বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে আসছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিএনপি’র পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম শাহআমানত আন্তজার্তিক বিমানবন্দরে তাকে ব্যাপক সংবর্ধনা
দেওয়ার প্রস্তুুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইফতারের পর আয়োজন করা হবে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান।
আজ শুক্রবার চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে’র জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করবেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন এই ইফতারের মাহফিলে রাজনীতবিদসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে ঈদ পরবর্তী এক দফা আন্দোলনের কর্মসূচীর রুপরেখা চট্টগ্রামবাসীর সামনে উপস্থাপন করবেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
এই ইফতার মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আহবায়ক উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের প্রথম চট্টগ্রাম আগমনে উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপিসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
সকাল ১১টায় বিমানবন্দরে চট্টগ্রাম বিএনপি’র সিনিয়র নেতা ও পেশাজীবী নেতারা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্বাগত জানাবেন। এর পর মোটর শোভাযাত্রা সহকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চট্টগ্রামে ক্লাবে নিয়ে আসা হবে। মোটর বহরে থাকবে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল ও দুইশো মাইক্রোবাস।
অনুষ্ঠানের প্রচার কমিটির আহবায়ক বেলায়েত হোসেন আরও জানান, ইফতার মাহফিল ও অনুষ্ঠানের জন্য রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, সংস্কৃতিকমীসহ চট্টগামের সর্বস্তরের প্রায় পাঁচ হাজার অতিথিকে দাওয়াত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি নিমন্ত্রণের চেয়ে বেশি লোকের সমাগম হবে। সেজন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইফতারের পর শুরু হবে মেজবান। এজন্য ছয়টি গরুর সমপরমিাণ মাংস কেনা হবে।
নগর বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী আামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, উত্তর জেলা সভাপতি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল পাশা এমপিসহ অঙ্গসংগঠনের সিনিয়র নেতারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে মির্জা ফখরুলের চট্টগ্রাম আগমনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে। এই ইফতার মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
ইফতার মাহফিলের জন্য জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে চলছে বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ। মঞ্চে বিএনপি, চারদলীয় জোটসহ সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬০জন নেতার বসার ব্যবস্থা থাকবে।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন এই ইফতারের মাহফিলে রাজনীতবিদসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে ঈদ পরবর্তী এক দফা আন্দোলনের কর্মসূচীর রুপরেখা চট্টগ্রামবাসীর সামনে উপস্থাপন করবেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
এই ইফতার মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আহবায়ক উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের প্রথম চট্টগ্রাম আগমনে উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপিসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
সকাল ১১টায় বিমানবন্দরে চট্টগ্রাম বিএনপি’র সিনিয়র নেতা ও পেশাজীবী নেতারা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্বাগত জানাবেন। এর পর মোটর শোভাযাত্রা সহকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চট্টগ্রামে ক্লাবে নিয়ে আসা হবে। মোটর বহরে থাকবে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল ও দুইশো মাইক্রোবাস।
অনুষ্ঠানের প্রচার কমিটির আহবায়ক বেলায়েত হোসেন আরও জানান, ইফতার মাহফিল ও অনুষ্ঠানের জন্য রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, সংস্কৃতিকমীসহ চট্টগামের সর্বস্তরের প্রায় পাঁচ হাজার অতিথিকে দাওয়াত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি নিমন্ত্রণের চেয়ে বেশি লোকের সমাগম হবে। সেজন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইফতারের পর শুরু হবে মেজবান। এজন্য ছয়টি গরুর সমপরমিাণ মাংস কেনা হবে।
নগর বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী আামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, উত্তর জেলা সভাপতি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল পাশা এমপিসহ অঙ্গসংগঠনের সিনিয়র নেতারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে মির্জা ফখরুলের চট্টগ্রাম আগমনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে। এই ইফতার মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
ইফতার মাহফিলের জন্য জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে চলছে বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ। মঞ্চে বিএনপি, চারদলীয় জোটসহ সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬০জন নেতার বসার ব্যবস্থা থাকবে।
এছাড়া ইফতার মাহফিল ও মেজবান অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা বা খাবার নিয়ে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য তিনশো দলীয় স্বেচ্ছা সেবক কাজ করবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ আগস্ট নগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে কর্মীদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এছাড়া এর আগেও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে বিএনপি’র ও বিভিণœ অঙ্গ সংগঠনের সমাবেশ এবং অনুষ্ঠানে কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, গত ১১ আগস্ট নগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে কর্মীদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এছাড়া এর আগেও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে বিএনপি’র ও বিভিণœ অঙ্গ সংগঠনের সমাবেশ এবং অনুষ্ঠানে কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে উত্তর জেলা বিএনপি’রে সাধারণ সম্পাদক লায়ন আসলাম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, বড় কোন অনুষ্ঠান হলে কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি বা কমান্ড মানা নিয়ে হয়তো ছোটখাটো বিরোধ হয়। এ ধরনের অনুষ্ঠানে কর্মী পর্যায়ের এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তবে উত্তর জেলা বিএনপিতে কোন গ্রুপিং নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুক্রবারের অনুষ্ঠানে এ ধরনের কোন সংঘর্ষের আশঙ্কা করছিনা আমরা। ‘

0 Comments