Advertisement

ফলো আপ: পেকুয়ার কাজের ছেলেকে নির্মমভাবে পিঠিয়ে হত্যার পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট পেশ

রিয়াজ উদ্দিন,পেকুয়া: 
ককসবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়া গ্রামের এক কাজের ছেলেকে গৃহবধূ কর্তৃক মাথায় কুপিয়ে ও শরীরের ষ্পর্শকাতর জায়গায় আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করার পোষ্ট মর্টেমের রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। সপ্তাহ খানেক আগে ঐ পোষ্ট মর্টেমের রিপোর্ট চট্রগ্রামের পাচলাইশ থানায়
 পেকুয়া থানা থেকে চট্রগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার জড়িত থাকায় ৫ জনকে ঐ দিন গ্রেফতার করা হয়েছিল। জানা যায়, হত্যাকারী গৃহবধু হাবিবা সোলতানা শিরিন তার মা খালাত ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ৭ জুন সন্ধ্যার দিকে হতভাগা ছেলেটি ডায়রিয়ায় মারা গেছে বলে চট্রগ্রাম থেকে একটি এম্বুলেন্সে করে ৮ জুলাই সাড়ে ১১টার দিকে পেকুয়ার নন্দীরপাড়া গ্রামে শওকত হোসেনের(১০) লাশ নিয়ে আসলে এক হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন স্থানীয় লোকজন ছেলের শরীরে বেধড়ক মারধরের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে ওই গৃহবধু ও তার আত্মীয় স্বজনকে আটকে রেখে পেকুয়া থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নন্দীরপাড়া গ্রামে গিয়ে হত্যাকারী মহিলাসহ ওই ছেলের লাশ নিয়ে থানায় নিয়ে আসে। সেখানে পেকুয়া থানার এস,আই আবদুল কাদির নিহত ছেলের সুরতহাল রিপোর্ট সংগ্রহ করে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি ককসবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানা। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ছেলেটিকে বিগত ১১ মাস আগে প্রথমে গৃহবধু হাবিবা সোলতানার মা সাজেদা বেগমের টইটং ইউনিয়নের নাপিতখালীর বাসায় কাজের ছেলে হিসেবে নিয়েছিল। সেখান থেকে নিজ মেয়ে হাবিবা সোলতানার চট্রগ্রামের হামজারবাগের বাসায় কাজের ছেলেটিকে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের ধারণা ছেলেটি গৃহবধু হাবিবা সোলতানা শিরিন কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছে। থানা সূত্রে জানা গেছে ছেলেটি ৭ জুন মারা যায়নি। অন্ত আরো দু তিন দিন আগে মারা গেছে। এত দিন তাকে ফ্রিজের ভিতর রাখা হয়েছিল বলে লাশটি দেখে ধারনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছেলেটিকে যে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে তা পোষ্ট মর্টেম রিপোর্টের মাধ্যমে প্রমাণ পেয়েছে। রিপোর্টটি যতœসহকারে পাচলাইশ থানা ওসির নিকট পাঠানো হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments