Advertisement

উখিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে এক যুবতী ৭ মাসের অন্ত:সত্তা


আবদুর রহিম সেলিম, উখিয়া:
উখিয়ায় এক যুবতীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ৭ মাসের অন্ত:সত্তা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষনকারীরা বাচ্চা নষ্ট করার পায়ঁতারা চালাচ্ছে। অভিযোগে জানা যায়, উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হাজীর পাড়া গ্রামের হাছান আলীর যুবতী কন্যা রাশেদা বেগমকে (১৯) একই এলাকার স্থানীয় রমজান আলীর পুত্র জয়নাল উদ্দিন (২৪), দোছড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র ছৈয়দ হামজা মিলে দীর্ঘ দিন ধরে উক্ত যুবতীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
এক পর্যায়ে উক্ত মহিলা অন্ত:সত্তা হয়ে পড়ে। মেয়ের শরীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে পরিবারের অন্যান্য লোকজন মেয়ের কাছে কার সন্তান জানাতে বললে তার মাতা মরিয়াম খাতুন (৪৫) কে রমজান আলীর পুত্র জয়নাল উদ্দিন ও সন্ত্রাসী ছৈয়দ হামজা তাকে ফুসঁলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা পূর্বক তাকে যৌন লালসার শিকার করে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় একাধিক বার শালিস বিচার হলেও মেয়ে পক্ষ শালিস মানলেও ছেলে পক্ষ ডাকু প্রকৃতির লোক হওয়ায় স্থানীয় শালিসকারকদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বিচার না মেনে চলে যায়। সর্বশেষ গত ১৪ আগষ্ট স্থানীয় মান্যগন্য ব্যক্তি মোক্তার সওদাগর, হাজী মতিউর রহমান ও বুজুরুজ সওদাগর উভয় পক্ষকে ডেকে শালিসের দিন ধার্য্য করে। এতে মেয়ে পক্ষ শালিসে উপস্থিত হলেও লম্পট জয়নাল উদ্দিন ও ছৈয়দ হামজা বিচারে উপস্থিত হয়নি। উপরন্ত বিচারকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে দম্বোক্তি দেখিয়ে গায়ের জোরে বিচারস্থল থেকে সরে পড়ে। রাশেদার মাতা মরিয়ম খাতুন জানায় তার মেয়েকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষন করলে আমার মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। আমি এ ঘটনা স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তির নিকট শালিস দায়ের করি। তিনি তার মেয়ের যারা সর্বনাশ করেছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা করেন। এব্যাপারে রাশেদা বেগম বাদি হয়ে উখিয়া থানায় ২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের দারোগা জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে মামলাটি নথি ভুক্ত করেন বলে পুলিশ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

Post a Comment

0 Comments