Advertisement

ডুলাহাজারা হাইওয়ে পুলিশের চাদাঁবাজিতে অতিষ্ট

জহিরুল আলম সাগর ,চকরিয়া:
চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ডুলাহাজারা হাইওয়ে পুলিশের অধীনে চকরিয়া থানাধীন ফাঁসিয়াখালী আর্মী ক্যাম্প এলাকা থেকে শুরু করে খুটাখালী ফুলছড়ির নতুন অফিস পর্যন্ত এলাকায় আরকান সড়কে এক চাদাঁবাজ ট্রাফিক পুলিশের দারোগা জুলফিকার আলীর ব্যাপক চাদাঁবাজিতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে বালি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে যানবাহন ও মোটর সাইকেল মালিক ও শ্রমিকেরা। পর্যটন শহর কক্সবাজারের গেইট ওয়ে হিসেবে পরিচিত চকরিয়াকে যানজট মুক্ত, বেপরোয়া গাড়ি চালানো বন্ধ ও সড়ক ডাকাতি রোধকল্পে চকরিয়া থানার  অধীনে সার্জেন্টের সহকারী দারোগা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সুবাদে তার ব্যবহারের সরকারী গাড়ি ব্যবহার করে রাজকীয় ষ্ট্রাইলে নেমে পড়েছে ব্যাপকহারে চাদাঁবাজিতে । তাকে চাদাঁ না দিলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, রোড পারমিট, ফিটনেস ও রেজিষ্ট্রেশন বিহীন গাড়ি আটকিয়ে মোটা অংকের উৎকোচ আদায় করে পরে  ওই সব গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মালুমঘাট ষ্টেশনের উত্তর পাশের সেগুন বাগান, পাগলির ছড়া ব্রীজ, ডুলাহাজারা ষ্টেশন, খুটাখালীর গর্জন বাগান, ফুলছড়ি নতুন অফিসের উত্তর পাশের এলাকাসহ আরকান সড়কের বিভিন্ন স্থানে দাড়িয়ে প্রায় সময় গাড়ি আটকিয়ে চাদাঁবাজি করতে দেখা যায় বলে এলাকার সচেতন জনগন আভিযোগ করেছেন। গতকল     দুপুরে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে প্রধান সড়কে চকরিয়া একটি বালি ভর্তি  ট্রাক আটক করে কাগজপত্র চেক করার অজুহাতে ৫শত টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে কক্সবাজার মূখী একটি যাত্রীবাহী হাইয়েচ-মাইক্রোবাস থেকে আটক করে পরে একটু আডালে গিয়ে ড্রাইভারের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে গাড়িটি ছেড়ে দেয়। এ ব্যাপারে সার্জেন্ট জুলফিকার আলীর কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান,গাড়িটির ব্যাপারে পূর্বে মামলা রয়েছে, তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে বালি ভর্তি গাড়ি থেকে ৫শত আদায় করার ব্যাপারে বললে তিনি বলেন, টাকাতো ভাই আমি একা নিই না ? সবাই নেয়! তাছাড়া সপ্তাহে দু দিন রোড় ডিউটি আমার ভাগ্যে জুটে, বাকি দিন গুলোতে অন্যরা টাকা তুলে। শুধু আমার বিরুদ্ধে একা লিখলে কি হবে । এভাবে প্রতিদিন বালি ভর্তি ট্রাক, বালি ব্যবসায়ী, যানবাহন মালিক, শ্রমীক, মালবাহী গাড়ি ও অন টেষ্ট লেখা মোটর সাইকেল আটকিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা অবৈধ ভাবে আয় করছে ওই সার্জেন্ট। তার এ রকম অনৈতিক কর্মকান্ডে যানবাহন মালিক ও সাধারণ যাত্রীরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।

Post a Comment

0 Comments