকায় এলাকাবাসীরা বাঁধা দিলে ওই ইউপি মেম্বার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাদের নানা হুমকি দিয়ে চলছে। এছাড়াও ওই ইউপি মেম্বার প্রভাবশালী হওয়ায় তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকার কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস করেনা। ১৭সেপ্টেম্বর শনিবার বিকালে ওই এলাকায় সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা মেম্বারের বিরুদ্ধে নানা অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে জানান, ওই ইউপি মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে জুয়ার আসর বসিয়ে রমরমা বানিজ্য চালিয়ে গেলেও এ অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। সবুজ বেষ্টনীর গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে উপকূলীয় বনবিভাগের মগনামা বনবিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আকতার হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ রক্ষায় সবুজ বেষ্টনীর গাছ রোপণ করেছে বনবিভাগ। কেউ যদি গাছ কেটে থাকে তারা যতই প্রভাবশালী হউক না কেন তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিম, সোহেল, আবুল জলিল, হাসেম, আবুল হোছাইনসহ আরো একাধিক ব্যক্তি জানান, ওই ইউপি মেম্বার জবরদখল কর্মকান্ডসহ এলাকায় নানা অপকর্ম সংঘটিত করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। বিভিন্ন সূত্রের দাবী, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা বহু অপকর্মের অভিযোগ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে রয়েছে। এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ওই ইউপি মেম্বারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

Post a Comment

0 Comments