বার্তা পরিবেশক:
রামুর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোজাফফর কোম্পানী প্রথম শ্রেনী জুুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৩২ জনের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। মানহানি মামলায় রামুর রিয়াজুল আলম, নুরুল হক সহ ৩২ জনকে আসামী করা হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ইন্দনে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে আসামীগন নুরুল হককে ব্যবহার করে কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে মোজাফ্ফর আহমদ কোম্পনীর বিরুদ্ধে জমি লাগিয়তের টাকা পাওনা রয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ১ আগষ্ট। ওই দিন স্থানীয় ইউএনওর অফিসে বসেই উক্ত ঘটনা মিমাংসা হয়। অভিযোগকারী জমি লাগিয়তের কোন প্রমান পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। তারপর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার মৌখিক অনুরোধে নুুরুল হককে ২ হাজার টাকা প্রদান করে মোজাফ্ফর কোম্পনী। এর বাইরে অন্যকোন ঘটনা না ঘটলে ও স্থানীয় রিয়াজুল আলম সহ চিহ্নিত একদল লোক নুরুল হককে নিয়ে মোজাফ্ফর কোম্পনীর প্রতিপক্ষ লোকজনদের নিয়ে ৩ আগষ্ট জুতা মিছিল বের করে আপত্তিকর শ্লোগান দেয়। অথচ যারা ওই দিন মোজাফফর কোম্পনীর বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে বে আইনী জনতা গঠন পূর্বক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন তাদের কাছ থেকে অর্থাৎ বিনয়ী বড়য়া ১৫৫১,১৫৫২ নং দলিল মূলে অধীর বড়য়া ১৭২৩/১৭১৯, মাহবুব আলম ১১৮৭ দলিল, নজিবুল আলম ১৯৭৩ নং দলিল মূলে মোজাফফর কোম্পনী জমি কবলা নিয়েছেন। এর মধ্যে কিছু কিছু জমির দখল তিনি অদ্যবধি বুঝে নেননি। উল্টো জমি দখল দলিল দাতার ওয়ারিশগন চক্রান্তের অংশ হিসাবে নুরুল হক কে জমি লাগিয়তের টাকার ওয়ারিশদার বানিয়ে তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ করেন। পরে ওই ঘটনার সূত্র ধরে ৩ আগষ্ট মোজাফফর কোম্পনীকে ভূমিদস্যূ, নারীলোভী সহ বিভিন্ন আপত্তিকর শ্লোগান দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ এনে এলাকার জনগনের দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে জুতা মিছিল করেছেন আসামীগন। তাদের এই অপতৎপরতার ফলে তিনি তার সম্মানহানি হয়েছে বলে ৬ আগষ্ট রামু সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৪০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলা রামু থানাকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন এডভোকেট আহমদ হোসেন, এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, এডভোকেট মাঈনুদ্দিন ও এডভোকেট আমীর হোসেন।

0 Comments