নয়ন কক্স নিউজ ডেস্ক:
কক্সবাজার
জেলায় ঈদ ও পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে বাবার উপর ভাসছে পুরো জেলা
পাশাপাশি চলছে মজুদ। বাবার ব্যবসায় ব্যাপক লাভের আসায় জেলার যুবক-যুবতীরা
সহ প্রবীণদের দৌড়ধাপ আরো বেশী। বাবার পিছনে ছুটছে ওরা। প্রিয় সতেচন মহল
ও পাঠক বুঝতে কষ্ট হচ্ছে এ বাবা মানবজাতির বাবা নয়। কিন্তু এ বাবার পিছনে ছুটছে মানব জাতি। মাদক রাজ্যে ইয়াবার সাংকেতিক নাম হচ্ছে বাবা। ইয়াবা এখন পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জন্য হট আইটেম। কক্সবাজার জেলাই ঈদের পরপর হবে লক্ষ পর্যটকদের মিলন মেলা তাই এ বাবার এত কদর। মাদক জগতে ফেনসিডিলকে হটিয়ে দিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে ইয়াবা। মাদকাসক্ত তরুণ-তরুণীর প্রথম পছন্দ এখন এই ইয়াবা পাশাপাশি প্রবীণদেরও। এটি শুধু যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট হিসাবেই নয়, এখন এর সেবন চলছে হেরোইন স্টাইলেও। মাদকসেবীরা সিগারেটের খালি প্যাকেট থেকে পারদের প্রলেপযুক্ত কাগজটি বের করে তার সাহায্যে এটি সেবন করে বলে জানা যায়। তাছাড়া ৪-৫ টি ইয়াবা ট্যাবলেট গুড়ো করে এর ওপর রেখে নিচে হালকা ভাবে আগুনের তাপ দিয়ে তা সেবন করা যায়। এ সময় ধোঁয়া বের হলে তারা তা হেরোইন স্টাইলে মুখে পাইপ দিয়ে টেনে নিয়ে নেশা করে। কক্সবাজার শহরে ইয়াবা সহজলভ্য বেশী ও শীর্ষস্থানে। হাত বাড়ালেই চোখের ইশারায় পাওয়া যাচ্ছে ভয়ানক এই নেশার আইটেম। জেলায় মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে পুরো কক্সবাজার জেলার চাহিদা মিটাতে বিভিন পয়েন্টে তা পাওয়া যাচ্ছে যথাক্রমে-বৌধমন্দির ,কলাতলী,বাসটার্মিনাল, আলীরজাঁহাল, দক্ষিণ রুমালি ছড়া, টেকনাফ পাহাড়,পাহাড়তলীসহ ৪০টিরও বেশি মাদক স্পট ছাড়াও উপজেলাতেও বিক্রি হয় ইয়াবা। তাছাড়া শহরের প্রায় আবাসিক হোটেল -মোটেলেও পাওয়া যায় মরণ নেশা ইয়াবা। যেসব আবাসিক কক্সবাজার উন্নয়নের নাম ধারী হোটেল-মোটেল, ফ্লাট , প্রপার্র্টিজ লিঃ ও ডেভেলারপারের বিভিন্ন স্থানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় সেখানেই ইয়াবা সেবন চলে এছাড়া ঝুপড়ি বাড়ি-ঘরে আরো বেশী। বিভিন্ন মাদক স্পটে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি হোটেল-মোটেলে প্রায় অর্ধশত সুন্দরী কলগার্ল ইয়াবা বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। ইয়াবা বিক্রেতার তালিকায় কিছু সুদর্শন তরুণ-তরুণী রয়েছে বলে জানা যায়। মাদক রাজ্যে ওই কলগার্লরা ইয়াবা সুন্দরী এবং তরুণরা ইয়াবা প্রিন্স বলে পরিচিত। একশ্রেণীর কক্সবাজার উন্নয়নের নাম ধারী হোটেল- মোটেল, প্রপার্র্টিজ লিঃ ও ডেভেলারপারের বিভিন্ন্ স্থানে ইয়াবা সুন্দরীরা এক ঢিলে দুই পাখিও মারে। অর্থাৎ ইয়াবা বিক্রির পাশাপাশি খদ্দেরের মনোরঞ্জনের জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিক্রি করে। প্রকৃত পক্ষে ধনীর বখে যাওয়া দুলালরাই ইয়াবা ক্রেতা ও কলগার্লদের খদ্দের। মাদক বিক্রেতা ও সুন্দরী কলগার্লদের কাছে তারা ইয়াবা রাজা-বাদশা বলে পরিচিত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরে এখন ইয়াবা সেবীর সংখ্যা অনেক বেশী এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণী রয়েছে। সেই সাথে সেবনকারীদের তালিকায় আছে বড় ছেলেওয়ালা ব্যক্তি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অনেক কিশোর ও তরুণও। অপরদিকে এসব কাজে বেশী সহযোগিতা করছে প্রবীন ব্যক্তি ও ডেভেলারপার কোম্পানী কারণ খতিয়ে দেখা যায়, বড় বা মধ্যবিত্ত লোকের সন্তানদের এ নেশার জগতে ঢোকাতে পারলে লাভ । তারপর উক্ত সন্তানদের ভাল করতে তাদের পিতা-মাতাদের শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। দেখা যায় সন্তান ভাল করতে অনেক টাকা প্রযোজন এরমধ্যে ভাল সেজে আসে ওই কোম্পানী গুলো। জেলায় দেশি-বিদেশি দুধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়। এগুলোর নাম আবার বিচিত্র। নামগুলো হলো- চম্পা, চম্পা সুপার, আর ৭০, আর ৮০, আর ৯০, জিপি, ঝাকানাকা, ডাব্লিউ ওয়াই, এনসিআরএস, ডাব্লিউ এক্স প্রভৃতি। মূলত: চম্পা, চম্পা সুপার, ঝাকানাকা নামের এসব ইয়াবা নকল ও ভেজাল। এগুলো মাদক কারবারী চক্র দেশেই তৈরি করে বাজার জাত করে। তবে মায়ানমার, ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে চোরা পথে যেসব ইয়াবা বাংলাদেশে ঢুকে সেগুলো আসল তবে ক্ষতিকর। সূত্রে আরও জানা যায়, জেলায় দেশি ভেজাল ও নকল, গোলাপী রং এর ইয়াবা প্রতিপিস ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা ও মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিদেশি ইয়াবার প্রতি ঝোঁক বেশি ধনির বখে যাওয়া তরুণ-তরুণীদের। যে দামেই হোক, তারা তা সংগ্রহ করে নিয়মিত সেবন করছে খবর পাওয়া যায়। ইয়াবার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকছে দিন রাত । সমাজের তথাকথিত ভদ্র লোক, রাজনৈতিক দলের মুখোশপরা নেতাকর্মি ও ধর্মের লেবাসধারী কেউ কেউ ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা যায়। জেলায় মাদক রাজ্যে দেশি-বিদেশী যেসব ইয়াবা পাওয়া যাচ্ছে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। চিকিৎসকরা জানান, ইয়াবা সেবনের আরেক নাম মরণ। অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনে যুব সমাজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ইয়াবা নামের এই মাদক সেবনে দ্রুত কিডনি বিকল, মস্তিষ্কের নার্ভের কার্যক্ষমতা হ্রাস, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বাধাগ্রস্ত, শ্বাসনালিতে ক্ষত ও ফুসফুসে ছিদ্র হয়। তাই এই নেশা করলে নিশ্চিত মৃত্যু। এনসিআরএস নামের লাল রঙের ইয়াবা মায়ানমার ও ভারত থেকে আসে। আর ডাব্লিউ ওয়াই ইয়াবা আসে থাইল্যান্ড থেকে। উল্লেখ্য, প্রায় প্রতিরাতেই শুধু মায়ানমার থেকেই নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে আসে লাখলাখ পিস ইয়াবা এবং তা সারা বাংলাদেশে প্রচার হয়। এরপর জেলার চাহিদা মিটিয়ে সেই ইয়াবার একটি বড় অংশ ঘুরে আসে সারাদেশ। এদিকে চিকিৎসকরাও এখন নিয়মিত ইয়াবা সেবন করছে বলে জানা যায়। অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও রাজনৈতিক কিছু ব্যক্তিকে সময়মত মোটা অংকের টাকা দিয়ে আসছে উক্ত কাজে লিপ্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আপনাদের সহযোগিতায় কক্সবাজারের সুন্দর পরিবেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন সতেচন মহল । একটু সু-দৃষ্টি দিলে কক্সবাজার বাসী উপকৃত হবে।
ও পাঠক বুঝতে কষ্ট হচ্ছে এ বাবা মানবজাতির বাবা নয়। কিন্তু এ বাবার পিছনে ছুটছে মানব জাতি। মাদক রাজ্যে ইয়াবার সাংকেতিক নাম হচ্ছে বাবা। ইয়াবা এখন পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জন্য হট আইটেম। কক্সবাজার জেলাই ঈদের পরপর হবে লক্ষ পর্যটকদের মিলন মেলা তাই এ বাবার এত কদর। মাদক জগতে ফেনসিডিলকে হটিয়ে দিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে ইয়াবা। মাদকাসক্ত তরুণ-তরুণীর প্রথম পছন্দ এখন এই ইয়াবা পাশাপাশি প্রবীণদেরও। এটি শুধু যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট হিসাবেই নয়, এখন এর সেবন চলছে হেরোইন স্টাইলেও। মাদকসেবীরা সিগারেটের খালি প্যাকেট থেকে পারদের প্রলেপযুক্ত কাগজটি বের করে তার সাহায্যে এটি সেবন করে বলে জানা যায়। তাছাড়া ৪-৫ টি ইয়াবা ট্যাবলেট গুড়ো করে এর ওপর রেখে নিচে হালকা ভাবে আগুনের তাপ দিয়ে তা সেবন করা যায়। এ সময় ধোঁয়া বের হলে তারা তা হেরোইন স্টাইলে মুখে পাইপ দিয়ে টেনে নিয়ে নেশা করে। কক্সবাজার শহরে ইয়াবা সহজলভ্য বেশী ও শীর্ষস্থানে। হাত বাড়ালেই চোখের ইশারায় পাওয়া যাচ্ছে ভয়ানক এই নেশার আইটেম। জেলায় মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে পুরো কক্সবাজার জেলার চাহিদা মিটাতে বিভিন পয়েন্টে তা পাওয়া যাচ্ছে যথাক্রমে-বৌধমন্দির ,কলাতলী,বাসটার্মিনাল, আলীরজাঁহাল, দক্ষিণ রুমালি ছড়া, টেকনাফ পাহাড়,পাহাড়তলীসহ ৪০টিরও বেশি মাদক স্পট ছাড়াও উপজেলাতেও বিক্রি হয় ইয়াবা। তাছাড়া শহরের প্রায় আবাসিক হোটেল -মোটেলেও পাওয়া যায় মরণ নেশা ইয়াবা। যেসব আবাসিক কক্সবাজার উন্নয়নের নাম ধারী হোটেল-মোটেল, ফ্লাট , প্রপার্র্টিজ লিঃ ও ডেভেলারপারের বিভিন্ন স্থানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় সেখানেই ইয়াবা সেবন চলে এছাড়া ঝুপড়ি বাড়ি-ঘরে আরো বেশী। বিভিন্ন মাদক স্পটে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি হোটেল-মোটেলে প্রায় অর্ধশত সুন্দরী কলগার্ল ইয়াবা বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। ইয়াবা বিক্রেতার তালিকায় কিছু সুদর্শন তরুণ-তরুণী রয়েছে বলে জানা যায়। মাদক রাজ্যে ওই কলগার্লরা ইয়াবা সুন্দরী এবং তরুণরা ইয়াবা প্রিন্স বলে পরিচিত। একশ্রেণীর কক্সবাজার উন্নয়নের নাম ধারী হোটেল- মোটেল, প্রপার্র্টিজ লিঃ ও ডেভেলারপারের বিভিন্ন্ স্থানে ইয়াবা সুন্দরীরা এক ঢিলে দুই পাখিও মারে। অর্থাৎ ইয়াবা বিক্রির পাশাপাশি খদ্দেরের মনোরঞ্জনের জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিক্রি করে। প্রকৃত পক্ষে ধনীর বখে যাওয়া দুলালরাই ইয়াবা ক্রেতা ও কলগার্লদের খদ্দের। মাদক বিক্রেতা ও সুন্দরী কলগার্লদের কাছে তারা ইয়াবা রাজা-বাদশা বলে পরিচিত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরে এখন ইয়াবা সেবীর সংখ্যা অনেক বেশী এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণী রয়েছে। সেই সাথে সেবনকারীদের তালিকায় আছে বড় ছেলেওয়ালা ব্যক্তি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অনেক কিশোর ও তরুণও। অপরদিকে এসব কাজে বেশী সহযোগিতা করছে প্রবীন ব্যক্তি ও ডেভেলারপার কোম্পানী কারণ খতিয়ে দেখা যায়, বড় বা মধ্যবিত্ত লোকের সন্তানদের এ নেশার জগতে ঢোকাতে পারলে লাভ । তারপর উক্ত সন্তানদের ভাল করতে তাদের পিতা-মাতাদের শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। দেখা যায় সন্তান ভাল করতে অনেক টাকা প্রযোজন এরমধ্যে ভাল সেজে আসে ওই কোম্পানী গুলো। জেলায় দেশি-বিদেশি দুধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়। এগুলোর নাম আবার বিচিত্র। নামগুলো হলো- চম্পা, চম্পা সুপার, আর ৭০, আর ৮০, আর ৯০, জিপি, ঝাকানাকা, ডাব্লিউ ওয়াই, এনসিআরএস, ডাব্লিউ এক্স প্রভৃতি। মূলত: চম্পা, চম্পা সুপার, ঝাকানাকা নামের এসব ইয়াবা নকল ও ভেজাল। এগুলো মাদক কারবারী চক্র দেশেই তৈরি করে বাজার জাত করে। তবে মায়ানমার, ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে চোরা পথে যেসব ইয়াবা বাংলাদেশে ঢুকে সেগুলো আসল তবে ক্ষতিকর। সূত্রে আরও জানা যায়, জেলায় দেশি ভেজাল ও নকল, গোলাপী রং এর ইয়াবা প্রতিপিস ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা ও মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিদেশি ইয়াবার প্রতি ঝোঁক বেশি ধনির বখে যাওয়া তরুণ-তরুণীদের। যে দামেই হোক, তারা তা সংগ্রহ করে নিয়মিত সেবন করছে খবর পাওয়া যায়। ইয়াবার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকছে দিন রাত । সমাজের তথাকথিত ভদ্র লোক, রাজনৈতিক দলের মুখোশপরা নেতাকর্মি ও ধর্মের লেবাসধারী কেউ কেউ ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা যায়। জেলায় মাদক রাজ্যে দেশি-বিদেশী যেসব ইয়াবা পাওয়া যাচ্ছে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। চিকিৎসকরা জানান, ইয়াবা সেবনের আরেক নাম মরণ। অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনে যুব সমাজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ইয়াবা নামের এই মাদক সেবনে দ্রুত কিডনি বিকল, মস্তিষ্কের নার্ভের কার্যক্ষমতা হ্রাস, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বাধাগ্রস্ত, শ্বাসনালিতে ক্ষত ও ফুসফুসে ছিদ্র হয়। তাই এই নেশা করলে নিশ্চিত মৃত্যু। এনসিআরএস নামের লাল রঙের ইয়াবা মায়ানমার ও ভারত থেকে আসে। আর ডাব্লিউ ওয়াই ইয়াবা আসে থাইল্যান্ড থেকে। উল্লেখ্য, প্রায় প্রতিরাতেই শুধু মায়ানমার থেকেই নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে আসে লাখলাখ পিস ইয়াবা এবং তা সারা বাংলাদেশে প্রচার হয়। এরপর জেলার চাহিদা মিটিয়ে সেই ইয়াবার একটি বড় অংশ ঘুরে আসে সারাদেশ। এদিকে চিকিৎসকরাও এখন নিয়মিত ইয়াবা সেবন করছে বলে জানা যায়। অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও রাজনৈতিক কিছু ব্যক্তিকে সময়মত মোটা অংকের টাকা দিয়ে আসছে উক্ত কাজে লিপ্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আপনাদের সহযোগিতায় কক্সবাজারের সুন্দর পরিবেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন সতেচন মহল । একটু সু-দৃষ্টি দিলে কক্সবাজার বাসী উপকৃত হবে।


0 Comments