শফিউল ইসলাম আজাদ. উখিয়া:
রমযানের ঈদকে সামনে রেখে এখানকার পাচারকারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার ভোজ্য তেল, চিনি, গুড়, সেমাইএবং বিভিন্ন ব্রান্ডের দুধ, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে দৈনিক প্রায় সহস্রাধীক ব্যারেল ভোজ্য তেল,চিনি, গুড়, সেমাই,দুধ মজুদ করে। পরে পাচারকারীর হাত বেয়ে সড়ক, উপসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক পথ দিয়ে এসব তেল অনায়াসে মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সর জমিন সীমান্তের উখিয়া দারোগা বাজার, পালংখালী ষ্টেশন, থাইংখালী, বালুখালী, কোট বাজার ও মরিচ্যা ষ্টেশন ঘুরে দেখা যায়, শতশত ব্যারেল পাম্পওয়েল, বস্তার ভরা চিনি, গুড়, প্যাকেট করা বিভিন্ন উন্নত মানের দুধ, এবং প্যাকেট সেমাই, ভাজা সেমাই, এবং টুরী ভর্তি লাচ্ছা সেমাই, পাচারের অপেক্ষায় মজুদ রাখা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রির জন্য তাদের কাছ থেকে পাম্পঅয়েল, চিনি, গুড়, সেমাই, ও দুধ গুলো ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব মাল গুলো পাচার করা হচ্ছে না স্থানীয় ভাবে বিক্রি হচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। সীমান্তে বসবাস রত গ্রামবাসির অভিযোগ প্রতিদিন সন্ধ্যায় ৩০/৩৫ লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার ভর্তি পাম্পঅয়েল, চিনি,সেমাই, এবং বিভিন্ন রকমের দুধ কতিপয় চোরাকারবারী সীমান্তে ওপারে চালান করে দিচ্ছে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে উখিয়ার বিভিন্ন ষ্টেশনে ভোজ্য তেল, চিনি, গুড়, সেমাই, দুধ পাচারের মহোৎসব শুরু হয়। জীপ গাড়ী, টমটম,ভ্যান ও রিক্সা যোগে শতশত টুরী সেমাই, কন্টেইনার ভর্তি ভোজ্য তেল, বস্তা ভর্তি চিনি, এবং দুধ সীমান্ত পয়েন্টে গিয়ে মজুদ হয়। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে চোরাচালানীরা সীমান্তের ওপারে পাচার করে থাকে। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী এসব পণ্য পাচারের ঘটনার উপর আক্ষেপ করে বলেন, ভূতুর্কি দিয়ে আমদানীকৃত পাম্পঅয়েল ও জ্বালানী তেল পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে দেশ এবং জাতির অপুরনীয় ক্ষতি হচ্ছে। তবে চিনি,সেমাই, এবং দুধ পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে এখান সাধারণ মানুষেরদের উচ্চ দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, পাচার প্রতিরোধ করতে হলে এলাকার সুশীল সমাজ ও সীমান্তের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে আরো আর্ন্তরিক হতে হবে। ভোজ্য তেল পাচারের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের যেসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়, পাচারকারীরা মূলত সেসব পন্য পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠে। সীমান্তের স্থানীয় গ্রামবাসিদের অভিযোগ বর্তমানে বাংলাদেশী এক টাকার সমপরিমান মিয়ানমারের ১৭ কিয়াদ। বিশাল ব্যবধানের সুযোগ নিয়ে চোরাকারবারীরা বর্তমানে দৈনিক শতশত ব্যারেল পাম্পঅয়েল,সেমাই,চিনি, দুধ মিয়ানমারে পাচার করছে। তাছাড়া মিয়ানমারের বিচ্ছিন্ন একটি জনপথ মংডু টাউনশীপের আওতায় বসবাসরত হাজার হাজার পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা মেটায় বাংলাদেশী পণ্য ব্যবহার করে। আসন্ন রমযান উপলক্ষে তাদের চাহিদা আরো বেড়ে যাওয়ার সুবাদে বর্তমানে ভোজ্য তেল, জ্বালানী তেল, চিনি,গুড়, সেমাই,দুধ প্রভৃতি বানের পানির মতো মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি হোয়াইক্যং বিজিবির সদস্যরা মিয়ানমারে পাচারকালে নৌকা ভর্তি বিপুল পরিমান সেমাই, চিনি, গুড়, দুধ ও তেলসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাইপণ্য আটক করেছে।
জানা গেছে, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, অয়েল
কোম্পানী লিমিটেডের অনুমোদিত এখানে ১১জন ডিলার দীর্ঘদিন যাবৎ জ্বালানী তেল
সরবরাহ ও বাজারজাত করার বৈধতা থাকলেও ভোজ্য তেল মজুদের ব্যাপারে তাদের কোন
বৈধতা নাই। গত ৪/৫মাস ধরে মিয়ানমারে ভোজ্য তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার
কারনে এখানে ব্যাঙের ছাতার মতো গজে উঠেছে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী প্রতিষ্টান।
এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে আনিত ভোজ্য তেল পাচারকারী চক্র ভুয়াঁ
ব্যবসা প্রতিষ্টানের নাম দিয়ে খুচরা বাজারজাত করার অজুহাতে মিয়ানমারে
পাচার করে গেলেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এব্যাপারে কোন আইনগত প্রদক্ষেপ
গ্রহন না করায় তেল পাচারের মহোৎসব চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে জানতে
চাওয়া হলে ইউএনও মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমারে ভোজ্য তেল পাচার
হয়ে যাওয়ার সুনিদ্বিষ্ট অভিযোগ এ পর্যন্ত পাওয়া য়ায়নি। যদি পাওয়া
যায় তাহলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি
উপজেলা পরিষদে মাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থিত বক্তারা চোরাচালানের উপর
গুরুত্বারোপ করে পাম্পঅয়েল, চিনি, গুড়, সেমাই, দুধ পাচার হচ্ছে মর্মে
অভিযোগ উত্তাপন করলে উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী বিষয়টি
আমলে নিয়ে চোরাচালান প্রতিরোধের ব্যাপারে সচেষ্ট হওয়ার জন্য
আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।রমযানের ঈদকে সামনে রেখে এখানকার পাচারকারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার ভোজ্য তেল, চিনি, গুড়, সেমাইএবং বিভিন্ন ব্রান্ডের দুধ, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে দৈনিক প্রায় সহস্রাধীক ব্যারেল ভোজ্য তেল,চিনি, গুড়, সেমাই,দুধ মজুদ করে। পরে পাচারকারীর হাত বেয়ে সড়ক, উপসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক পথ দিয়ে এসব তেল অনায়াসে মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সর জমিন সীমান্তের উখিয়া দারোগা বাজার, পালংখালী ষ্টেশন, থাইংখালী, বালুখালী, কোট বাজার ও মরিচ্যা ষ্টেশন ঘুরে দেখা যায়, শতশত ব্যারেল পাম্পওয়েল, বস্তার ভরা চিনি, গুড়, প্যাকেট করা বিভিন্ন উন্নত মানের দুধ, এবং প্যাকেট সেমাই, ভাজা সেমাই, এবং টুরী ভর্তি লাচ্ছা সেমাই, পাচারের অপেক্ষায় মজুদ রাখা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রির জন্য তাদের কাছ থেকে পাম্পঅয়েল, চিনি, গুড়, সেমাই, ও দুধ গুলো ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব মাল গুলো পাচার করা হচ্ছে না স্থানীয় ভাবে বিক্রি হচ্ছে তা আমাদের জানা নেই। সীমান্তে বসবাস রত গ্রামবাসির অভিযোগ প্রতিদিন সন্ধ্যায় ৩০/৩৫ লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার ভর্তি পাম্পঅয়েল, চিনি,সেমাই, এবং বিভিন্ন রকমের দুধ কতিপয় চোরাকারবারী সীমান্তে ওপারে চালান করে দিচ্ছে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে উখিয়ার বিভিন্ন ষ্টেশনে ভোজ্য তেল, চিনি, গুড়, সেমাই, দুধ পাচারের মহোৎসব শুরু হয়। জীপ গাড়ী, টমটম,ভ্যান ও রিক্সা যোগে শতশত টুরী সেমাই, কন্টেইনার ভর্তি ভোজ্য তেল, বস্তা ভর্তি চিনি, এবং দুধ সীমান্ত পয়েন্টে গিয়ে মজুদ হয়। সেখান থেকে সুযোগ বুঝে চোরাচালানীরা সীমান্তের ওপারে পাচার করে থাকে। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী এসব পণ্য পাচারের ঘটনার উপর আক্ষেপ করে বলেন, ভূতুর্কি দিয়ে আমদানীকৃত পাম্পঅয়েল ও জ্বালানী তেল পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে দেশ এবং জাতির অপুরনীয় ক্ষতি হচ্ছে। তবে চিনি,সেমাই, এবং দুধ পাচার হয়ে যাওয়ার ফলে এখান সাধারণ মানুষেরদের উচ্চ দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, পাচার প্রতিরোধ করতে হলে এলাকার সুশীল সমাজ ও সীমান্তের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে আরো আর্ন্তরিক হতে হবে। ভোজ্য তেল পাচারের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের যেসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়, পাচারকারীরা মূলত সেসব পন্য পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠে। সীমান্তের স্থানীয় গ্রামবাসিদের অভিযোগ বর্তমানে বাংলাদেশী এক টাকার সমপরিমান মিয়ানমারের ১৭ কিয়াদ। বিশাল ব্যবধানের সুযোগ নিয়ে চোরাকারবারীরা বর্তমানে দৈনিক শতশত ব্যারেল পাম্পঅয়েল,সেমাই,চিনি, দুধ মিয়ানমারে পাচার করছে। তাছাড়া মিয়ানমারের বিচ্ছিন্ন একটি জনপথ মংডু টাউনশীপের আওতায় বসবাসরত হাজার হাজার পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা মেটায় বাংলাদেশী পণ্য ব্যবহার করে। আসন্ন রমযান উপলক্ষে তাদের চাহিদা আরো বেড়ে যাওয়ার সুবাদে বর্তমানে ভোজ্য তেল, জ্বালানী তেল, চিনি,গুড়, সেমাই,দুধ প্রভৃতি বানের পানির মতো মিয়ানমারে পাচার হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি হোয়াইক্যং বিজিবির সদস্যরা মিয়ানমারে পাচারকালে নৌকা ভর্তি বিপুল পরিমান সেমাই, চিনি, গুড়, দুধ ও তেলসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাইপণ্য আটক করেছে।

0 Comments