কক্সবাজার সাগরপাড়ের জিলংঝা মৌজায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৪৭টি প্লট রয়েছে।
প্রতিটি প্লট ৫ থেকে ১০ কাঠার।বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২২০টি প্লট
এমপি, মন্ত্রী, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,
ব্যবসায়ী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়।এবার মহাজোট সরকারের এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সরকারি জমির ওপর। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৭টি খালি প্লট ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৫৯টি প্লট পেতে চাইছেন এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জমিতে স্থানীয় প্রশাসন ৪শ’ ফ্ল্যাট বিশিষ্ট বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা দিয়েছে গণপূর্ত ও গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের কাছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। এমপিদের ‘নাখোশ’ হওয়ার ভয়ে মন্ত্রণালয়ও সিদ্ধান্ত নিতে সাহস করছে না। অপরদিকে বাতিল হওয়া ৫৯টি প্লট সম্পর্কে ভূমি মন্ত্রণালয় দেড় বছরেও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত ধাবি গ্রুপ, কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখানে বিনোদন পার্ক, আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, আন্তর্জাতিক কনভেনশন হল-কাম শপিং কমপ্লেক্স, গাড়ি পার্কিং নির্মাণে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় ধাবি গ্রুপ চলে গেছে। প্রবাসী বাংলাদেশীরাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সাগরপাড়ের জিলংঝা মৌজায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৪৭টি প্লট রয়েছে। প্রতিটি প্লট ৫ থেকে ১০ কাঠার। জোট সরকারের সময় ২২০টি প্লট এমপি, মন্ত্রী, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব প্লটে তারা ৮তলা, ১০তলা ভবন করেছেন। জোট সরকার ২৭টি প্লটের বরাদ্দ দিয়ে যেতে পারেনি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে গত বছর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে সিদ্ধান্ত চাওয়া হয়। এখানে ৪০০ ফ্ল্যাট হবে জানিয়ে ব্যক্তির নামে বরাদ্দ না দিয়ে এ জমিতে ফ্ল্যাট বাড়ি নির্মাণের প্রস্তাব করে স্থানীয় প্রশাসন। মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। প্রায় ৬০ জন এমপি গৃহায়ন ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন প্লট পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্লট বরাদ্দ নেয়ার জন্য তারা জোর তদবির চালাচ্ছেন। বরাদ্দ না দেয়ায় কয়েকজন তীব্র অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। গৃহায়ন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না।
সাগরপাড়ে কলাতলীতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৮৭ একর জমির ওপর ৮৭টি প্লট রয়েছে। জোট সরকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল নেতাদের, জামায়াত দলীয় এমপি, কয়েকজন নেতাকে ও বিএনপি, জামায়াতের মনোভাবাপন্ন ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের ৫৯টি প্লট বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দের শর্ত ভঙ্গ করার দায়ে বর্তমান সরকার এসব বরাদ্দ বাতিল করে। বরাদ্দ আদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বরাদ্দ প্রাপকরা হাইকোর্টে রিট করলে তারা তাতে হেরে যান। হাইকোর্ট ব্যক্তিগতভাবে এসব প্লট বরাদ্দ না দেয়া এবং জনস্বার্থমূলক কাজে ব্যবহারের নির্দেশ দেন। তবে সরকার কখনও ব্যক্তিগতভাবে কাউকে বরাদ্দ দিলে সে ক্ষেত্রে আগের বরাদ্দ প্রাপকদের অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে এসব প্লটে বেসরকারি বা যৌথ উদ্যোগে বিনোদন কেন্দ্র, মেডিকেল, ট্যুরিজম উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল, কনভেনশন সেন্টার-কাম শপিং সেন্টার নির্মাণে ধাবি গ্রুপ, ইঞ্জিনিয়ার ফারুকসহ প্রবাসী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। সূত্র জানায়, ধাবি গ্রুপ ও কয়েক জন প্রবাসী বাংলাদেশী ভূমি মন্ত্রণালয়েও প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে সফরে গেলে প্রবাসী বাংলাদেশীরা স্বদেশে, বিশেষ করে কক্সবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা দেয়ার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। কিন্তু ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে কোন উদ্যোগই নেয়া হচ্ছে না। হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ৫৯টি প্লটের বরাদ্দ আদেশ ও খতিয়ান বাতিল করেই তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তী কোন সিদ্ধান্ত না নেয়ায় এসব প্লটের ওপর মাঝে মধ্যেই স্থানীয় লোকজন দোকানপাট ওঠায়। আর প্রশাসন থেকে ভেঙে দেয়া হয়।
কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন আহমদ বলেন, বিদেশী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও তারা দিয়েছেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত দিতে না পারায় তারা হতাশ হচ্ছেন। জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো প্রস্তাব বা তার চেয়ে উন্নত কোন প্রস্তাব থাকলে তা গ্রহণ করে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেয়া জরুরি। তার আশঙ্কা ভবিষ্যতে হোটেল-মোটেল জোনে বাতিল করা প্লটগুলো নিয়ে নতুন করে জটিলতাও সৃষ্টি করা হতে পারে। যার ফলস্বরূপ প্লটগুলো সরকারের হাতছাড়াও হয়ে যেতে পারে।
ব্যবসায়ী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়।এবার মহাজোট সরকারের এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সরকারি জমির ওপর। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৭টি খালি প্লট ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৫৯টি প্লট পেতে চাইছেন এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জমিতে স্থানীয় প্রশাসন ৪শ’ ফ্ল্যাট বিশিষ্ট বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা দিয়েছে গণপূর্ত ও গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের কাছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। এমপিদের ‘নাখোশ’ হওয়ার ভয়ে মন্ত্রণালয়ও সিদ্ধান্ত নিতে সাহস করছে না। অপরদিকে বাতিল হওয়া ৫৯টি প্লট সম্পর্কে ভূমি মন্ত্রণালয় দেড় বছরেও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত ধাবি গ্রুপ, কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখানে বিনোদন পার্ক, আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, আন্তর্জাতিক কনভেনশন হল-কাম শপিং কমপ্লেক্স, গাড়ি পার্কিং নির্মাণে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় ধাবি গ্রুপ চলে গেছে। প্রবাসী বাংলাদেশীরাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সাগরপাড়ের জিলংঝা মৌজায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৪৭টি প্লট রয়েছে। প্রতিটি প্লট ৫ থেকে ১০ কাঠার। জোট সরকারের সময় ২২০টি প্লট এমপি, মন্ত্রী, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব প্লটে তারা ৮তলা, ১০তলা ভবন করেছেন। জোট সরকার ২৭টি প্লটের বরাদ্দ দিয়ে যেতে পারেনি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে গত বছর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে সিদ্ধান্ত চাওয়া হয়। এখানে ৪০০ ফ্ল্যাট হবে জানিয়ে ব্যক্তির নামে বরাদ্দ না দিয়ে এ জমিতে ফ্ল্যাট বাড়ি নির্মাণের প্রস্তাব করে স্থানীয় প্রশাসন। মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। প্রায় ৬০ জন এমপি গৃহায়ন ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন প্লট পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্লট বরাদ্দ নেয়ার জন্য তারা জোর তদবির চালাচ্ছেন। বরাদ্দ না দেয়ায় কয়েকজন তীব্র অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। গৃহায়ন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না।
সাগরপাড়ে কলাতলীতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৮৭ একর জমির ওপর ৮৭টি প্লট রয়েছে। জোট সরকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল নেতাদের, জামায়াত দলীয় এমপি, কয়েকজন নেতাকে ও বিএনপি, জামায়াতের মনোভাবাপন্ন ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের ৫৯টি প্লট বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দের শর্ত ভঙ্গ করার দায়ে বর্তমান সরকার এসব বরাদ্দ বাতিল করে। বরাদ্দ আদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বরাদ্দ প্রাপকরা হাইকোর্টে রিট করলে তারা তাতে হেরে যান। হাইকোর্ট ব্যক্তিগতভাবে এসব প্লট বরাদ্দ না দেয়া এবং জনস্বার্থমূলক কাজে ব্যবহারের নির্দেশ দেন। তবে সরকার কখনও ব্যক্তিগতভাবে কাউকে বরাদ্দ দিলে সে ক্ষেত্রে আগের বরাদ্দ প্রাপকদের অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে এসব প্লটে বেসরকারি বা যৌথ উদ্যোগে বিনোদন কেন্দ্র, মেডিকেল, ট্যুরিজম উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল, কনভেনশন সেন্টার-কাম শপিং সেন্টার নির্মাণে ধাবি গ্রুপ, ইঞ্জিনিয়ার ফারুকসহ প্রবাসী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। সূত্র জানায়, ধাবি গ্রুপ ও কয়েক জন প্রবাসী বাংলাদেশী ভূমি মন্ত্রণালয়েও প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে সফরে গেলে প্রবাসী বাংলাদেশীরা স্বদেশে, বিশেষ করে কক্সবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা দেয়ার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। কিন্তু ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে কোন উদ্যোগই নেয়া হচ্ছে না। হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ৫৯টি প্লটের বরাদ্দ আদেশ ও খতিয়ান বাতিল করেই তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তী কোন সিদ্ধান্ত না নেয়ায় এসব প্লটের ওপর মাঝে মধ্যেই স্থানীয় লোকজন দোকানপাট ওঠায়। আর প্রশাসন থেকে ভেঙে দেয়া হয়।
কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন আহমদ বলেন, বিদেশী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের কক্সবাজারে বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও তারা দিয়েছেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত দিতে না পারায় তারা হতাশ হচ্ছেন। জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো প্রস্তাব বা তার চেয়ে উন্নত কোন প্রস্তাব থাকলে তা গ্রহণ করে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেয়া জরুরি। তার আশঙ্কা ভবিষ্যতে হোটেল-মোটেল জোনে বাতিল করা প্লটগুলো নিয়ে নতুন করে জটিলতাও সৃষ্টি করা হতে পারে। যার ফলস্বরূপ প্লটগুলো সরকারের হাতছাড়াও হয়ে যেতে পারে।

0 Comments