Advertisement

চকরিয়ায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে:বখাটেদের উৎপাত

মোঃ সাইফুল ইসলাম খোকন.চকরিয়া.
চকরিয়ার ঈদের বাজার বেশ জমে উঠেছে। রোজার প্রথম থেকে ঈদের বাজার চাঙ্গাভাব আরো বেড়ে গেছে। সম্প্রতি বন্যার কারণে কয়েকদিন থমকে গেলেও এখন ব্যস্ততা বাড়ছে বানিজ্যিক কেন্দ্র গুলোতে। এ উপজেলা ছাড়াও পাশ্ববর্তী  লামা, আলীকদম, লোহাগাড়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী উপজেলার প্রায় লোক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এখানে কেনা কাটার জন্য ছুটে আসছে। ক্রেতারা ঈদের কেনা কেটার জন্য সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পৌর এলাকার বিভিন্ন বিপনী বিতানে  সমাগম বেড়েছে শপিংমল গুলোতে। পৌর শহরের শতাধিক দোকানে দৈনিক কয়েক কোটি টাকার কাপড় চোপড়, জুতা, প্রসাধনী ও ক্রোকারিজ সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এসব মার্কেট গুলোতে পুরুষের চেয়ে মহিলা ক্রেতার সংখ্যা বেশী।  
গতকাল চকরিয়া শপিংয়ে বাজার করতে আসা রাবেয়া বশরী নামে এক গৃহবধূ জানান, এবারে ঈদ বাজারে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম বেশী। এর পরও ঈদুল ফিতরের আনন্দে শরীক হতে ক্রেতারা ব্যবসায়ীদের হাতে প্রতারিত হলেও নিজেদের সাধ্য ও প্রছন্দমত প্রসাধনীসহ  পোশাক, জুতা, কসমেটিকসহ প্রয়োজনীয় পন্য ক্রয় করছে। পৌর শহরের আনোয়ার শপিংকমপ্লেক্স, মতলব প্লাজা, নিউ মার্কেট, সমবায় মার্কেট, বাবু মিয়া হকার মার্কেট, রওশন মার্কেট, হক মার্কেট, সুপার মার্কেট, রূপালী শপিংকমপ্লেক্স. ওয়েষ্টার্ণ প্লাজায় দোকানীরা বাহারী পোশাক ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যাপক পসরা সাজিয়েছে। বাবু মিয়া হকার মার্কেটে নিন্মবিত্ত ক্রেতাদের সব পণ্যের চাহিদা মেটানো ও দাম কিছুটা কম হওয়ায় এখানে জমজমাট বেচাকেনা চলছে। বিক্রেতারা জানান, এবারের ঈদে মহিলাদের বাহারী ডিজাইনের শাড়ি, তরুনীদের বাহারী কাটা থ্রিপিস, শিশুদের পোশাক ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীর চাহিদা বেশী। প্রকার ভেদে প্রতি পিস শাড়ির মূল্যে ৫শ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তরুনীদের বাহারী থ্রীপিস প্রকারভেদে ১ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। 
এবারের ঈদে ব্যবসায়ীরা সুকৌশলে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম  গত বছরের চেয়ে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে শাড়ি ও থ্রীপিস বিক্রি করছে। এ ছাড়া থান কাপড় গুলোতেও প্রতি গজে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করছে। চকরিয়া পৌর সদরে ঈদের কেনা কাটা করতে আসা ক্রেতারা মহাসড়ক ও আভ্যন্তরিণ সড়ক গুলোতে কেনা কাটা সারার পর গভীর রাতে নির্বিঘেœ বাড়ি পৌছতে পুলিশী টহল জোরদার করার দাবী জানিয়েছেন। এছাড়া মার্কেট গুলোতে মহিলারা কেনা কাটা করার সময় কিছু উঠতি বয়সী  বখাটে যুবকদের ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে, তাই মার্কেট গুলোতে বখাটেদের অপতৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের সার্বক্ষনিক টহলদারী জোরদার করার দাবী জানিয়েছেন।

Post a Comment

0 Comments