কালাম আজাদ,কক্সবাজার: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বীচের লাবনী পয়েন্ট থেকে রাশেদুল ইসলাম(২০) নামের এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে
পুলিশ। শুক্রবার বিকালে সি-বীচের ডায়বেটিস হাসপাতাল পয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার মো.কামাল বাদী হয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে ৩ জনকে আসামী করে কক্সবাজার মডেল থানায় এজাহার দায়ের করে। এজাহারের ভিত্তিতে কক্সবাজার শহরের সাহিত্যিকা পল্লী এলাকার আবু মুসার পুত্র রাশেদুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। এজাহার সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার ঈদগড় পাইন্যাস্যা ঘোনা গ্রামের মো.ইকবালের পুত্র কামাল(১৯) বন্ধুবান্ধব নিয়ে গত শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যায়। ডায়বেটিকস হাসপাতাল পয়েন্টস্থ সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ কালে হঠাৎ ৩/৫জনের ছিনতাইকারীদল তাকে কিল ঘুষি দিয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসেট,নগদ ৩হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাই করে পালানোর কালে রাশেদুল ইসলাম নামের এক ছিনতাইকারীকে ধরে রাখে কামাল। এ সময় রাশেদুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে ব্যাপক মারধর করে। তারপরেও কামাল ছেড়ে না দিয়ে টুরিষ্ট পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে রাশেদুল ইসলামকে আটক করে কক্সবাজার মডেল থানায় সোপর্দ করে। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার বিকালে কক্সবাজার মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, ধৃত ছিনতাইকারী রাশেদুল ইসলামকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য এক ধরণের কুচক্রী মহল জোর লবিং চালাচ্ছে বলে ছিনতাইয়ের শিকার কামাল ও এলাকার চেয়ারম্যান আবদুল করিম অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে রশিদ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান(০১৮১৯৩৬০৪৭০)নাম্বারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার এলাকার ছেলে কামাল ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পর আমাকে খবর দিলে থানায় গেলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পুলিশ চেষ্টা চালায়। তিনি ছিনতাইকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। এ ব্যাপারে কক্সবাজার মডেল থানার ওসি বদরুল আলম মজুমদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। আমরা উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে রাশেদ নামের সবকিছু যাচাই করে জানা যায় সে আসলে ছিনতাইকারী টাইপের ছেলে।

0 Comments