
মোহাম্মদ রাশেদুল করিম, সদর:
কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পরিত্যক্ত ঘাট এলাকা দখল করে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রভাবশালী মহল জ্বালানী বাণিজ্য চালিয়ে আসলেও রহস্য জনক কারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় দিন দিন ওই মহলটির দৌরত্ম বৃদ্ধি পাওয়াতে পার্শ্ববর্তী এলাকা ও বেদখল হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার শহর তলীর নুনিয়াছড়া ফিশারীঘাট এলাকায় মৎস্য বিভাগের গড়ে তুলা জেলার সর্ববৃহৎ মৎস্য অবতরণ-রপ্তানী কেন্দ্রের ভবন এবং তৎসংলগ্ন মৎস্য অবতরনে ব্যবহৃত প্রধান ঘাটটির মেয়াদ উত্তির্ণ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অথচ প্রতিনিয়ত ঐ মৎস্য কেন্দ্র ও পার্শ্ববর্তী এলাকা দিয়ে দেশ বিদেশে কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ রপ্তানি হয়ে থাকে। এর পর ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ মেয়াদ উত্তির্ণ ভবনটি পূনঃ নির্মাণ এবং ঘাটটি সংস্কারের উদ্যেগ না নেয়ায় সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা দৈনিক ফাঁকি দিচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব । দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ স্থানটির বেহাল দশা দেখে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট ঘাট এলাকায় অবৈধ ভাবে তৈল বাহী ট্যাংকার বোট বসিয়ে জ্বালানী বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে মৎস্য আহরণে নিয়োজিত বোট গুলিকে এক প্রকার বাধ্য হয়ে উচ্চ মূল্যে জ্বালানি ক্রয় করতে হয়। বছরের পর বছর মহলটি এ অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ওই বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। সচেতন লোকজন এর পিছনে রহস্যজনক কোন কারণ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন। মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলে ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবী ঐতিহ্যবাহী ওই মৎস্য কেন্দ্রটি পুনঃ নির্মাণ পূর্বক অবৈধ ভাবে পরিত্যক্ত ঘাট এলাকা দখল করে জ্বালানী ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সরকারী কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
0 Comments