দীপন বিশ্বাস, উখিয়া:
ঈদের কেনা-বেচার ব্যস্ততায় ও ব্যবসায়ীদের তাড়া হুড়োর ফাঁকে উখিয়া-টেকনাফের সর্বত্র জাল টাকা তৈরীর কারবারিরা
মিশন নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে। তাদের টার্গেট বিভিন্ন মার্কেট, ব্যাংক, বীমা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
বিশেষ করে সহজ সরল সাধারণ মানুষ জাল টাকার কারবারিদের নিয়োগকৃত এজেন্ট ধারা প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়তই। সূত্র জানায়, বিভিন্ন নোটের পাশাপাশি চক্রটি পাঁচ’শ, এক হাজার টাকার জাল নোট নিয়ে মাঠে সক্রিয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারীর পাশাপাশি লেনদেনকারীদেরও নোট দেখে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ব্যাংক গুলো। সম্প্রতি উখিয়া সদরের একটি মার্কেটের ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে জনৈক মহিলা ক্রেতা বারশ টাকার পণ্য কিনে একটি এক হাজার ও দুইটি এক’শ টাকার নোট পরিশোধ করে। পরবর্তীতে ষ্টোর মালিকের সন্দেহ হলে টাকাটি পরীক্ষার জন্য স্থানীয় পূবালী ব্যাংক লিঃ এর নিকট নিয়ে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এক হাজার টাকার নোটটি জাল সনাক্ত করে ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবিরকে জানান। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা হওয়ায় সরবরাহকৃত জাল টাকা গুলোর মধ্যে এক হাজার এবং পাঁচ’শ টাকার নোটই বেশী। বিশেষ করে ২০০৪ সালে মুদ্রিত এক’শ টাকা এবং পাঁচ’শ টাকা নোটের হুবুহু জাল করছে মুদ্রা জালকারী চক্রটি। এক ধরণের ক্যামিকেল ব্যবহারের মাধ্যমে এক’শ টাকার নোটের উপরের ছাপা অংশ দিয়ে সহজেই পাঁচ’শ টাকার নোটের ছাপ দিয়ে তা বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোট ব্যাপক হারে জাল হয়ে সর্বত্র কৌশলে মুদ্রা নকলকারীরা ছড়িয়ে দিচ্ছে। জাল টাকার কারবারিরা টার্গেট রেখেছেন রজমান মাস ও ঈদ। এ সময় সাধারণ মানুষ টাকা বেশি খরচ করেন। ব্যাংকেও লেনদেন হয় বেশি। ফলে মানুষ টাকা দেখে নেয়ার ব্যাপারে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। তাছাড়া সরকারী ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান জাল টাকার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির কোন কার্যক্রম উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় চোখে পড়েনা। ফলে সাধারণ মানুষ জাল টাকার কারবারিদের খপ্পরে পড়ে বিপদে পতিত হচ্ছে পাশাপাশি তারা আতংখিতও। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় এবং উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের দমদমিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থাকার ফলে ক্যাম্প ভিত্তিক জাল টাকা তৈরীর চক্র অনেক দিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। গত ২/১ বছরে উক্ত ক্যাম্প হতে জাল টাকা তৈরীর সরঞ্জাম সহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
মিশন নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে। তাদের টার্গেট বিভিন্ন মার্কেট, ব্যাংক, বীমা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
বিশেষ করে সহজ সরল সাধারণ মানুষ জাল টাকার কারবারিদের নিয়োগকৃত এজেন্ট ধারা প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়তই। সূত্র জানায়, বিভিন্ন নোটের পাশাপাশি চক্রটি পাঁচ’শ, এক হাজার টাকার জাল নোট নিয়ে মাঠে সক্রিয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারীর পাশাপাশি লেনদেনকারীদেরও নোট দেখে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ব্যাংক গুলো। সম্প্রতি উখিয়া সদরের একটি মার্কেটের ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে জনৈক মহিলা ক্রেতা বারশ টাকার পণ্য কিনে একটি এক হাজার ও দুইটি এক’শ টাকার নোট পরিশোধ করে। পরবর্তীতে ষ্টোর মালিকের সন্দেহ হলে টাকাটি পরীক্ষার জন্য স্থানীয় পূবালী ব্যাংক লিঃ এর নিকট নিয়ে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এক হাজার টাকার নোটটি জাল সনাক্ত করে ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবিরকে জানান। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা হওয়ায় সরবরাহকৃত জাল টাকা গুলোর মধ্যে এক হাজার এবং পাঁচ’শ টাকার নোটই বেশী। বিশেষ করে ২০০৪ সালে মুদ্রিত এক’শ টাকা এবং পাঁচ’শ টাকা নোটের হুবুহু জাল করছে মুদ্রা জালকারী চক্রটি। এক ধরণের ক্যামিকেল ব্যবহারের মাধ্যমে এক’শ টাকার নোটের উপরের ছাপা অংশ দিয়ে সহজেই পাঁচ’শ টাকার নোটের ছাপ দিয়ে তা বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোট ব্যাপক হারে জাল হয়ে সর্বত্র কৌশলে মুদ্রা নকলকারীরা ছড়িয়ে দিচ্ছে। জাল টাকার কারবারিরা টার্গেট রেখেছেন রজমান মাস ও ঈদ। এ সময় সাধারণ মানুষ টাকা বেশি খরচ করেন। ব্যাংকেও লেনদেন হয় বেশি। ফলে মানুষ টাকা দেখে নেয়ার ব্যাপারে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। তাছাড়া সরকারী ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান জাল টাকার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির কোন কার্যক্রম উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় চোখে পড়েনা। ফলে সাধারণ মানুষ জাল টাকার কারবারিদের খপ্পরে পড়ে বিপদে পতিত হচ্ছে পাশাপাশি তারা আতংখিতও। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফ মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় এবং উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের দমদমিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থাকার ফলে ক্যাম্প ভিত্তিক জাল টাকা তৈরীর চক্র অনেক দিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। গত ২/১ বছরে উক্ত ক্যাম্প হতে জাল টাকা তৈরীর সরঞ্জাম সহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।


0 Comments