চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে পুলিশের নির্যাতনে ও ধাওয়া খেয়ে নদীতে পড়ে নুরুল আবছার (৩৮) নামের এক কৃষক নিখোঁজ হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযানের নামে বহিরাগত দূর্বৃত্তদের সহায়তায় ওই কৃষকের বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট করেছে অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি খেললেও এলাকার শতশত মানুষ ওই কৃষকের নিখোঁজের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী করেছেন। নিখোঁজ কৃষকের স্ত্রী সাজেদা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী ১৮আগষ্ট তার মেয়ে তৈয়বা বেগমের বিয়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে একই ইউনিয়নের মৃত করিম দাদের পুত্র আমানত খাঁ’র সাথে।
ইতিমধ্যে বিয়ের কাবিননামা সম্পাদন করে স্বর্ণালংকারসহ বেশ কিছু মালামাল ক্রয় করেছেন। সাজেদা বেগম অভিযোগ করেছেন, মেয়ের হবু বর আমানত খাঁ পার্শ্বের আরেক বাড়িতে আসা যাওয়া করায় তাকে মেয়ে বিয়ে দেবেনা বলে জানিয়ে দেয়। এঘটনার জের ধরে ১২আগষ্ট সন্ধ্যায় মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের আইসি উপপরিদর্শক জামিরুল ইসলামকে ম্যানেজ করে পুলিশের একটি দল দূর্বৃত্তদের সহায়তায় তার বাড়িতে ঢুকে আসামী গ্রেফতারের নামে লুটপাট চালায়। এসময় তার স্বামী কৃষক নুরুল আবছারকে ধরে নিয়ে পুলিশ অমানষিক নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে পুলিশের মারধরে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে তাকে ফেলে দেয়া হয় বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাতামুহুরী নদীতে। ঘটনার পর গতকাল শনিবার বিকাল পযর্ন্ত কৃষক নুরুল আবছারের কোন হদিস পায়নি বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী। নিখোঁজ কৃষকের স্ত্রী দাবী করেছেন, অভিযানের সময় পুলিশের সাথে মেয়ের হবুবর আমানত খাঁ, বহিরাগত দূর্বৃত্ত ও পুলিশের সোর্স সোহেল, জুবেল, কালু, শামশুল আলম, ওবাইদুর রহমান ও মনু আলমসহ আরো বেশ ক’জন বাড়িতে ঢুকে লুটপাটে অংশ নেয়। লুটপাটের সময় দূর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে দুই ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ওই সময় বাধা দেয়ায় দূর্বৃত্তরা তাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন সাজেদা বেগম। ঘটনার বিষয়ে উপপরিদর্শক জামিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একজন গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী ওই বাড়িতে অবস্থানে থাকার সংবাদ পেয়ে অভিযান করেছেন। লুটপাট ও কৃষক নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশের কোন সম্পৃক্ত নেই বলে দাবী করেন তিনি। একই ঘটনায় কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার জানিয়েছেন, এরকম একটি ঘটনা শুনেছি। তবে হয়ে থাকলে বিষয়টি পুলিশের ব্যাপার। এঘটনার পর কোনাখালী ইউনিয়নে লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন।
এ নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি খেললেও এলাকার শতশত মানুষ ওই কৃষকের নিখোঁজের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী করেছেন। নিখোঁজ কৃষকের স্ত্রী সাজেদা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী ১৮আগষ্ট তার মেয়ে তৈয়বা বেগমের বিয়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে একই ইউনিয়নের মৃত করিম দাদের পুত্র আমানত খাঁ’র সাথে।
ইতিমধ্যে বিয়ের কাবিননামা সম্পাদন করে স্বর্ণালংকারসহ বেশ কিছু মালামাল ক্রয় করেছেন। সাজেদা বেগম অভিযোগ করেছেন, মেয়ের হবু বর আমানত খাঁ পার্শ্বের আরেক বাড়িতে আসা যাওয়া করায় তাকে মেয়ে বিয়ে দেবেনা বলে জানিয়ে দেয়। এঘটনার জের ধরে ১২আগষ্ট সন্ধ্যায় মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের আইসি উপপরিদর্শক জামিরুল ইসলামকে ম্যানেজ করে পুলিশের একটি দল দূর্বৃত্তদের সহায়তায় তার বাড়িতে ঢুকে আসামী গ্রেফতারের নামে লুটপাট চালায়। এসময় তার স্বামী কৃষক নুরুল আবছারকে ধরে নিয়ে পুলিশ অমানষিক নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে পুলিশের মারধরে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে তাকে ফেলে দেয়া হয় বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাতামুহুরী নদীতে। ঘটনার পর গতকাল শনিবার বিকাল পযর্ন্ত কৃষক নুরুল আবছারের কোন হদিস পায়নি বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী। নিখোঁজ কৃষকের স্ত্রী দাবী করেছেন, অভিযানের সময় পুলিশের সাথে মেয়ের হবুবর আমানত খাঁ, বহিরাগত দূর্বৃত্ত ও পুলিশের সোর্স সোহেল, জুবেল, কালু, শামশুল আলম, ওবাইদুর রহমান ও মনু আলমসহ আরো বেশ ক’জন বাড়িতে ঢুকে লুটপাটে অংশ নেয়। লুটপাটের সময় দূর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে দুই ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ওই সময় বাধা দেয়ায় দূর্বৃত্তরা তাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন সাজেদা বেগম। ঘটনার বিষয়ে উপপরিদর্শক জামিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একজন গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী ওই বাড়িতে অবস্থানে থাকার সংবাদ পেয়ে অভিযান করেছেন। লুটপাট ও কৃষক নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশের কোন সম্পৃক্ত নেই বলে দাবী করেন তিনি। একই ঘটনায় কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার জানিয়েছেন, এরকম একটি ঘটনা শুনেছি। তবে হয়ে থাকলে বিষয়টি পুলিশের ব্যাপার। এঘটনার পর কোনাখালী ইউনিয়নে লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন।


0 Comments