Advertisement

ঈদে ঘরমুখো মানুষ ডাকাতির শিকার: কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সড়কে ফের ডাকাতি

আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী:
মহেশখালী উপজেলার ক্রাইমজোন সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে খ্যাত কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা চিতাখোলা মাতারবাড়ী সড়কে ২ দিনের ব্যবধানে আবারও ডাকাতির ঘটনা ঘটার খবর পাওয়া গেছে। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশী তৎপরতা অব্যাহত থাকার পরও পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে গ্রাম-গঞ্জে ঢুকে পড়েছে ডাকাতদল। প্রতিদিন ডাকাতদল কালারমারছড়া-মাতারবাড়ী সড়কে হানা দিচ্ছে। 
জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪ টার সময় উত্তর নলবিলা এলাকার জেল ফেরত একাধিক মামলার পলাতক আসামী আবদুল হকের পুত্র ডাকাত সর্দার বজল, আবদুস সাত্তারের পুত্র একরাম, মোঃ ছাবেরের পুত্র দেলোয়ার প্রকাশ টুইট্যা, উলা মিয়ার পুত্র নেজাম উদ্দিন, মোঃ বদীর পুত্র ফরিদ, উলা মিয়ার পুত্র শাহাব উদ্দিন, গোলাম মোস্তফার পুত্র সোনাইয়া সহ ১৫/২০ জন সশস্ত্র ডাকাতদল নলবিলা মাতারবাড়ী সড়কে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যাত্রীবাহী ২টি সিএনজি থেকে ৫ জনের কাছ থেকে ৪টি মোবাইল সেট, নগদ ২০ হাজার টাকা, ঈদের কাপড় সহ অর্ধলক্ষ টাকার মালামাল লুট করে সটকে পড়ে।  লুটপাটকালে চিৎকার করায় ডাকাতেরা চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়ার এক স্বর্ণের মহাজনকে অপহরণের উদ্দেশ্যে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ডাকাত কবলিত মাতারবাড়ী সিকদার পাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিনিয়ত এ সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটলে পুলিশ রয়েছে দর্শকের ভূমিকায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে এ সড়কে অর্ধডজন ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এ পর্যন্ত বজল বাহিনীর কোন সদস্যদের গ্রেফতার করতে পারে নাই। গত ৩০ জুলাই গভীর রাতে পুলিশের সাথে বজল বাহিনীর বন্ধুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে, কালারমারছড়া ফাঁড়ি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এস.আই. বসু মিত্র এ প্রতিবেদককে জানান, বড়–য়া পাড়া এলাকায় গভীর পাহাড় থাকায় এসব চিহিৃত ডাকাতদের আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এলাকার লোকজন তাদের সঠিক তথ্য দিলে ডাকাতদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

Post a Comment

0 Comments