মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন,পেকুয়া:
কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়ার অজঁপাড়া গ্রাম উজানটিয়া ইউনিয়নের করিমদাদ মিয়া বাড়ীর হেলাল উদ্দিন চৌধুরী বল্লার বিয়েতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিমন্ত্রণ গ্রহণ করলেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বলে আবদার করেছেন। এ আবদার নিয়ে গাঁয়ের ছেলে হেলাল প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করতে পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তার এই দাবী সম্বলিত হাজার হাজার রঙিন পোষ্টার বিলি করেছেন।
তিনি প্রথমবার বায়না ধরেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের কুখ্যাত খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হলে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে। কিন্তু এবার বায়না ধরেছে তার বিয়েতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসতে হবে। এ নিয়ে পুরো পেকুয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই হেলাল উদ্দিন চৌধুরী (বল্লা) উজানটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা তমিজ উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র এবং তিনি উজানটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও।
মুজিবুর রহমানের কুখ্যাত খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হলে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে। কিন্তু এবার বায়না ধরেছে তার বিয়েতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসতে হবে। এ নিয়ে পুরো পেকুয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই হেলাল উদ্দিন চৌধুরী (বল্লা) উজানটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা তমিজ উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র এবং তিনি উজানটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও।
জানা যায়,হেলালের প্রথম ঘোষণা থেকে একটু সরে এসে এবার আবদার করেছেন বিয়েতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসতে হবে। না আসলে বিয়েও করবে না বলে তিনি তার পরিবারকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। হেলাল জানান, তিনি এ দাবী বাস্তবায়নে জীবনের ৪২ বছর সময় পার করেছেন। ইতিমধ্যেই তার ছোট দুইভাই ও বিয়ে করেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি বিয়ের চিঠি জাতীয় সংসদের চকরিয়া-পেকুয়ার সংরক্ষিত আসনের সাংসদ সাফিয়া খাতুনকে দেয়া হয়েছে। এসবের পরও তার বিয়েতে প্রধানমন্ত্রী না আসলে আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ীবহর নিয়ে বিয়ে বাড়ীতে আসতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে পেকুয়া-উজানটিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজ করেছেন।


0 Comments