আবদুর রহিম সেলিম:
উখিয়ার রতাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া তুলাতলী সড়কে রাস্তার বিছানো ইট গুলো স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বহু মামলার আসামী বাহাদুর (২৭) সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের সদস্য নিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতাধীন ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে রতাপালং ইউনিয়নে ভালুকিয়া তুলাতলী বিডিআর ক্যাম্প সড়কটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে। সম্প্রতি স্থানীয় প্রভাবশালী বহু মামলার আসামী সন্ত্রাসী বাহাদুরের নেতৃত্বে গত ৩০ আগষ্ট রাত আড়াই টায় সংঘবদ্ধ চোরের দল রাস্তার বিছানো ৩ হাজার ইট তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী হাতে নাতে গাড়ী ভর্তি ইট সহ বাহাদুর কে আটক করে ভালুকিয়াস্থ হারুন মার্কেটে নিয়ে আসা হয়। এ সময় রতাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি যুব নেতা ফরিদুল আলম খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানার ওসি নিয়াজ মোহাম্মদ কে মোবাইল ফোনে ঘটনার বিষয়ে অবগত করে তাঁর সহযোগীতা চান। পুলিশের ওসি নিয়াজ মোহাম্মদ বিষয়টি আমলে নিয়ে থানার দারোগা মকবুলকে ঘটনাস্থলে পাঠান। কিন্তু সুচতুর দারোগা মকবুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শত শত এলাকার লোকজনের স্বার্থের পরিপন্থি হয়ে চোরের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থানায় হাজির করার শর্ত সাপেক্ষে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের জিম্মায় দেওয়া হয়। পরে থানায় উভয় পক্ষকে ডেকে শালিস বৈঠকের জন্য দারোগা মকবুলকে নির্দেশ দেন ওসি। কিন্তু সন্ত্রাসীরা থানা পুলিশের আইনকে তোয়াক্কা না করে আরো বেপরোয়া হয়ে প্রতিনিয়ত রাস্তার ইট চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াতের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুভোর্গ পোহাচ্ছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের অভিযোগ, থানার দারোগা মকবুলের রহস্যজনক তদন্তের কারণে প্রকৃত রাস্তার ইট চোরেরা আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। যুবলীগ নেতা ফরিদুল আলম জানান, বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ইতিমধ্যে একটি মহল এলাকায় অসমাজিক কার্যলাপ সহ রাস্তার ইট গুলো তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এতে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি এলাকার আইন শৃংখলার উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

0 Comments